কিছুই লেখার নাই। ।
আজ দুপুরে নীলক্ষেত গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল,পুরাতন বই এর বাজার খুঁজে পছন্দের কোনো বই কেনা। এটা আমার একটা সখ বিশেষ।
কাঠফাঠা রোদ বা পড়ন্ত বিকেল, যখনি সময় পাই চলে যাই। ঘুরতে ঘুরতে কিছুদিন আগে খবরের কাগজের একটা আর্টিকেল-র কথা মনে পড়ল। এখানে নাকি যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সনদপত্র জাল করা হয়। আগে আমি এর প্রমাণ পেয়েছিলাম। আজ আবার পেলাম।
খারাপ লাগলো। হঠাৎ এক বন্ধুর সাথে দেখা। চা পান ও ধূমপানের সাথেসাথে অনেক স্মৃতিচারণ হল। তার কাছে আর এক বন্ধুর খবর পেলাম। সে এখন অষ্ট্রেলিয়ায়।
উল্লেখ্য, আমরা তিন বন্ধুই সরকারী স্কুলের ছাত্র ছিলাম। আমি এক বছর ধরে ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি, দেশে অবস্থানরত বন্ধুটি জট এড়াতে তিন মাসে তিন সেমিস্টার শেষ করল। আমরা দুইজন আসলে সময় আর সরকারের টাকা, দুইই নষ্ট করছি। তৃতীয় বন্ধু দেশের টাকায় শিক্ষিত হয়ে আরেক দেশকে সেবা দিচ্ছে। হতাশ হলাম।
কথায় কথায় পলিটিক্সের কথাও এল। কোন দলকে ভোট দেব তা নিয়ে দুই বন্ধু যারপরনাই চিন্তিত হলাম। শেষ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম আমরা যথেষ্ঠ রাজনীতি সচেতন না। তখন ঢাবি পড়ুয়া বন্ধুটি বলল, আমরা রাজনীতি সচেতন না বলেই তার অনেক সহপাঠী হিজবুত্তাহরির-এর সদস্য। আতঙ্কিত হলাম।
বই কিনতে যাওয়া আর বন্ধুর সাক্ষাত আনন্দের বদলে এনে দিল নিরানন্দ ভাব। কিন্তু এই খারাপ লাগা, কষ্ট পাওয়া, হতাশ হওয়ার জন্য কি আমি বা আমরা দায়ী? হবে হয়ত। দেশকে সঠিক নেতৃত্বের হাতে আমরা তুলে দিতে পারি নাই। আমরা সঠিক নেতা হতে পারি নাই। কিন্তু এভাবে আর কত দিন?
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।