আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সময়ের ৫ স্মার্টফোন

আমি একজন ছাত্র এবং দেশের একজন সচেতন নাগরিক.। । দেশের ও দশের মঙ্গল ই আমার কাম্য হাতের যন্ত্রটি দেখে বিস্ময় জাগে—এটি মোবাইল ফোন, না কম্পিউটার? এটি হচ্ছে স্মার্টফোন। মাতিয়ে দিয়েছেপ্রযুক্তিবাজার। সারা বিশ্বেই প্রযুক্তিপ্রেমী স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নতুন নতুন সুবিধার এসব ফোনের জন্য মুখিয়ে থাকেন।

স্যামসাং গ্যালাক্সি নেক্সাস স্যামসাংয়ের নানা ফোনের মধ্যে সেরা পাঁচের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নেক্সাস ফোনটি। অ্যান্ড্রয়েড ৪.০ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ অপারেটিং সিস্টেম চালিত এ ফোনে রয়েছে দারুণ পর্দা। এর ভেতরের কার্যক্ষমতা বেশ শক্তিশালী। চতুর্থ প্রজন্মের সুবিধার এ স্মার্টফোনে রয়েছে আলাদা মেমোরি কার্ড যোগ করার বিশেষস্লট। তবে এটি গুগলের ওয়ালেটসুবিধা সমর্থন করে না।

৪.৭৬ আউন্স ওজনের ফোনটির ভেতরেই রয়েছে৩২ গিগবাইট তথ্য ধারণের সুবিধা। এর ব্যাটারিও চলে দীর্ঘ সময় ধরে। স্মার্টফোনটির মাপ হলো ৫.৩৩ x ২.৬৭ ইঞ্চি। আকর্ষণীয় ডিজাইনের গ্যালাক্সি নেক্সাসের ৪.৬৫ ইঞ্চি পর্দায় রয়েছে সুপার এএমওএলইডি রেজ্যুলেশন ও হাই ডেফিনেশন-সুবিধা। যার ফলে ছবি, গ্র্যাফিক্স কিংবা মেন্যুর আইকনগুলো দারুণ দেখায়।

রয়েছে ফোনের পর্দা ইচ্ছেমতো সাজানোর সুবিধা। পাঁচটি পর্দায় গুগল সার্চ বার, মেনু আইকন, বিভিন্ন উইজেট ইত্যাদি রাখা যায়। ই-মেইল কিংবা এসএমএস লেখার ক্ষেত্রে রয়েছে ভার্চুয়াল কি-বোর্ড, যা দিয়ে ফোন ৯০ ডিগ্রি ঘুরিয়েও লেখা যাবে দ্রুত। আর ই-মেইল অ্যাপস ব্যবহার করে যুক্ত করা যাবে অডিও, ভিডিও, ছবিসহ প্রয়োজনীয় ফাইল। স্যামসাংয়ের অন্যান্য নেক্সাস ফোনে অ্যান্ড্রয়েড পূর্ণাঙ্গভাবে বিস্তৃত না থাকলেও গ্যালাক্সি নেক্সাসে রয়েছে এর পূর্ণাঙ্গ সুবিধা।

প্রোগ্রামারদের জন্য এতে যুক্ত করা হয়েচে ডেভলপারস অপশনস, যা মূল মেন্যুর সঙ্গে যুক্ত। এর মাধ্যমে সিপিইউ ব্যবহার, ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস নিয়ন্ত্রণ, টাচস্ক্রিনের ভিজ্যুয়াল ফিডব্যাক ইত্যাদি করার সুযোগ অনেক বেশি। সব মিলিয়ে নিজের মতো করে সাজিয়ে নেওয়ার দারুণ সব বৈশিষ্ট রয়েছে এ স্মার্টফোনে। নকিয়া লুমিয়া ৯০০ মোবাইল ফোনের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নানা ধরনের ফোন বাজারে এনে নিজেদের পরিচিতি বেশ ভালোভাবেই তুলে ধরেছে নকিয়া। বিশ্বের অন্যতম এই মুঠোফানসেট নির্মাতাদের স্মার্টফোন নকিয়া লুমিয়া ৯০০ বাজারে এসেই স্মার্টফোনপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেবে—এমনই প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠানটির।

