শরীরে শরীর নয়, ঠোঁটে ঠোঁট রাখাও নয়, মূহুর্তের ছোঁয়াও নয়, একটু দেখাতেই লিটার খানেক অগ্নিজলের ঘোর। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় ও সহযোগিতা প্রদান বন্ধের আগে আমরা আমাদের সমস্ত পণ্য শুল্কমুক্ত করার চেষ্টা করতে পারতাম। সব না পারি অন্ততঃ ৪৬ টির চেয়ে তা অনেক বেশী হত।
এখন ট্রানজিটের নামে কার্যত করিডোর আমাদের একমাত্র তুরুপের তাস। এর বদলে শুধু তিস্তা বা ফেনী নদী নয়, ভারত থেকে আসা সবগুলো নদীর পানি বন্টনে আমাদের গ্রহনযোগ্য চুক্তিতে আসতে হবে।
যদি আমরা মমতা-মন্মোহন নাটকের পুনরাবৃত্তি না দেখতে চাই।
পানির চেয়ে মুল্যবান কিছুই নেই ভারতের আমাদেরকে দেয়ার।
চাল উৎপাদন বাড়ানোর ওপর প্রচন্ড চাপ পড়ায় অন্য সকল কৃষিজ খাদ্যদ্রব্যের ফলন আমাদের দেশে প্রতি বছরই কমছে। আনাজপাতি ভারতীয়ই খেতে হয় আমদের সিংহভাগ। এক্ষেত্রে আমাদের অন্যান্য দেশ-বার্মা-থাইল্যান্ড-চীনের সাথে বানিজ্য করতে পারি।
এক ঝুড়িতে সবগুলো ডিম রাখা বোধ হয় ঠিক না।
একবার বোধ করি সে চেষ্টাও করা হয়েছিল।
মন্মোহনের বাংলাদেশ সফর নিয়ে যা কিছুই হল আমার ধারনা এটাই সবকিছুর সার কথা। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।