ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে তা থৈ তা থৈ থৈ দিমি দিমি দ্রম দ্রম । । ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে । । ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।
। দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে । ।
মুদ্রার এ পিঠঃ ছেলেটা মাদ্রাসা থেকে এস এস সি পাশ করেছে। এইচ এস সি করেছে এক স্বনামধন্য কলেজ থেকে।
সদ্য ভর্তি হয়েছে এক প্রাইভেট ভার্সিটিতে। স্বাভাবিকভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের শিক্ষা সে মাদ্রাসা থেকে পায়নি। কলেজ কিংবা বাসা থেকে যতটুকু পেয়েছে তাও অপ্রতুল। বড় ভাই-বোনেরা স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার চেয়ে যন্ত্রণা বণ্টনে ছিলো বেশি আগ্রহী। কিন্তু সেই চেতনা ধারণে তার বিন্দুমাত্র সমস্যা হয়নি।
জাগরণের শুভলগ্নে সেই লাজুক, অন্তর্মুখি ছেলেটা ঘর পালিয়ে চলে গেছে আন্দোলনের অংশ হতে। না, কোন ফ্রি খাবার বা সম্মানির লোভে কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠার উদ্দেশ্য তার ছিলোনা। মায়ের রক্তচক্ষু আর বাবার কঠোর শাসন উপেক্ষার হেতু শুধুমাত্র লক্ষ প্রাণের দাবিতে তার একাত্মতা, সহমত পোষণ।
ইতিহাস সে নিজে খুঁজে নিয়েছে, ইতিহাসের অংশ হতে। ।
মুদ্রার ও পিঠঃ ছেলেটা মুদ্রার এ পিঠের ছেলেটার সমবয়সী। চলনে-বলনে তার আধুনিকতা ঠিকরে বেরোয়। জেলচর্চিত খাড়া চুলের জেল্লার ন্যায় দৃপ্ত আত্মবিশ্বাস। দেশের অন্যতম সেরা প্রাইভেট ভার্সিটির বান্ধবীর আড্ডায় চেনা মুখ। ম্যাঙ্গো ক্যাফে, আর্মি স্টেডিয়াম কন্সার্ট বা ওয়েস্টিনের ট্রিটে বন্ধুদের অপরিহার্য সঙ্গী।
স্কুল-কলেজ-পরিবার থেকে ইতিহাস শিক্ষার প্রতি কোন কমতি ছিলোনা। কমতি যা ছেলেটার এসব নোংরা রাজনীতির প্রতি আগ্রহ। তাই এই গণজাগরণ তার কাছে অহেতুক নাটক, অনর্থক ঝঞ্ঝাট। বন্ধুদের আড্ডায় বুলেও এ প্রসঙ্গ উঠে এলে চমতকার মুখভঙ্গিতে তার মিহি কণ্ঠের উচ্চারণ "চিল ব্রো"।
ইতিহাস সে দূরে ঠেলেছে, ইতিহাস দ্বারা বিস্মৃত হতে।
। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।