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম মোবাইল ৭.৫ ম্যাঙ্গো চালিত এ স্মার্টফোনে রয়েছে ১.৪ গিগাহার্টস কোয়ালকম প্রসেসর, ৫১২ মেগাবাইট র‌্যাম ও ১৬ গিগাবাইট জায়গা। এর ৪.৩ ইঞ্চি এএমওএলইডি পর্দায় রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যা পর্দার গ্লাসকে বিশেষ নিরাপত্তা দেয়। স্মার্টফোনে আরও আছে ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ও ৭২০ পিক্সেল ভিডিও ক্যাপচার-সুবিধা। সামনের দিকেও রয়েছে ১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। চতুর্থ প্রজন্মের সুবিধাযুক্ত ফোনে আরও আছে দুটি মাইক্রোফোন, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৯।

এতে চার্জ থাকবে দীর্ঘক্ষণ। সব মিলিয়ে নকিয়াপ্রেমীদের পছন্দের নানা বৈশিষ্ট্য থাকায় স্মার্টফোনটি বেশ সাড়া জাগাবে। আগামী ৮ এপ্রিল এ স্মার্টফোন আন্তর্জাতিক বাজারে আসবে। আইফোন ফোর এস স্মার্টফোনের জগতে আলোড়ন সৃষ্টিকারী অ্যাপলের টাচস্ক্রিন ফোন আইফোন ফোর এস বাজারে এসেই জায়গা করে নিয়েছে শীর্ষতালিকায়। অ্যাপলের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৫, দ্রুতগতির প্রসেসর ও উন্নত ক্যামেরার ফোনটিতে রয়েছে বড় পর্দা।

অন্যান্য যেকোনো ফোনের চেয়ে এর পর্দা (ডিসপ্লে) অসাধারণ ও শক্তিশালী। চতুর্থ প্রজন্মের সুবিধার এ ফোনকে স্মার্টফোনের রাজা নয়, বলা হয় রাজ পরিবারের পরিবারের সদস্য! প্রথমবারের মতো চার বছর আগে যখন বাজারে আসে আইফোন, সেই থেকে প্রতিটি নতুন সংস্করণেই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সুবিধা। ৬৪ গিগাবাইটের মেমোরির আইফোন ফোর এসে রয়েছে ডুয়েল কোর প্রসেসর, ব্যক্তিগত সহকারীর সুবিধা প্রদানকারী সাড়া জাগানো ‘সিরি’। দারুণ এ সফটওয়্যার ব্যক্তিগত সহকারী, রোবট বন্ধুর মতোই কাজ করবে। আগের সুবিধার মতোই এতে থাকছে ক্যালেন্ডার, ভয়েস মেমো, আবহাওয়া ও স্টকের নির্দিষ্ট অ্যাপস, গুগল ম্যাপস ইত্যাদি।

ই-মেইল আর মেসেজিংয়ের জন্য আছে উন্নত অ্যাপস। ব্লু টুথ ৪.০ সুবিধা এ স্মার্টফোনে আরও আছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। তৃতীয় পক্ষের বানানো অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে আরও উন্নত অটোফোকাস, ফ্ল্যাশ, ব্যাকসাইড সিএমওএস সেন্সর যুক্ত, যাতে প্রায় ৭৩ শতাংশ বেশি আলো দিয়ে দারুণ ছবি তোলা সম্ভব। স্ক্রিন লক থাকা অবস্থায়ও মূল পর্দায় থাকা ক্যামেরার শর্টকার্ট-কি থেকে দ্রুত ছবি তোলা যাবে। ছবি তোলার পাশাপাশি করা যাবে এক হাজার ৮০ পিক্সেল ভিডিও ক্লিপস, যা প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেমস ভিডিও করতে সক্ষম।

