আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

দেবতার সম্মান



দেবতার সম্মান সাইজে খাট হলে বিড়ম্বনা নেহায়েত কম নয়। আমাদের সমাজে এই খাটোর সমাদর কম। যদি না খাটকে ম্লান করার মত একটি প্রতিভা না থাকে। খাটকে বিভিন্ন ব্যাঙ্গাক্ত নামে আজ্ঞায়িত করা হয়। যেমনঃ- খাট্রু, বাট্রু, বিচ্ছি, বোতল ইত্যাদি ঢেড় উদাহরণ দেওয়া যায়।

এই খাট যদি হয় মেয়ে তাহলে সমস্যা যে আরো প্রকট তার প্রমান মিলে বিয়ের লগ্নে। বিথী মেয়ে হিসেবে বেশ ভাল। সংসারের সব কাজই সে গুছিয়ে করতে পারে। তার মা সংসারের ঘানি তার উপর চাপিয়ে দিয়ে দিন-রাত কেবল শুয়ে বসেই কাটিয়ে দিচ্ছে। পাড়ার সকলে তাদের মেয়েদের কাছে উদাহরণ হিসেবে বিথীকে টানে।

বিথী ঘরের বড় মেয়ে। সেই ছোট বিথী আজ বয়সে অনেক বড় হয়ে গেছে। বাব-মা তার জন্য বরের সন্ধান করছে। পাত্রের নিকট বিথীর অপছন্দনীয় হওয়ার প্রধান কারণ সে সাইজে খাট। তার উপরে তার গায়ের রংটাও একটু কালো।

কোন পাত্র বলে মেয়ে খাট। কোন পাত্র বলে মেয়ে কালো। এ রকম কথা শুনতে শুনতে বিথীর মনে বিয়ে সম্পর্কে একটি বিরুপ ধারনার সৃষ্টি হল। বিয়ের কথাতেই সে ভয়ে থাকে। মাথা ঝিমঝিম করে।

চিন্তিত হয়ে পড়ে, পাত্র তাকে বুঝি অপছন্দ করবে। বিথি আঠার বছরের যুবতী। তার মনে কোন অহংকারের বহ্নিপ্রকাশ নাই। নিজেকে সর্বকাজে সতর্ক রাখা বিথীর চরিত্রের অনন্য বৈশিষ্ট্য। নিজে দেখতে সুন্দর নয় বলে কখনও মন খারাপ করে না।

তার যেটুকু রুপ তাকে ঘষামাজা করে আরো সুন্দর করার কোন বাড়তি প্রয়াসও নাই। সে বড়দের সাথে মিশতে পারে, ছোটদের সাথেও মিশতে পারে। এত গুন থাকতেও যে পাত্র তাকে পছন্দ করে না সে আসলে গুণের পূজারী না, রুপের পূজারী। বিথি মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখা-পড়া করেছে। তার মতে - “যে পুরুষ রুপের পূজারী, সে পুরুষকে গুণ দিয়ে ধরে রাখা যায় না এবং রুপ না থাকলে সে পুরুষকে হারানোর ভয়ই বেশী।

” পাড়া-প্রতিবেশী বিথীর গুণের কথা ভুলে তার যে এখনও বিয়ে হচ্ছে না এটাই বেশী করে প্রাধান্য দিচ্ছে। আর বিথীকে বিয়ে দিতে না পারা এটাই বিথীদের সংসারে এখন প্রধান সমস্যা। অরুপ বিথীদের এলাকার ছেলে। ছোটকাল থেকে অরুপের সাথে বিথীর চেনা-জানা, একসাথে লেখা-পড়া, খেলা-ধূলা। একদিনের কথা তার স্পষ্ট মনে আছে, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে বিলের ধারের নিচু রাস্তাটায় নালার মত ছিল।

বর্ষার দিনে সেখানে ছিপছিপে পানিতে ভরা থাকত। দু’জনে এক সাথে দৌড়াতে- দৌড়াতে হাসতে-হাসতে নালার নিকটে এসে বিথী র্অুপের কাছে তার বইয়ের ব্যাগটা চাপিয়ে দিল। নালায় হাটু পরিমান পানি। অরুপ শান্ত প্রকৃতির ছেলে। সে বিথীর ব্যাগ এবং নিজের বই মাথায় করে পাড় করতে গিয়ে পিছলে পানিতে পড়ে যায়।

