বিএনপির কুলুমুলু গোত্রের লোকেরা অনলাইনে জাতির জনককে নিয়ে কুটনী বুড়ীসুলভ কুতসা রটনার পর আওয়ামীলীগের কুলুমুলুরা বিটিভিতে বিএনপি শীর্ষ নেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে ভাংচিবুড়ীসুলভ কেয়ার অব কলতলা বিপ্লব সাধিত করেছে।
এই কেয়ার অব কলতলা কুটনী বা ভাংচি বুড়িদের রিউমার বা গুজব ছড়ানোর আদি পীঠস্থান। এই খানে প্রত্যুষে কুলুর মা প্রথম ছড়িয়েছিল, শেখ কামাল শেখ জামালের প্রশংসা ছড়িয়েছিল। কুলুর মামুদের দেখেছি স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে চর্চা করতে কাল্পনিক সব গল্প ফাঁদতে বঙ্গবন্ধুর ছেলেদের বিরুদ্ধে কলতলা লাইভে।
অন্যদিকে মুলুর মা কলতলায় খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা সম্পর্কে মুখরোচক গল্প বলেছিল।
মুলুর মামু সেইসব গল্প অফিসে আড্ডায় ছড়িয়ে দেয়। মুলুর মায়ের বিশেষ অভ্যাস ছিল মানুষের বাড়ির বেড়ার ফাঁক দিয়ে ফুচকি দিয়ে দেখার। এর ফলে মুলুর মামার পুকুর ঘাটের ঝোপের আড়াল থেকে নারী স্নান দেখার শিল্পোভ্যাস গড়ে ওঠে। ফলে মুলু ইদানীং ইভটিজার হয়ে উঠেছে। মুলু শিক্ষিত টিশার্ট পরে,কফি খায় আর অনলাইনে আভাগার্দ ক্লিপস দেখে।
মুলুর মামা রসময় গুপ্তের ধ্রুপদী কলার ভক্ত ছিল,মুলুর মায়ের বায়োলজিক্যাল মুডসুইং এ খালেদা-হাসিনার ক্যারেকটার এসাসিনেশনের রগড়ই একমাত্র বিনোদনে উতস। মুলুর বাপ লাল বাতি এলাকায় জীবন কাটানোতে মুলুর মা একজন সমাজের বিবেক বা গুজব রাণী হয়ে ওঠেন।
কুলু মুলুর বাপের দেখা হয় বৌবাজারে-ইংলিশ রোডে, কুলু-মুলুর মায়ের দেখা হয় কলতলায়, মামুদের দেখা হয় বিটিভিতে আর কুলু মুলুর প্রতিদিন দেখা হয় ব্লগে।
গত চব্বিশ ঘন্টায় কুলুমুলুর জীনসঞ্জাত ততপরতা দৃষ্টি গোচর হয়েছে। কুলুমুলুর প্রোটোজায়ার কইয়া দিমু সক্রিয় হয়েছে ব্লগে।
আর কুলুর মামু বিটিভিতে কইয়া খালেদা জিয়ারে কলতলা হুরমতী ছ্যাকা দিয়েছে। মুলু অবশ্য আগেই জাতির জনকের সম্রাট আকবরীয় ঠিকুজি নিয়ে অনলাইনের ভার্চুয়াল কলতলা গরম করেছে। ফলে কুলু আর মুলু তাদের চারফুট বাই চারফুট ভার্চুয়াল কবরে বসে বংশগতির তাড়নায় নিশপিশ করে।
মুলুর মামা আমার ফাঁসি চাই বই লিখে কুলু বংশের জীনগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। ফলে কুলুর মামা ভিলেজ পলিটিক্স টিভিতে সুরা ও সাকীর ছবি দেখিয়ে কুলুমুলু কুতসা বিপ্লবের অশুভ সূচনা করেছে।
অত্যন্ত আশার বিষয় ঢাকার পেশাদারী মিডিয়া অতীতেও মুলুর মলগ্রন্থ অবজ্ঞা করেছে। ফলে কুলুর বিকৃতি রস রিপোর্ট আমজনতার কাছে পাত্তা পায়নি চব্বিশ ঘন্টায়। অনলাইনেও কুলুমুলুর ছোট্ট একটি উপগ্রুপ ছাড়া বাকি সবাই একবিংশের আলোকিত মানুষের মতই কুলুমুলুদের ধমক দিয়ে বিদায় দিয়েছে বিভিন্ন ব্লগ থেকে। কুলুমুলুর তীব্র সমালোচনা করে কুলু-মুলুর মামুদের প্রতি ঘৃণা উচ্চারণ করে গত চব্বিশ ঘন্টায় বাংলাদেশের তিরিশের লিবেরেল দাপুটে তরুণেরা কুলুমুলুর মানসিক রোগ চিহ্নিত করেছে।
বেশ কয়েকজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে দিয়ে বিটিভির কুলু রিপোর্ট এবং ব্লগে কুলু-মুলু পোস্ট এক্সরে করিয়ে কুলুমুলুর জীন মানচিত্রে যে বিশ্লেষণ পাওয়া গেছে তা পেশ করা যাক।
কুলু-মুলুর পেশাগত অধোগতি, রিসেশনে বিপর্যস্ত জীবন,যৌন অবদমনের মতো বাহ্যিক উপসর্গ গুলো মিডিয়া বিপ্লবে মরিয়া করে তোলার পেছনে ক্রিয়াশীল হলেও কেয়ার অব কলতলা জীন গত বৈশিষ্ট্য তাদের আধুনিক সময়ে অন্ধকার যুগ রচনায় হরমোনাল টেরোরিজমে উদবুদ্ধ করেছে।
