আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের আমাদের জাতীয় সংগীত, মানষিক যন্ত্রণায় আর অর্ন্তজ্বালায় বি,এন,পি জামাত।


গত ২৬ শে মার্চ ২০১৪ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহয়তায় আযোজন করা হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক বেশী মানুষের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে এক সাথে একই তালে একই সুরে কন্ঠ মিলিয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়ার আয়োজন, লক্ষ ছিল গিনেস বুক অপ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানো।

আমাদের এই জাতীয় সংগীত গাওয়া মিশনে অংশ নেন দুই লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৭ যা ছিল শুধু মাত্র মেশিন গণনার হিসাবে। আর বাইরেও প্রচুর সংখ্যাক মানুষ জাতীয় সংগীত গাওয়া অনুষ্টানে অংশ নেন। যার মোট হিসাব করলে ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে যাবে।

এত বড় বিশাল এক আয়োজন করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে নানা রকম হিমশিম খেতে হয়েছে।

প্রথমত এক সাথে ৩ লক্ষের বেশী মানুষ এক সাথে একই স্থানে জড়ো হওয়া ছিল মারাত্বক এক কঠিন ব্যাপার, তাও আবার সবাইকে সাড়ি বন্ধ হয়ে সুশৃঙ্কল ভাবে নিয়ম নীতি অনুসারে জাতীয় সংগীত গাইতে হবে। যদি কোন অনিয়ম বিশৃঙ্কলা বা সুর তার ঠিক না থাকে সেই ক্ষেত্রে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিবেনা।

পুরো ব্যপাটির ছিল মারাত্বক কঠিন, কষ্টকর ও দুঃসাধ্য ও ব্যাববহুল ।

এত বড় বিশাল আয়োজন করতে গিয়ে নানা রকম কিছু অনিয়ম আর বিশৃঙ্কলার সৃষ্টি হয়।
পত্র পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি -- যেমন -----
১)জাতীয় পতাকা যত্র তত্রে ছাড়িযে ছিটিয়ে পড়ে থাকা,
২) জাতীয় পতাকা মানুষের পায়ে তলায় পিষ্ট হওয়া।


৩) জাতীয় সংগীত গাওয়া অনুষ্টানে অংশ নিয়ে যাওয়া মানুষের পযাপ্ত গাড়ীর ব্যাবস্থা না থাকা।
৪) জাতীয় সংগীত গাওয়ার পর গাড়ীর অভাবে পা হেটে গন্তব্যে যেতে হয়েছে অনেক কে।

আমার মনে হয় একই রকম একটি বিশাল বৃহত্তম মানুষের জমাযেতর আযোজন করতে গিয়ে এই রকম সাধারণ অনিয়ম আর বিশৃঙ্কলার সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক।

তবে মজার বিষয় ছিল -- সবাই এত কষ্টের পরও জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া অনুষ্টানে অংশ নিতে পারায় দারুণ খুশি। অনেক কে দেখেছি গর্ববোধ করতে।




কিন্তু দুঃখে বিষয় কিছু লোক দেখেছি সেই ২৬ শে মার্চ জাতীয় সংগীত গাওয়া অনুষ্টানের পর হতেই নানা রকম অপপ্রচার আর বিভ্রান্তকর খবর ছড়ানোর চেষ্টা করে আসতেছে। সেফবুকে বিভিন্ন ব্লগে জাতীয় পতাকা মানুষের পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়ার ছবি বার বার আপলোড করে ব্যাঙ্গত্বক মন্তব্য করে আসতেছে।

২৬ মার্চ জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া পর পর গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ আমাদের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া অনুষ্টানকে অনুমোদন দেন নি, কিছু দিন সময় নিয়েছিল , পরীক্ষ নিরীক্ষ গবেষণার পর অনুমদোন দিতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় নিয়েছিল,
বি,এন,পি জামাত প্রথমে হয়তো ভেবেছিল গিনেস বুক অব ওর্য়াল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ আমাদের জাতীয় সংগীত গাওয়া অনুষ্টানকে স্কৃতি দিবে না। এই খুশিতে অত্নহারা ছিল বি,এন,পি জামাত।

কিন্তু বি,এন,পি জামাতের শত অপপ্রচার, কটুউক্তি, বহু বাধা, কষ্টের পর গিনেস বুক আব ওর্য়াল্ড রের্কডসের স্কৃতি পেল আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া অনুষ্টানটি।

যা ছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যাংক বেশী মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একই সাথে, একই তালে কন্ঠ মিলিয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া অনুষ্টান।
জাতীয় সংগীত গাওয়ায় রেকর্ড



 ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.