এক সময় পাণ্ডা শব্দটি বেশ ইতিবাচক ছিল। কারণ সংস্কৃত 'পণ্ডা' থেকে উদ্ভূত পাণ্ডা শব্দটি দিয়ে তখন পথপ্রদর্শক বা নেতা ও তীর্থগুরু বোঝাতো।
কালক্রমে পাণ্ডা শব্দটি কোনো দলের দাঙ্গাবাজ সমর্থকের প্রতিশব্দে পরিণত হয়। তবে গত শতকেও পাণ্ডা শব্দটি দিয়ে সমর্থক বোঝাতো (সতীশচন্দ্রের বাংলার মত একেবারে সংস্কৃতছুট বাংলা আমি লিখতে পারিনে, যদিচ অসাধু ভাষায় পাণ্ডা বলে আমি গন্য - প্রমথ চৌধুরী)। তিনি এখানে পাণ্ডা বলতে সমর্থক বা ভক্ত বুঝিয়েছেন।
সংস্কৃতে 'পণ্ডা' মানে বিদ্যা বা শাস্ত্রজ্ঞান।
আরেকটি তথ্য মতে, মূলানুগ অর্থে পাণ্ডা মানে তীর্থস্থানের পূজারি ব্রাহ্মণ।
তবে শব্দটি এখন (বিদ্রুপার্থে) উদ্যোক্তা, নায়ক, প্রধান ব্যক্তি বোঝায় (আরে সেই তো দলের পাণ্ডা)।
অন্যদিকে হিমালয় অঞ্চলের বাদামি বা ধূসর লোমযুক্ত ভালুকের মতো প্রাণীর নাম পান্ডা (panda)। এআ পান্ডা শব্দের মূল ইংরেজি নয়, নেপালি।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।