অতি দক্ষ মিথ্যুক না হলে সত্যবাদিতা উৎকৃষ্ট পন্থা
বাংলাদেশের পাসপোর্ট অর্ডিন্যান্স কিংবা পাসপোর্ট আইন প্রণয়ন হয় ৮ই ফেব্রুয়ারী ১৯৭৩ সালে। সেখানে বলা হয় বাংলাদেশী কোনো নাগরিকই এই সনদ ব্যতীত বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিসীমার বাইরে যেতে পারবেন না।
বাংলাদেশ সরকার নির্ধারণ করে দিবে এই পাসপোর্ট দিয়ে কোন কোন দেশে যাওয়া যাবে এবং কোন কোন দেশে যাওয়া যাবে না। তবে বৈধ পাসপোর্ট ব্যতিত বাইরে যাওয়ার প্রচেষ্টা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ বিবেচিত হবে।
যদি কেউ দালাল আইনে অভিযুক্ত প্রমাণিত হয় তবে তাদের পাসপোর্ট দেওয়া হবে না।
কেউ যদি বৈদেশিক অর্থ পাচার কিংবা অবৈধ মাদক এবং অবৈধ ঔষধ পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হয় তবে বাংলাদেশ সরকার তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। এটা বাংলাদেশ সরকারের এখতিয়ার।
এমন কি পাসপোর্ট আবেদনকালীন সময়ের ৫ বছরের ভেতরে যদি কেউ ফৌজদারী অপরাধে ন্যুনতম ২ বছর কারাদন্ড ভোগ করে কিংবা যদি সে বাংলাদেশের কোনো আইন ভঙ্গের অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং বাংলাদেশের প্রশাসনের সন্দেহ হয় বিচার এড়াতে সে বাংলাদেশ থেকে পালাতে চাইছে তবে তাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট দেওয়া হবে না।
সরকার যদি ধারণা করে কেউ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বাইরে প্রচারণা চালাতে পারে, তবে সরকার তাকে পাসপোর্ট প্রদানের অনুমতি প্রদান নাও করতে পারে।
Click This Link
পাসপোর্ট অর্ডিন্যান্স খুঁজে দেখলাম, কোথাও পাসপোর্টের রং নির্ধারণ করে দেওয়া নেই।
এমন কি বলাও নেই বাংলাদেশের পাসপোর্টের রং আবশ্যিক ভাবেই সবুজ হতে হবে।
তবে পাসপোর্টের রং পরিবর্তন করা নিয়ে যে হাহাকার দেখে যাচ্ছে তাতে আশ্চর্য হচ্ছি।
মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিবেচনা বোধের কমতি আছে এটা নতুন কোনো তথ্য নয়, তবে কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে এটাই নতুন উপলব্ধি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।