শুধু বৃষ্টি নয়
খুব অশান্তিতে আছি । খুব একটা আতংকের মধ্যে আছি ।
আমার ছোটোখাটো ঘর,
ইট-সুড়কি-সিমেন্টের যে মানবিক চৌহদ্দিতে আমার বসবাস,
ইদানীং তাতে বসত করেছে... একপাল হঠাৎ দেবদূত ।
এতোকাল তারা ছিলেন আমার মতোই, দুপেয়ে মানুষ ।
রক্ত-মাংশের, হিংসা-লোভের,
হাড্ডি-চামড়ার, আনন্দ-বেদনার,
একেকটা সমসত্ত্ব মিশেল ।
এতোকাল তারা েিদ লাগলে খেতেন, কান্তিতে ঘুমোতেন,
আনন্দে হাসতেন, দুঃখ পেলে কাঁদতেন,
উৎসবে চিৎকার করে গাইতেন বেসুর-বেতাল গান ।
এতোকাল তারা ছিলেন নিতান্ত মানুষী সত্ত্বা ।
তাদের ছোঁয়া যেতো, ধরাও যেতো মাঝেমধ্যে,
তাদের বুকের ওমে বরফ গলতো এতোকাল;
তারা এতোকাল ফুসফুস ভরে বুনো ফুলের নিঃশ্বাস নিতেন,
একরত্তি সৌন্দর্যের সামনে দাঁড়িয়ে
খুব সহজেই তারা কেঁপে ওঠতেন, নড়বড়ে হয়ে যেতেন,
তাদের বিপন্ন হৃদপিন্ডগুলো প্রবল মন্থর হয়ে যেতো অকস্মাৎ,
আর তাদের আত্নাগুলো
শীত-গ্রীষ্মে তাদের ছেড়ে অবিরাম পাড়ি জমাতো সহস্রাব্দের দূরত্বেৃ...।
অর্থাৎ,
এতোকাল তারা বড় বেশী মানবীয় ছিলেন ।
হঠাৎ কী যে হয়ে গেলো !
কী যে আশ্চর্য অনির্বচনীয় উল্লাসে
দুর্দান্ত স্বর্গীয় আলোকরজ্জু এক,
সেই শরতের সহজ মেঘের মতো মানুষগুলোকে
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে তাদেরকে চুড়ান্তভাবে একেকটা নিখাদ-নিরেট দেবদূতে রূপান্তরিত করলো ।
অর্থাৎ, তারা একেকজন
আগাগোড়া দেবদূত হয়ে গেলেন ।
দূর্ভাগ্যক্রমে ঐদিন আমি অন্ধকারের পূজো করছিলাম... ।
ঈশ্বর !
তোমার একান্ত বার্তাবাহকের দল
আজকাল এক মন্ত্রপূতঃ ক্রুশকাঠে আমায় খুব বিদ্ধ করতে চাইছে !
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।