আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে যাব না

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ আলম লেনিন বলেছেন, বিএনপিকে ছাড়া আমরা নির্বাচনে যাব না। আমরা চাই নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হোক। আর সংবিধানের আওতায়ই নির্বাচন হোক। নির্বাচনের জন্য একটা স্থায়ী পদ্ধতি বের করতে হবে। নির্বাচনকে ঘিরে রক্তপাত আর সংঘাত আমরা চাই না।

গত বৃহস্পতিবার বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল সময়-এর সম্পাদকীয় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জোবায়ের আহমেদের উপস্থাপনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম।

নূহ আলম লেনিন বলেন, আমার ধারণা আগামী নির্বাচনে বিএনপিই ক্ষমতায় আসবে। চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে বিএনপি আন্দোলন করছে। আওয়ামী লীগের অধীনে নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়।

আওয়ামী লীগ পরাজয়ের চিন্তা করেও নির্দলীয় নিরপেক্ষ নির্বাচনের ঝুঁকি নিয়েছে। দেশের সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সেই বিষয়টি পরিষ্কার করে। আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছে।

তিনি বলেন, যে সরকারের রূপরেখাই বলা হোক না কেন সংবিধানের অধীনেই নির্বাচন হবে। সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।

নির্বাচনের জন্য যদি নির্ধারিত একটি ব্যবস্থা চালু করা না যায়, মানুষের মতের প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে বারবার সংঘাত হবে। আমি চাই নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা। যেখানে সাংবিধানিক ব্যবস্থা থাকবে। গণতন্ত্র থাকবে। সেজন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে ধারায় নির্বাচন হয় সেই ধারায় আমরা নির্বাচনের যাত্রা শুরু করতে চাই সংবিধানের আলোকে।

নূহ আলম লেনিন আরও বলেন, কোনো তৃতীয় শক্তি এলে গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমাদের গণতন্ত্র এখনো শেখার পর্যায়ে। প্রতিটি নির্বাচনের আগে রক্তপাত হয়। নানা ধরনের আন্দোলনের মুখে এক বছর নষ্ট হয়ে যায়।

প্রাণহানি ঘটে।

তিনি আরও বলেন, যখনই সংলাপের কথা বলেছি তখনই বিএনপি থেকে বলা হয়েছে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার মেনে নেওয়ার পরেই সংলাপ হবে। সেই দিন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ না কি নির্বাচন করলে জামানত হারাবে। তাহলে আমাদের তো নির্বাচনে যাওয়ারই দরকার নাই।

এ ধরনের অতিশয়োক্তি আমাদের রাজনীতির বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরপরও মানুষ সংঘাত চায় না।

লেনিন বলেন, গত ২ মে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংসদের ভেতরে বসে যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আলোচনার আহ্বান জানানোর পরের দিনই বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া বললেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে না নিলে আপনারা পালাবার পথ পাবেন না। এর পর শুরু হলো দেশব্যাপী জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন।

মারামারি কাটাকাটি। জনগণ এই ধরনের সংঘাত সমর্থন করে না।

 

 

সোর্স: http://www.bd-pratidin.com/

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.