বিথী আগেই নালাটা পাড় হয়ে রাস্তার ওপাড়ে দাড়িয়ে তার ব্যাগের জন্য অপেক্ষা করছে। অরুপের বই পানিতে পড়ে সবই ভিজে যায়, ব্যাগের কারণে বিথীর বই তেমন ভিজে নাই। অরুপকে পানিতে পড়তে দেখে বিথী পানিতে নেমে তার ব্যাগটাই কেবল উদ্ধার করল। অরুপকে কোন প্রকার সহায়তা করল না। হাটু পরিমান জল থেকে ভিজে উঠে অরুপ স্কুলে যাওয়া আর শ্রেয় বোধ করল না।

বাড়িতে চলে আসলো। বইগুলো রোধে শুকাতে দিল। বিথী স্কুলে গিয়ে ভিজা ব্যাগসহ ক্লাসরুমে বসল। স্যারে জিজ্ঞাসা করলে- অরুপ তার ব্যাগ ভিজিয়ে দিয়েছে এ কথা নালিশের সুরে বলল। সেদিনকার মত বিথী ক্লাসে পড়া দেওয়া থেকে রেহাই পেল।

পরদিন অরুপ স্কুলে আসলে বিথীর বই ভেজানোর অপরাধে তাকে শাস্তি পেতে হলো। সেইদিন বিথী এই ব্যাপারটির জন্য কোন প্রকার অনুশোচনা করল না। তবে আজ সেই ঘটনার কথা মনে পড়লে তার একাকীও বেশ লজ্জা লাগে। অরুপ এখন শহরে থাকে। সে বি.এ. ক্লাসের ছাত্র।

অনেক দিন পর পর বাড়িতে আসে বেড়াতে। এ সময় বিথীর সাথে কেমন আছ এই পর্যন্তই কথা হয়। বিথীর মাঝে মধ্যে ইচ্ছা জাগে অরুপের সাথে একটু গল্প করে। কিন্তু কি জানি এক সংকোচবোধ তা হতে দেয় না। অরুপও যেচে তার সাথে কখনও কথা বলে না।

বিথী ভাবে অরুপ শহরে থাকে। কত মানুষের সাথে কত জ্ঞানের কথা বলে। সে কি আমাদের সাথে গল্প করে মজা পাবে ? ছোট কাল থেকেই জানা-শোনা বলেই অরুপের প্রতি এতটুকু আকর্ষণ। ছোট বেলার কথা অরুপের মনে আছে কিনা এনিয়ে বিথীর সন্দেহ। ছোট বেলার সেই ঘটনাবহুল স্মৃতিগুলো মনে পড়নে আজও তার ভাল লাগে।

মনে চায় সেই স্মৃতিগুলো নিয়ে অরুপের সাথে গল্প করে। তাকে সেই স্মৃতিগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। বৈশাখের শুরুতে বৈশাখী মেলা গ্রাম-বাংলার সর্বত্রই বসে। বিথীদের বাড়ির নিকটে একটি বড় মাঠে প্রতিবছরই বৈশাখী মেলা বসে। প্রতিবছরের মত এবারও বসবে।

এবারের মেলায় অরুপ তার বন্ধুদের নিয়ে একটি দোকান দিবে। তাই শহর থেকে অল্প মূল্যের কুটির শিল্প জাতীয় অনেক মালামাল কিনে এনেছে। মেলার শুরুতেই বেশ জমে উঠল। অরুপ দোকানের মাল বিক্রির জন্য এত সুন্দরভাবে লেকচার দিত যাতে কোন ক্রেতাই কিছু না কিনে যেতে পারত না। অরুপের স্টোল ক্রেতাদের প্রসংশা কুড়াল।

বিথী তার বান্ধবীদের সাথে গিয়েছিল অরুপের স্টোলে। সে চুলের একটি ক্লিপ কিনেছিল। ক্লিপটা অরুপই পছন্দ করে দিয়েছিল। “ধর এটা নে, এটাই তোর জন্য ভাল হবে। ” এই বলে চুলের ক্লিপটা তার হাতে দিল।

সেদিন অরুপ তাদের বেশ সমাদর করেছিল এবং বিথীর উপর তার ছোটকালের বন্ধুর অধিকারটা প্রয়োগ করল। তার বেশ ভাল লেগেছিল। অরুপকেও বেশ ভাল লেগেছিল। বিথীকে নিয়ে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন কথা বলে। কেউ বলে বিথী খুব খাট, কেউ বলে বিথী কালো।

এই মেয়ের বিয়ে দিবে কিভাবে ইত্যাদি, ইত্যাদি। তার চোখের সামনে কত মেয়ের বিয়ে হয়ে যাচেছ , বিয়ের বাড়ীতে ধুমধাম অনুষ্ঠান করে মেয়েকে পরের বাড়ী তুলে দিচ্ছে। আর তার বিয়ে হচ্ছে না বলে কত প্রকার কথা শুনতে হচ্ছে। এই সমাজে মেয়েদের জন্য বিয়ে বাধ্যতামূলক। আজ তার মত একটি ছেলে হলে এতটা কথা উঠত না।

