সত্যবাদী
ঢাকা, ২৯ ডিসেম্বর (শীর্ষ নিউজ ডটকম): আওয়ামী লীগকে যুদ্ধাপরাধের অসুখে ধরেছে বললেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম। তিনি আজ বিকেলে পল্টনে জামায়াতের মহানগর কার্যালয়ের সামনে ২০০৮ সালের ডিজিটাল কারচুপির প্রতিবাদ দিবস উপলক্ষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আরও বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাদের মুখে মুখে শুধু যুদ্ধাপরাধ! যুদ্ধাপরাধ! যুদ্ধাপরাধ!
তাদের সমস্ত ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য যুদ্ধাপরাধ ইস্যুকে বেছে নিয়েছে।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৩৯ বছর এদেশে যাদের নামে কোনো থানায় একটি জিডি পর্যন্ত হয়নি, তাদের নামে কিসের যুদ্ধাপরাধ। ৩৯ বছর পার হলো, এখন আমাদের নেতৃবৃন্দকে ৬ মাস জেলে বন্দি করে রেখেছেন তবুও কোন অপরাধ প্রমাণ করতে পারেননি। একটি অভিযোগ পর্যন্ত দাখিল করতে পারেননি।
আজহার বলেন, আমি জানি না আওয়ামী লীগের এই যুদ্ধাপরাধ অসুখের ওষুধ কি। তিনি বলেন, নিজামী সাহেব যখন সংসদে শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেন, শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির বাড়িতে মুজাহিদ সাহেবের নেতৃত্বে মিটিং করেন, সামাদ আজাদের বাড়িতে বৈঠক করেন তখন জামায়াত যুদ্ধাপরাধী ছিলো না?
আজহার বলেন, সরকার দেশ পরিচালনায় ব্যর্থ, দেশকে পার্শ্ববর্তী দেশের কাছে বিক্রি করে দিতে চায়, করিডোর দিতে চায় এসব বিষয় আড়াল করার জন্যই এই যুদ্ধাপরাধ ইস্যু।
তিনি জামায়াতের সকল নেতা কর্মীকে প্রস্তুত হতে নির্দেশ দেন। নতুন বছরে সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন গড়ে তোরার জন্য দলের নেতাকর্মীদের আহবান জানান তিনি। সরকারকে হুশিয়ার করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আচরণ করুন।
নইলে তীব্র আন্দোলন করে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। তিনি সরকারকে রাস্তায় নামতে বাধ্য না করতে বলেন।
জামায়াতের মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম, রিদওয়ানুল্লাহ শাহেদী প্রমুখ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।