আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

চলুন প্রতিদিন উইকিপিডিয়াতে এক লাইন লিখি

অলসদের দিয়ে কী আর হয়। আলসেমি ছাড়া!

আমরা প্রায় সবাই প্রচুর লেখালেখি করি। শুধু যে সামাজিক যোগাযোগের সাইটে লিখি তা নয়। নানান জায়গাতেই লিখি। আমাদের যাদের ইন্টারনেট আছে তাদের তো লেখার জায়গা অনেক।

মনে আছে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছিলাম তখন একটা লেখা যেন ছাপানো হয় সেজন্য কত পাতা-সম্পাদকের পেছরে ঘুরেছি। পরে নিজে যখন পাতা-সম্পাদক হয়েছি তখনতো ইচ্ছে করলেই লেখা ছাপাতে পারতাম। এই প্রজন্মের তো কোন সমস্যা নাই। ইচ্ছে হলেই ব্লগ বা ফেসবুক অথবা নিজের একটা সাইট।
বাংলা আমাদের প্রাণের ভাষা এবং এই দেশের ৯৬.৫% মানুষ কিন্তু অন্য কোন ভাষা জানে না।

বাকী ৩.৫% এর তাই একটা অবধারিত কর্তব্য হয়ে দাড়ায় ভিন্নভাষায় সৃষ্ট পৃথিবীর তাবৎ জ্ঞানকে বাংলাভাষাতে একজায়গায় জড়ো করার চেষ্টাতে যোগ দেওয়া।
জি, আমি ইন্টারনেটে বাংলাভাষার সবচেয়ে বড় মুক্ত বিশ্বকোষ ইউকিপিডিয়ার কথা বলছি। বলাচলে কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক মিরে আজ থেকে ১০ বছর আগে যে চারাগাছ লাগিয়েছে সেটি এখন অনেকটা বেড়েছে, অনন্ত মরবে না। কিন্তু ওর আরো রসদ দরকার, দরকার প্রচুর ইনপুট। অনেক উইকিপিডিয়ান কাজ করেন প্রাণের তাগিদে।

তবে, তারা অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।
আজ প্রথম আলোতে আমার একটি লেখা ছাপা হয়েছে যেখানে এই আ্হবান জানিয়েছি যে, আমাদের সদিচ্ছাতেই আমরা একটা বিনামূল্যের মুক্ত জ্ঞাভান্ডার গড়ে তুলি, যারা কাজ করছে তাদের সঙ্গে যুক্ত হই।

শুধু ফেসবুকের হিসাব থেকেই বলা যায় প্রায় ১০ লক্ষ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত বাংলা ব্যবহার করেন। তাদের মাত্র শূণ্য দশমিক এক শতাংশও যদি প্রতিদিন একলাইন করে উইকিপিডিয়াতে তথ্য যোগ করে তাহলে অতি দ্রুত আমরা বাংলাভাষার সবচেয়ে সমৃদ্ধ বিশ্বকোষটি পেয়ে যাবো।

সবার জীবন পাই-এর মতো সুন্দর হোক।



অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.