তাছাড়া ছেলে হলে এ সমাজে কতটা মুক্ত! ছেলেদের এই অবস্থা দেখে বিথীর হিংসা হয়। অরুপও মনে হয় তাকে সমাজের দৃষ্টিতে দেখে। আজ বিথী যদি কালো না হয়ে ফর্সা হতো, খাট না হয়ে লম্বা হত তাহলে হয়ত অরুপ তাকে কোন প্রকার অবহেলা করতে পারত না। কাল, খাট এগুলো আমাদের সামাজে অপছন্দনীয় হয়ে গেছে। এগুলো কখন যে সমাজে প্রচলিত অপছন্দনীয় হয়ে গেল তার সঠিক ইতিহাস যদিও নাই তবুও একথা বলা যায় যদি লম্বার চেয়ে খাট, সাদার চেয়ে কালো পৃথিবীতে প্রচলিত পছন্দের বিষয় হতো তা হলে বিথীর বেশ সমাদর হত।

এসব কথা চিন্তা করলে দুনিয়াটা কেমন যেন মিছা মিছা লাগে। এই দুনিয়াতে কেন যে এলাম, তার সফল উত্তর পাওয়া যেত না বিধাতাকে বিশ্বাস না করলে। যাকে আমরা প্রতিষ্ঠিত সত্য বলে জেনেছি তাকেই কেবল বিশ্বাস করেছি। কি লাভ এসব চিন্তা করে ? জগত সংসার যে সত্যের উপর চলছে সেদিকে নিজেকে ভাসিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই। এটাই বাস্তবতা।

অরুপও মাঝে মধ্যে বিথীকে নিয়ে চিন্তা করে। বিথী তার ছোট বেলার খেলার সাথী । আজ তারা ছেলে -মেয়ে হওয়ার কারণে বন্ধুত্বের সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। বয়সের কারণে এ রকমটাই হয়। বিথীর বর্তমান কথা চিন্তা করে তারও কষ্ট লাগে কিন্তু বিথীকে নিজের জীবন সাথী করে নিতে মন সায় দেয় না।

শহরের কত সুন্দর মেয়েরা তাকে ভালবাসার কোঠরে আবদ্ধ করতে চায় তাদেরকে সে সুযোগ দিতে চায় না, আর বিথীতো সে তুলনায় কিছুই না। তাছাড়া বিথিকে তার জীবন সাথী হিসেবে বেছে নিতে কখনও মনে কোন প্রকার আবেগের সৃষ্টি হয় না। আর বিথী সম্পর্কে যেটুকু চিন্তা করে তা কেবল যখন বিথীকে দেখে তখনই কিন্তু শহরে যখন থাকে তখন কখনও তার কথা চিন্তায় আসে না। তাছাড়া অরুপের পরিবারের কেউই বিথীকে তার বৌ হিসেবে মেনে নিবে না। আর তারা চিন্তাও করে না অরুপ এ ধরনের কাজ অনায়েসেই করে ফেলতে পারবে।

বি.এ পড়া একটি ছেলে এ রকম একটি মেয়েকে বিয়ে করবে সমাজের লোক যে তাকে অপদার্থ বলবে, তাতে কোন সন্দেহ নাই। তাছাড়া এখন বিয়ে অরুপের জন্য এ বড় বিলাসিতার কাজ। বৌকে খাওয়াতে না পারলে বিয়ে কিসের ? বিয়েতো আর সময় কাটান তাস খেলা নয়। বিথীর জীবনের আরো দু'টো বছর কেটে গেল। অরুপও বি.এ. পাস করে এম.এ. ভর্তি হল।

বিথীর বিয়ে ইহজগতে হবেই না এ রকম কথাই অনেকের মুখ থেকে অহরহ বের হচ্ছে। যদিও দু’ একজন পাত্র পাওয়া যায় তা বিথীর অবলম্বন না হয়ে পাত্রই বিথীর অবলম্বন হবে বুঝা যায়। এ রকম করে আরো দু’বছর কেটে গেল। অরুপও এবার এম.এ সমাপ্ত করল। এম.এ সমাপ্ত করে অরুপ এখন কর্মের সন্ধানে।

একটি ভাল চাকুরীর জন্য অরুপ যে কত দ্বারে দ্বারে ঘুরল তার আর হিসাব নাই। এম.এ পাস করেছে ঠিকই কিন্তু চাকুরী নিতে যে অর্থের প্রয়োজন সেটার কানাকড়িও তার নেই। নিরুপায় হয়ে অল্প বেতনে একটি ম্যাচ ফ্যাক্টরীতে ম্যানেজার হিসেবে কাজ নিল । এতেও কিছু টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তবে এটা তার সাধ্যের মধ্যে ছিল। তার চাকুরীতে কাজ বেশী, ছুটি কম।

