আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সাধারণ প্লেট বিক্রি হলো নয় কোটি টাকায় !


দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝে না। এই প্রবাদটা সত্যি হলো কানাডার এক নিলাম অনুষ্ঠানে। নিলাম কারী প্রতিষ্ঠান জেফরি ফাইন আর্ট এণ্ড এসটেট ভেবেছিলো একটি সাধারণ চীনা প্লেট বড় জোড় হাজার ডলারে বিক্রি হবে। প্লেটটি কম মূল্যে দেখানোর কারণ, এটি কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির প্লেট ছিলো না। এর বয়স পুরানো এই যা।

কিন্তু বিক্রি হলো শেষ মেষ ১.২ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারে। বাংলাদেশি টাকায় (৯ কোটি টাকা)। যা নিলামকারিদের কল্পনার বাইরে। জেফরি ওয়াকার নিলাম কমিটির প্রেসিডেন্ট। তিনি সিরামিক ও মৃৎশিল্প বিশেষজ্ঞ নন।

প্লেটটি সম্পর্কে ধারণা পেতে তিনি একজন বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হোন । তিনি জানতে পারেন এটি ৩০০-৫০০ বছর পুরানো চীনের মিং ডাইনিস্টির প্লেট। প্লেটটিতে তিন বড় নখর বিশিষ্ট ড্রাগনের ছবি ছিলো। এটি বিরল নমুনা। তিনি ভেবেছিলেন এর সর্বোচ্চ দাম হতে পারে ১০ থেকে ১৫ হাজার ডলার।

কিন্তু না। তেমনটি হলো না। প্লেটের ওপর অনেকের আগ্রহ জন্মে। চূড়ান্ত দর ওঠে ১.২ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার। ( ১২ লক্ষ কানাডিয়ান ডলার) ।

যিনি কিনেছেন তার নাম পরিচয় জাতীয়তা গোপন রাখা হয়েছে। তিনি একজন প্রতিনিধি পাঠিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, প্লেটটি কানাডার একজন সাবেক সংসদ সদস্য জন এলিসের স্ত্রী মিসেস ওয়াল্টারড এলিসের কাছে থেকে দান সূত্রে পায় টরেন্টোর জর্জ আর গার্ডিনার সিরামিক জাদুঘর। ২০১৩ জুনে ওই মহিলা মারা যান। ধারণা করা হয় এটি তিনি পেয়েছিলেন তার অস্ট্রিয়ান দাদা-দাদীর কাছ থেকে।

কানাডার জাতীয় সিরামিক জাদুঘর এটি নিলামকার প্রতিষ্ঠানকে দেয়। উদ্দেশ্য নিলাম থেকে পাওয়া অর্থ কানাডার মৃৎ ও সিরামিক শিল্পে বিনিয়োগ।
 

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.