আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

ভূতের অস্তিত্ব।

প্রদীপ হালদার,জাতিস্মর। মানুষের মৃত্যু হলে শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এটা সত্য ঘটনা। এর ফলে কেমিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট থেকে মানুষটি কেমিক্যাল ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে চলে যায়। মৃত্যুর পর মানুষটি আর কাজ করতে পারে না ।

সত্য। এবার প্রশ্ন মানুষের থার্মাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট এবং মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট কোথায় গেলো? বিজ্ঞান বলছে যে, টেম্পেরেচার কনষ্টান্ট অবস্থায় থাকলে মেকানিক্যাল এনার্জি এবং থার্মাল এনার্জি কে আলাদা করা যায় না। মানুষের মৃত্যুর পর এনার্জি কোথায় গেলো? শরীরের কনষ্টান্ট টেম্পেরেচার কোথায় গেলো? আমি মনে করি ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটকে নন ইকুলিব্রিয়াম ষ্টেটে নিয়ে যাওয়া যায় না। যদি সম্ভব হতো তাহলে মৃত মানুষকে দিয়ে কাজ করানো যেতো। বাস্তবে সম্ভব নয়।

বরং নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট থেকে নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে যাওয়া যায়। সেজন্য জীবিত মানুষই ( নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট ) সন্তান সন্ততির ( নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট ) সৃষ্টি করতে পারে। তাহলে এখানে প্রশ্ন মৃত মানুষ থেকে কিভাবে ভূতের সৃষ্টি হবে? মৃত মানুষ থেকে ভূত সৃষ্টি হতে পারে না। সত্য কথা। তাহলে কিভাবে ভূতের সৃষ্টি? তার উত্তর দিচ্ছি।

বিজ্ঞান বলছে নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট, যদি ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট অবস্থায় চলে আসে, তবে এই ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটকে আর রেগুলেট করা যায় না। তাই নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট থেকে নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে যাওয়া যায়। বিজ্ঞানের এই সত্য কথাকে আমি স্বীকার করছি। মানুষের মৃত্যু মানেই মানুষটি নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট থেকে ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে চলে গেলো। তাহলে ভূত এলো কোথা থেকে? এই প্রশ্ন মানুষের।

আমরা জেনেছি মানুষের শরীর তিন রকমের নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট অবস্থায় থাকে। এই তিন রকমের অবস্থা হলো- (১) কেমিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট। (২) থার্মাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট। (৩) মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট। মানুষ মৃত্যুর সাথে সাথে কেমিক্যাল ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট অবস্থায় চলে যায়।

ফলে ভর(Mass)-এর ট্রান্সফার বন্ধ হয়। কিন্তু আমরা জেনেছি টেম্পেরেচার কনষ্টান্ট থাকলে থার্মাল এনার্জি এবং মেকানিক্যাল এনার্জি আলাদা করা যায় না। সেজন্য মানুষের মৃত্যুর সাথে সাথে মানুষের শরীরের থার্মাল নন ইকুইলিব্রিয়াম সিস্টেম এবং মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম সিস্টেম একসাথে বের হয়ে বাতাসের মধ্যে মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম সিস্টেম তৈরী করে। এটাই ভূত। ভূত নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেট অবস্থায় থাকে বলে কাজ করতে পারে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।