কুলু-মুলুর বাপ সাপ্লাই ভাতৃদয় নানা পেশায় কোলাবরেটর ও নারী সাপ্লাইয়ার হিসেবে যথেষ্ট শান সোকত বাগিয়েছে। কিন্তু আর্থিক উন্নতির ফলে মনের কোন উন্নতি কুলুমুলু বংশ ধারায় এখনো লক্ষ করা যায়নি। কুলু মুলুর মামুরাও বিটিভিতে মৌসুমী রিপোর্ট পরিবেশন করে ব্রেড এন্ড বাটার জোগাড়ে ক্লান্ত। তীব্র হতাশা যখন সমবয়েসীদের বিভিন্ন মিডিয়ার পেশাদারী সাফল্য দেখতে হয় সরকারী সোফায় শুয়ে।
ফলে বিটিভিতে বিভিন্ন সময়ে হাস্যরসের সরবরাহ কুলু-মুলুর মামুরাই পালাক্রমে করে আসতেন। কিন্তু এবার কুলু ভাগ্নে বিদেশে থেকে ব্লগে ফাটিয়ে দেবার পর, কুলু মামা ভাবে ভাগ্নেও রিসেশনে, মামুও হ্যান্ড টু মাউথ,কিন্তু কুলুকে সবাই চেনে, মামুকে সবাই দুধভাত ভাববে তাই কী হয়। বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড়। কলতলায় কুলুমুলুর মায়ের যে কাশিম বাজার কুটির, সেইখানে ঘষেটি বেগম ও মন্থরার কুটকুটায়তন। সেইটা এখন বাচ্চাদের স্কুলের সামনে,কফিশপে বিচিং,ড্রইং রুমে ক্যানিবালিজম হয়ে কুলু-মুলুর ভগ্নীদের মধ্যে বিরাজমান।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে “তামশা দেখতেছি” জাতীয় হরমোন সিকরেশন দেখলে বুঝবেন কুলুর বোন বা কুলু প্লেগে আক্রান্ত ভ্যাম্প।
এখন পরচর্চার একটা লোভ স্টারপ্লাস থেকে কুচুটে নাটকের মাধ্যমে অন্যদিকে জাকির নায়েকের অন্ধকার যুগের আহবানের মাঝ দিয়ে ঢাকা সমাজে ও অনাবাসের একঘেয়ে জীবনে অনেক আধুনিক মানুষের মধ্যে জারিত হয়েছে। তাই কুলুমুলু ভাইরাস ভার্চুয়াল মননেও প্রতিহিংসার ক্যানিবাল প্রবণতা তৈরী করছে। বিটিভি ও ব্লগে সক্রিয় কুলুমুলু ভ্যাম্পায়ারদের চিহ্নিত করে কিছুদিন সঙ্গনিরোধ ছুটিতে রাখা গেলে সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব।
সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণে কুলুমুলুর মাঝে কিছু বোধোদয়ে্র প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।
বিটিভির কুলুর মামু তার কেয়ার অব কলতলা বুবুকে ফোন করে জিজ্ঞেস করে, আফা অডিয়েন্স খাইতেছে না কেনো?
কুলু-মুলু, বঙ্গবন্ধু-হাসিনা-খালেদা বা সমাজের কারো কুতসায় আশানুরূপ সাড়া মিলতেছে না কেন এই প্রশ্ন মামুদের জিজ্ঞেস করে। কুলুর মা তার কেয়ার অব কলতলার গুজব সাম্রাজ্যের পতনের ঘন্টা শুনে কুলুর বাপের কাছে দৌড়ে যায়। কুলুর বাপ মুলুর বাপকে ফোন করে কি ব্যাপার মুলুভাই, আর কেউ রিউমারে কান দিচ্ছে না কেনো?
কুলু দাদা সময় দ্রুত বদলাইতেছে। কেহ আর কলতলায় আসে না, বাসায় বাসায় পানির কল। আপনার ভাবী অডিয়েন্স পাইতেছেনা।
তাই ঝগড়া করছে সারাদিন।
আপনার বৌদির একি আতংক,কেউ পাত্তা দেয়না,এড়িয়ে চলে।
কুলুর মামা চাকরী হারিয়েছে,মুলুর মামা মৌসুমী বেকার, কুলু-মুলুর কেয়ার অব কলতলা বিপ্লব অনলাইন থেকে ঝেঁটিয়ে বিদায়ের পর, তারা এখন এক্সকমুনিকেটেড বা একঘরে।
ব্লগে রুচিসম্পন্ন পাঠকগোষ্ঠীর দাবড়ানি খেয়ে কুলুমুলু এখন মরণোন্মুখ সারমেয়র মতো কুই কুই করছে। বিটিভি এবং ব্লগে কামড় দেবার পর ৭২ ঘন্টা কুলুমুলুদের ওয়াচে রাখার পরামর্শ ডাক্তারের।
কুলু মুলুর মৃত্যু না হলে সবাইকে কুতসা সংক্রমণ প্রতিরোধী ইনজেকশন নেবার অনুরোধ করেছেন ডাক্তাররা। কুলুমুলু ভাইরাস সংক্রমণে না বলুন।
অনলাইনে সুচেতনার ব্যারিকেড দেখে ঠাহর করা যায় সমস্ত কুলুমুলু প্লেগ নিরাময়ে তিরিশের তরুণেরা প্রত্যয়ী,সত্যিই বদলে গেছে বাংলা ভাষী গোলক। এটা একটা দারুণ খুশীর খবর।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।