আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

নীলক্ষেতে ওবামার সাথে একসাথে বিরিয়ানী খাইলাম!

বোবার নাকি কোন শত্রু নাই, কিন্তু বোবা তো থাকতে পারি না......

হঠাৎ করেই বেটার সাথে নীলক্ষেতে দেখা। আমি তো পুরাই অবাক। দেখলাম বই এর দোকানগুলাতে ঢুঁ মারতাছে। আমিও পিছে পিছে যাইতে থাকলাম। একটা জিনিস খেয়াল করলাম বাঙ্গালী একটাও ওবামারে পাত্তা দিতাছে না।

সবাই দেখছে কিন্তু না দেখার ভান করতাছে। আমি ভাবলাম দেশে আসছে। এখন সবাই যদি উনার প্রতি বিমুখ হই তাইলে ক্যামনে হবে? আমি পিছে পিছে ঘুরতে লাগলাম। সে একটা বই খুজতেছে। বিল ক্লিনটনের জীবনী বাংলাটা।

এঈডা দিয়া সে কি করবে বুঝলাম না! আমি ভাবলাম ফেব্রুয়ারী মাস, হয়ত এমনেই বাংলার প্রতি সম্মান দেখায়া কিন্তাছে। কিন্তু মজার কথা হইল কোন দোকানদারই তারে বইটা দেয়ার ব্যাপারে মাথা ঘামাচ্ছে না! তো আমি উনার সাথে থেকে বইটা কিনে দিলাম। উনারে বললাম, কি ব্যাপার অবামা ভাই ওরা আপনার সাথে এমন করছে কেন? উনি বলল, আমিও বুঝতেছি না। এইভাবে একা একা আসাটা মনে হয় ঠিক হয় নাই। আমি বললাম, মনে হয়।

আর কিছু করবেন নাকি এখানে? সে বলল, বিরিয়ানীর দোকান দেখলাম। খাব ভাবতেছি। তুমি আসতে পার। আমি বললাম, আমি না আইসা আপনার গতি আছে। আপ্নে চাইলেই তো আর দিয়া দিব না! দেখলেন না আপ্নারে বই দিল না! সে বলল, ঠিক, প্লিজ চল আমার সাথে।

গেলাম। বিরিয়ানী খাইলাম। খাওয়ার ফাকে হাল্কা কতাও হইছিল অবশ্য। যেমনঃ আমি তারে জিজ্ঞেস করছিলাম সাথে কি বউ আনছেন কিনা? ভাবীরে কেমন পান? এই সব আর কি! যাই হোক লোকটার ব্যবহারে আমি চরম্ভাবে মুগ্ধ। তারে মিরপুরের এক লোকাল বাসে তুইলা দিলাম।

এর আগে অবশ্য তার মোবাইল নম্বরটা রাইখা দিছিলাম। যদি কাজে লাগে!! তারে বাসে তুইলা দিতে না দিতেই দেখি আমার ফাল্গুন বাস আইসা পরছে। আমি উঠতে গেলাম। আমারে হেল্পার উঠতে দেয় না। আমি বললাম কি হইছে ভাই? হেল্পার কয়, তুমি বাদ! বাদ মানে, ফাজলামি নাকি! তুমুল ঝগড়া শুরু কইরা দিলাম।

ঝগড়ায় আমি হারতেছিলাম। আল্লাহ বাচাইছে। তার আগেই ছূটো ভাই আমারে বেলা ১১ টায় ঘুম থেকে ডাইকা তুইলা দিল।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.