আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

প্রভূ দিবস পালন কর

যারা অন্যের সাথে প্রতারণা করে তারা প্রথমে নীজের সাথে প্রতারণা করে,কিন্তু নির্বোধ বলে তারা তা বুঝে না। আর প্রতরণার মধ্য দিয়ে প্রতারক মানুষরুপী শয়তান ও প্রেতে পরিনত হয়। কিন্তু অজ্ঞনতার ধরুন বিবেক তাদের ধ্বংশন করে না। ফলস্বরুপ,তারা পাপাচারে সুখ ভোগ করে। যা কিছু তোমার দৃষ্টি গোচর হয়।

আর, যা কিছু তোমার অদৃষ্টি গোচর হয়। তার সবকিছু স্রষ্টার সততা প্রকাশ করে। আর, তোমি তার বিশ্বাস কর,কিংবা, তোমি তার অবিশ্বাস কর,তা তোমার পরিবেশ,ও তোমার মনের ইচ্ছার উপর নিভর্রশীল। তোমরা রুবর্ট সৃষ্টি করছ,বল, মানুষ সৃষ্টি করবে,আর,ওসব সৃষ্টি করতে যা প্রয়োজন তা তোমরা পৃথিবী থেকে সংগ্রহ কর। আর, পৃথিবী হচ্ছে স্রষ্টার জ্ঞ্যানগর্ভ।

আর, তোমরা কিরুপে সেই স্রষ্টাকে অশ্বিকার কর? তোমাদের জ্ঞ্যানের অহংকারে? তোমাদের সৃষ্টির অহংকারে? তোমাদের হাতে কলম তাই? তোমাদের মন,জ্ঞ্যানের ভান্ডার তাই? তোমাদের আশা,ইচ্ছা তোমাদের পরিচালিত করে তাই? তোমরা প্রকৃতির শক্তিতে বাঁচিয়া থাক তাই? ভাববার বিষয়,ওসবের পিছনে কি সৃষ্টিকর্তা কেউ নাই,তুমি ভাবছ?। তোমার চিন্তা কি সৃষ্টিকর্তা শ্বিকার করে না?\ তোমার জ্ঞ্যানের কাছে কি পরাজিত হয় সে? তোমার ইচ্ছা কি তাঁকে জানতে চায় না? তোমার মন কি ভাবে, ওসবই প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে চলছে? তোমার মন কি বলে, স্রষ্টার হাতে জন্ম,মৃত্যু নাই? তোমার মন কি বলে, স্রষ্টা বলে কেউ নাই? তোমার মন কি বলে, ধর্ম কিছুই না? তোমার মন কি বলে, ধর্ম মানুষেরই সৃষ্টি? তোমার মন কি বলে, জগতের সব কিছুই মানুষের সৃষ্টি?। আমি প্রসংসা করি তোমার মনের। সুন্দর তোমার মন,মনের প্রশ্ন। তোমার মনের কাছে তোমার প্রশ্নের উত্তর চাও।

তোমি পেয়ে যাবে,কি পেলে উত্তর? যা পেলে তোমার প্রশ্নের উত্তর, তাই,তোমার দর্শন। হে দার্শনীক,ভোলনা মোর এ বাণী, স্রষ্টা ব্যাতীত হয়নি সৃষ্টি ভবের কিছু। স্রষ্টার সৃষ্টি ভবের সব। স্রষ্টার জ্ঞ্যানে জ্ঞ্যনী মোরা। সৃষ্টিরা সব প্রকাশ করে স্রষ্টার।

সব সৃষ্টিই স্রষ্টার অন্তরের ইচ্ছা। ইচ্ছা ব্যাতীত হয়নি কিছু সৃষ্টি স্রষ্টার। তোমার ইচ্ছা তোমার সৃষ্টি। জগত সৃষ্টির ইচ্ছা জগত স্রষ্টার। তবে,মানীতে কি সংশয় তোমার সৃষ্টি,তোমার স্রষ্টার? তোমি মান,বা না মান,তা তোমার মন,ও পরিবেশের উপড় নীভর্রশীল।

তবু, হে জাতী,জ্ঞ্যানী,দার্শনীক পালন কর প্রভূ দিবস। এই দিবসে প্রভূর গুনগান কর। পণ কর কোন জীবকে দুঃখ দিবে না। প্রভূর নামে পশূ বলি,বা জবাই করবে না। সব জীবকে প্রভূ সমান ভালবাসবে।

একজন অপর জনকে ফুল দিয়ে স্বগতম জানাবে। একজন অপর জনকে প্রভূ সম ভালবাসবে। প্রভূ রুপে চুম্বন করবে। প্রভূ রুপে আলিঙ্গন করবে। আর, তোমরা মনে,প্রাণে বিশ্বাস করবে,অনুভব করবে।

সকল জীবের প্রাণের অন্তরে আল্লাহ,ঈশ্বর,ভগমান বিরাজরত। এই দিনটিতে তোমরা নিরামিশ ভোজ্য করবে। নীজে অন্যের মুখে খাবার তুলে দিবে। অন্যে তোমার মুখে খাবার তুলে দিবে। এই দিবসটিতে তোমরা পণ কর।