সব মিলিয়ে স্মার্টফোন জগতে চমক সৃষ্টিকারী আইফোনে নতুন এ সংস্করণও স্মার্টফোনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষেই থাকছে। মটোরোলা ড্রয়েড রেজর ম্যাক্স স্মার্টফোনের জগতে পাতলা, দেখতে দারুণ ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন হচ্ছে মটোরোলা ড্রয়েড রেজর ম্যাক্স। ১.২ গিগাহার্টসের ডুয়েল কোর প্রসেসর, চতুর্থ প্রজন্মের সুবিধা, শক্তিশালী মাল্টিমিডিয়া নিরাপত্তাসুবিধার এ ফোনে রয়েছে বর্তমান সময়ের সেরা মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড। গুগলের তৈরি মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৪.০ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ সংস্করণ রয়েছে এ ফোনে। অন্যতম বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এ ফোনে রয়েছে শক্তিশালী ব্যাটারি, যার চার্জ থাকে অনেক সময় ধরে, স্মার্টফোনপ্রেমীদের জন্য যা খুবই প্রয়োজনীয়।

মটোরোলার তৈরি আগের যেকোনো ফোনের চেয়ে উন্নত সুবিধার এ স্মার্টফোন লম্বায় ৫.১৪ ইঞ্চি এবং পাশে ২.৭৫ ইঞ্চি। মাত্র ৫.১ আউন্স ওজনের ফোনটির দারুণ পর্দাটি বেশ ব্যবহারোপযোগী। পাঁচটি পর্দায় রয়েছে ফোন করার ডায়ালার, মেসেজিং, ক্যামেরা আর মেইন মেন্যুর শর্টকার্ট। রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। এ ছাড়া লক স্ক্রিনে ডিজিটাল ঘড়ি, তারিখ আর ব্যাটারির সর্বশেষ ইনফো দেখার সুবিধাও রয়েছে।

সোজা রেখে কিংবা বাঁকা করেও লেখার সুবিধা রয়েছে। সব মিলিয়ে যাঁরা স্মার্টফোনের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহারসুবিধা পেতে চান, তাঁদের জন্য মটোরোলা ড্রয়েড রেজর ম্যাক্স বেশ মানানসই। এইচটিসি রিজোন্ড সেরা পাঁচের তালিকায় সর্বশেষ জায়গা করে নিয়েছে এইচটিসি রিজোন্ড স্মার্টফোনটি। দেখতে দারুণ ও আকর্ষণীয় ৪.৩ ইঞ্চির ৭২০ পিক্সেল হাই ডেফিনেশন পর্দার এ ফোনসেট দেখতে সুন্দর হওয়ায় অনেক স্মার্টফোনপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। ১.৫ গিগাহার্টসের ডুয়েল কোর প্রসেসরের এ ফোনে আরও আছে ডুয়েল এলইডি ফ্ল্যাশ-সুবিধার ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, সামনের দিকে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা।

গান শোনার দারুণ সুবিধার জন্য এতে আছে বিশেষ মিউজিক অ্যাপস। ৭২০ পিক্সেলের হাই ডেফিনেশন পর্দার সঙ্গে আকর্ষণীয় ৩.৫ ইঞ্চির ইউজার ইন্টারফেস-সুবিধার রিজোন্ডে স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৪ জিনজারব্রেড অপারেটিং সিস্টেমে চালিত। তবে আগামী বছরের শুরুতেই সংস্করণটি হালনাগাদ করে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ সংস্করণ আইসক্রিম সেন্ডউইচ করা যাবে। ৫.০৮ x ২.৫৮ ইঞ্চির এ ফোনের পুরুত্ব দশমিক ৫৪ ইঞ্চি। মাত্র ৫.৭৮ আউন্ড ওজনের ফোনটিতে থাকা গান শোনার বিশেষ অ্যাপসটির সাহায্যে গান শোনার মাত্রায় যোগ করবে নতুন বৈশিষ্ট্য।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।