- নিজেকেই নিজে চিনি না, পরকে চেনার মিছে বাহানা -
তোমাকে বলেছিলাম
ওরা কেউ কারো বন্ধু নয়
ওই দেয়াল আর পেরেক
ওই জুতো আর জুতোর মধ্যে পা
ওই বোতল আর ছিপি -
ওরা একসঙ্গে থাকে মানায় বলে,
ওরা কেউ কারো বন্ধু নয়।
একদম আলাদা ধাতুতে তৈরী
দুটো করে জিনিস
কীভাবে মুখে মুখ দিয়ে বসে থাকে, তাই ভেবে তুমি অবাক -
আমরা নিজেদের দিকে চেয়ে দেখি না।।
শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়ের এই কবিতা আজ বড়ো ছুঁয়ে গেলো... বহুপরিচিত অভিব্যক্তি গুলো এমন করে নাড়া দিলো, যেন তীর্থ। কেনো ভালোবাসলে এমন করে! কেনো! পাষাণ হৃদয়টা এসব বুঝতে চায় না, তবুও কেনো এতো শূন্যতা বিরাজমান। ভাবতাম, অসীম শূন্যতার মতো ভালোবাসা করি লালন- কোনো ব্যক্তি বিশেষের তরে নয়। তবে!! ভুল ভাবনা আমার.. কেমন খাঁ খাঁ করছে.. কাকে যেন ভীষণ মনে পড়ছে... হৃদয়ের কড়া নাড়ায় শব্দাবলী ভীড় করে, আমি বলিঃ
চোখে ক'ফোঁটা অশ্রু
হৃদয়ে স্পর্শ জাগায়-
শূন্যতা বিলীন, হারায়
আড়াল ভেঙে চৌচির,
লুকোচুরি সময় ফুরায়-
কী ভীষণ অন্যমনস্কতা!
কী পরম আনন্দানুভূতি!
ঈর্ষাকাতর চাঁদ চোখ রাঙায় মেঘের ভরসায়
মৃদুমন্দ বাতাসে কার মনরথ ভেসে বেড়ায়?
কোনো গ্লানি নেই, দুঃখ নেই দূরে যাওয়ায়-
কাছে আসবো যখন আবার সেই আপনায়!
কেউ বুঝে, কেউ না বুঝে, কেউ অবুঝের মতো করে অম্লান বদনে অর্থহীন শব্দাবলীর নিছক আক্ষেপ, আমি হাসির আড়ালে ভাসিয়ে দিই সকল ভ্রুক্ষেপ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।