আমি নগন্য ধূলিসম, অনন্ত অম্বর মাঝারে.। .। .। প্রিয় ফেলে আসা দিন, তুমি বোধহয় জানো না,
আমাদের নতুন কেনা টয়োটার এসির আরামে
বসেও কি ভীষণ ঘামি আমি ।
আটকে আসা বন্ধ দম ছাড়াতে, নিজেকে বাঁচাতে
তোমার পক্ষীরাজ, তোমার বাইসাইকেলে চাপি আমি
আর তুমি নিখুঁত ছন্দে টেনে নিয়ে যাও সেটাকে আগের মত করে
বিশ্বাস করো , সেবারের মত বেঁচে যাই আমি ।
মনে আছে তোমার,ক্ষেপ খেলতে গিয়ে হাঁটু ছড়ে এসেছিলে
আমার জ্বলন্ত দৃষ্টির সামনে মিনমিন করে বলেছিলে,
“তোমায় নূপুর গড়ে দেব –তাই ফেরাইনি ভাড়া হয়ে খেলার ডাক”
বিশ্বাস করো , আমার লক্ষ টাকার জড়োয়াসেটও
এতোটা আলো ছড়ায় না
এখনো যতোটা আলোকিত তোমার দেয়া নূপুরজোড়া ।
সেবার দুজনের খুব মন চাইল হারিয়ে যাবো ,
রেললাইন ধরে চলতে লাগলাম দুজন।
হটাৎ বৃষ্টি ,দুপ্রান্তের লাইন ধরে হাতে হাত রেখে হাঁটি দুইজন
কি আনন্দ , বৃষ্টির তোড়ে মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছ ,
ও প্রান্তের তুমি ।
জানো , আজও পাচতারা হোটেলের উইন্টার গার্ডেনের
তথাকথিত পার্টি ছেঁড়ে সেই রেইল লাইন ধরে হাঁটি আমি
এবং অনিবার্য ভাবেই দেখি বৃষ্টি ছাড়াই ওপাশের লাইনে অদৃশ্য তুমি
আমার ব্যালেন্স হারা নড়বড়ে শরীর তবুও হাতড়ে ফেরে
আমার নির্ভরতা, আমার একান্ত অস্তিত্ব, আমার তোমায় ।
আমার গাড়ি, বাড়ি, মাল্টিন্যাশনাল স্বামী , সবই জান তুমি
শুধু জানো না, তোমার চন্দ্রাবতী এখনও সাইকেলেই চড়ে,
নুপুরের শব্দে তোমার হৃদপিণ্ডের শব্দ শোনে,
ফেলে আসা সেই রেল লাইন ধরেই হাঁটে, তোমাকে খোঁজে,
তুমি জানো না ,
তোমার চন্দ্রাবতী এখনও কাঁদে ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।