প্রথম মাসের বেতন পেয়ে ঘরের সকলের জন্য কিনাকাটা করে। বাড়ীতে এসে পাঁচ কেজি মিষ্টি কিনে। তার চাকুরী সংবাদে সকলেই খুশি। সংসারের কিঞ্চিৎ দ্বায়িত্ব সে যে মাথায় তুলে নিতে পেরেছে এটা তার জন্য বড় সুখের। নিজেরও ভবিষ্যৎ গঠন হবে।

এম.এ. পাস ছেলে, চাকুরী করছে। আস্তে আস্তে অরুপ পৃথিবীতে একজন দ্বায়িত্বশীল সাংসারিক ব্যক্তি হবে তার প্রক্রিয়া চলছে। অরুপের চাকুরীর তিন বছর। এই তিন বছরে সে যে অর্থ কামিয়েছে তাতে বৌ চালানোর সমর্থ হয়েছে। তার মারও ইচ্ছে অরুপকে বিয়ে দিয়ে একটি লক্ষী বউ ঘরে আনে।

দু’একটি মেয়ে দেখাও হয়ে গেছে। বিয়ে সম্পর্কে অরুপের মতামত জানতে চাইলে। সে সম্মতি জানাল। বাবা-মার পছন্দই তার পছন্দ এই বলে বাবা-মার খেদমতই তার ইহকালের একমাত্র লক্ষ্য তার প্রমান দিল। বাবা-মা পছন্দ করে তার জন্য ভাল মেয়েই বেছে নিয়েছে ।

বিয়ের দিনও ঠিক হয়ে গেল। বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্র গেল বিথীদের বাড়িতে । নিমন্ত্রণ পত্র পড়ে বিথীল চোখে জল এসে গেল। এত লোকের বিয়ে হচ্ছে তার কেন বিয়ে হচ্ছে না ? খুব অসহায় লাগল। সেতো আর রাজপুত্রের মত ছেলে আশা করছে না।

যদি পঙ্গুও হয়, বাবা-মা যদি তার কাছে বিয়ে দেয়। সে যদি তার ভরন-পোষন করতে পারে তার আপত্তি নাই। বিথীর বাবা-মা যদিও তার আমৃত্যু ভরন-পোষন স্থির করেছে তবুও চুপিচুপি মোটামুটি ভাল একটি পাত্রের সন্ধানে আছে। বিয়ে ছাড়া জীবনের পূর্ণতা কিসে ? অরুপের বিয়ের ধুমধাম চলছে। বিথীকে বিয়ের আগের দিনই জানান হয়েছে বিয়ের বিভিন্ন কাজের সহায়তা করার।

কাজের ফাঁকে হঠাৎ অরুপের সাথে বিথীর চোঁখাচোঁখিতে অরুপের মনে রেখাপাত করে গেল। অরুপ সেই মুহূর্তে মানুষের অসহায়তার কথা কল্পনা করছে। সে বন্ধুত্বের পরিচয়ের কথা কল্পনা করেছে। সে অন্যের সুখের কথা কল্পনা করেছে। সে নিজেকে বিথীর স্থানে স্থান করে কল্পনা করেছে।

কতটুকু যাতনা তাতে। সে উদার হতে চাচ্ছে। সে ভাবছে দুনিয়াতে বাঁচার সার্থকতা কোথায়। কি নাই বিথীর মধ্যে যার জন্য সে যাচ্ছে অন্য এক মেয়ের সান্নিধ্যে। বিথীকে পেলে সে কি হারাত ইত্যাদি ইত্যাদি।

চিন্তা করতে করতে ঘড়িতে পাঁচটা বাজার আওয়াজ দিল। এখনই যেতে হবে এই ভেবে পাজামা, পাঞ্জাবী, ছেরওয়ানী, টুপি পরিধান করে রওয়ানা দিল বিয়ের উদ্দেশ্যে। বিয়ে, বিয়ে, বিয়ে মিষ্টি বিতরণ হচ্ছে একে-ওকে। বিথীর কি হলো ? শেষে বিথীর মতই জনম দুংখী দুনিয়াতে আরেক জন মিললো তাতেই তার ইহজগত সার্থক হল। আর না থাক, সে যে বিথীকে ছোট্র দোচালা টিনের ঘরে রেখে তিন বেলা খাওয়াতে পারবে এটাই বিথীর পরম পাওয়া।

এর বিনিময়ে সে বিথীর যা নেয় নেক, সেনিয়ে ভাববার সময় বিথীর নাই। সেই বিথীর আসল দেবতা।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.