২৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পঞ্চম বার্ষিকী। দিনটিতে শাহাদাত বার্ষিকী পালনসহ বিজিবির সদর দপ্তর এবং সকল সেক্টর ও রিজিয়ন সেক্টরে বিভ্ন্নি কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দিনের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শহীদ ব্যক্তিদের রুহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে পিলখানাসহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর সকল রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় মঙ্গলবার বাদ ফজর খতমে কোরআন এবং বিজিবির সকল মসজিদ এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় সকাল নয়টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধানগণ (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ।
এছাড়া বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় পিলখানাস্থ বীর উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে শহীদ ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিজিবি মহাপরিচালক, শহীদ ব্যক্তিদের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সকল অফিসার, জেসিও, অন্যান্য পদবীর সৈনিক এবং বেসামরিক কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিজিবি (তৎকালীন বিডিআর) সদর দপ্তর পিলখানায় বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল। এ ঘটনায় তৎকালীন বিডিআর প্রধান মেজর জেনারেল শাকিল আহম্মেদ সহ ১৫৭ সেনা কর্মকর্তা নৃংশসভাবে খুন হন। বিডিআর প্রধানের স্ত্রীও সেদিন নিহত হন।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।