আর্টিকেল রাইটিং কথাটি ছোট্ট একটি কথা হলেও এর গভীরতা অনেক, আপনার লিখনির উপর নির্ভর করছে আপনার ব্লগটি কি পরিমান জনপ্রিয় হবে। আর্টিকেল লেখার এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো বিষয়ের উপরে গুরুত্ব দিতে হবে। আর কি কারনে আর্টিকেল মানসম্পন্ন হয়না সেটার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
# বিষয় বস্তুর উপর সম্মোখ ধারনা না থাকলে
যে বিষয়ের উপর আর্টিকেল লিখতে হবে সে বিষয়ের উপর জ্ঞান না থাকলে লেখা কখনোই মানসম্পন্ন হয় না। ব্যপারটা হলো, সামান্য জ্ঞান থাকলেও একটা বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা সম্ভব, তবে সেটা পাঠকের সময় নষ্ট করা ছাড়া ভাল মানের আর্টিকেল হবে না।
পাঠক যে তথ্য খুজছেন সে তথ্য যদি না ই পেল তাহলে সে আর্টিকেল লেখার কোন অর্থ থাকে না। তাই আমাদের আর্টিকেল লেখার সময় মাথায় রাখতে হবে আমি একজন পাঠকের জন্য আর্টিকেল লিখছি, সুতরাং অথ্যপূর্ন আর্টিকেল পাঠকের মন জয় করবে। তাই বিষয়বস্তুর উপর সম্মোখ জ্ঞান অর্জন করা বাঞ্চনীয়।
# লেখার ধারাবহিকতা লঙ্ঘন করলে
একটা লেখকের লেখনি তখন ই পাঠক পড়ে মজা পায় বা উপকৃত হয়, যখন সে লেখাটার একটি ধারাবহিকতা থাকে। বেশির ভাগ লেখকই লেখার ধারাবাহিকতা বুঝে না।
যার কারনে তাদের আর্টিকেল হয় নিম্ন মানের। অনেকই আবার বলতে পারে ধারাবহিকতা কিভাবে বজায় রাখা সম্ভব। তাদের জন্য একটা উদাহরন হলো- আপনাকে যদি বলে “মানুষের অঙ্গ প্রতঙ্গ” নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখতে, তাহলে আপনি হয় মাথা থেকে আগে শুরু করবেন, নাহ হয় পা থেকে আগে শুরু করবেন। ধরুন আপনি মাথা থেকেই শুরু করলেন, মানুষের ১টি মাথা, দুটি হাত, দুটি পা ইত্যাদি আছে। এখানে কথা হলো বর্ননায় মাথার পরে তো হাত আসতে পারে না।
মাথার পরে চোখ, নাক, কান ইত্যাদি আছে। এগুলো না লিখে যদি মাথা থেকে হাতে নেমে যায় কখনোই সে লেখা মানসম্পন্ন হয় না। সুতরায় লেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
# শুরু এবং শেষ
কথা আছে ভাত রান্না করতে গেলে হাড়ি ভরা ভাত টিপে দেখতে হয়না ভাত হয়েছে কিনা, একটা দেখলেই যথেষ্ট। সে রকমই একটা ব্যপার, একটা আর্টিকেল এর মান বুঝতে সম্পূর্ন আর্টিকেল পড়তে হয় না।
আর্টিকেল এর শুরুটা দেখেই বুঝা যায় আর্টিকেলটি কতটুকু অর্থবহুল হয়েছে। তাই আর্টিকেল এর শুরুটা এমন হওয়া উচিৎ যে শুরুটা পড়েই যেন বুঝতে পারে আর্টিকেল এর ভিতর কি লেখা আছে বা আর্টিকেল টা কতটা গুরুত্বপূর্ন।
অপরদিকে আরেকটা কথা থেকেই যায় “শেষ ভাল যার সব ভাল তার” তাই একটি আর্টিকেল এর শেষের কথাটাগুলোও এমনভাকে গুছিয়ে লেখতে হবে যেন পুরা আর্টিকেলটার স্বাদ যেন শেষে এসে তেতো না হয়ে যায়।
সুতরাং আর্টিকেল লেখার সময় আমাদের এসব বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। একজন লেখকের লেখনি তখনই সার্থক হয়, যখন একজন পাঠক পড়ে মজা পায় এবং সেটা সবার মাঝে শেয়ার করে।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।