আর,কভূ মাছ,মাংশ খাবে না। কোন জীবকে দুঃখ দিবে না। সকল জীবকে প্রভূ সমান ভালবাসবে। এই দিনটি তোমরা জীবনের শ্রেষ্ঠ দিবস মানবে। প্রাণের শ্রেষ্ঠ মুক্তি দিবস পালন মানবে।

এই দিবসটিতে তোমরা পণ কর। একজনক অপরজনকে দুঃখ দিবে না। একজন অপরজনের অবাধ্য হবে না। একজন অপরজনের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করবে না। একজন অপরজনের সাথে প্রতারণা করবে না।

কখনো ওয়াদা ভঙ্গ করবে না,ছল করবে না। কোন প্রাণকে দুঃখ দিবে না। সকল প্রাণকে প্রভূ সম ভালবাসবে। এই দিবসটিতে তোমরা সবাই সমান। শ্বামী,স্ত্রী,সন্তান,সন্তদী,ভাই,বোন,শত্রু, মিত্র,প্রেমিক,প্রেমিকা,রাজা,প্রজা।

সবাই একজন অপরজনকে প্রভূ সমান ভালবাসবে। আর মনে,প্রাণে বিশ্বাস করবে,অনুভব করবে। একজন অপরজনের প্রাণে আল্লাহ,ঈশ্বর ভগমান আছেন। এই দিবসটিতে তোমরা পণ কর। কোন জীবকে দুঃখ দিবে না।

কোন জীবের ক্ষতি করবে না। কোন মাদক গ্রহন করবে না। আহারে সংযমী হবে। কোন জীবকে হত্যা করবে না। সব জীবকে প্রভূ সমান ভালবাসবে।

সাধা,সিধা জীবনযাপন করবে। অহংকার করবে না। ধনি-গরীব পার্থক্য করে দেখবে না। দম্ভভরে জীবন-যাপন করবে না। কারোর ইজ্জতের ক্ষতি করবে না।

বিবাহিত কোন নারী,পুরুষের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করবে না। সদা সত্য কথা বলবে। কারোর সাথে প্রতারণা করবে না। কভূ মিথ্যা বলবে না। ধর্মভেদে,জাতীভেদে কাউকে হেয়, বা ঘৃনা করবে না।

সবাইকে প্রভূ সম ভালবাসবে। এই দিবসটিতে তোমরা পণ কর। সদা সতর্ক থাকবে। এমন কি,রাস্তায় এমন সতর্ক হয়ে চলবে, যেন কোন কীট,পতঙ তোমার পায়ের নীচে পরে না মরে। এই দিবসটিতে তোমরা পণ কর।

প্রেমের কৌশলে,বা নীজের প্রতি অন্যকে আকৃষ্ট করে অন্যের ইজ্জত বিয়ের আগে,বা পরে হরণ করবে না। এই দিবসটিতে তোমরা জাতীর উদ্যেশে, জ্ঞ্যানী,মহাজ্ঞ্যানী,দার্শনীকদের বল, তোমরা অহংকার মুক্ত হও। প্রভূ সমান সবাইকে ভালবাস। কোন জীবকে দুঃখ দিও না। স্রষ্টার সৃষ্টি সব সমান।

সবাইকে তিনি ভালবাসেন সমান। কেহ,কিছু নহে তারঁ দৃষ্টিতে অসম। তবে কেন? মানব মোরা সবে ধর্মভেদে,উচু-নীচু করে জাতী, জাতীভেদে করব জাতীকে ঘৃণা, ধনি,গরীব দেখব ছোট-বড় করে। এ যে মোদের পাপ,ইহা খুলিবে মোদের নরকের দ্বার। অনন্তকাল রব মোরা সেই নরকে।

পাব না উদ্ধার কভূ,করবে না উদ্ধার প্রভূ। আর,মোদের অন্ধত্বই মোদের ঐ নরক। এই দিবসটিতে তোমরা জাতীর উদ্যেশে, জ্ঞ্যানী,মহাজ্ঞ্যানী, দার্শণীকদের বল, নীজের গায়ে চিমটি কাটলে কি ব্যাথ্যা পাওনা ?, নিশ্চয় পাও,অনুরুপ ব্যাথা তোমার প্রাণের প্রভূ পায়। বল,তাহলে তোমরা কি করে প্রভূর নামে পশু,বলি,জবাই কর?। ঐ পশু যতটুকু ব্যাথা পান তার প্রাণ হারাতে।

ঠিক তার সম ব্যাথীত হন ঐ পশুর অন্তড়ালে বিরাজরত প্রভূ। পণ কর হে জাতী,জ্ঞ্যানী,দার্শনীক। আর,কভূ কোন প্রাণ দুঃখ দিবে না। আর,কভূ প্রভূর নামে পশু বলি,জবাই করবে না। বল,হে বিশ্ববাসী, দান কর,দান কর।

প্রভূর নামে নীজের জীবন দান কর। প্রভূর কল্যাণে জীবের কল্যাণ কর। প্রভূর সন্তুষ্টিতে জীবের জন্য স্বর্গ সৃষ্টি কর। ইহা অপেক্ষা উত্তম কিছু প্রভূকে দিবার আর জীবনে নাই। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।