এই ব্লগে জামাত-শিবির শুয়োরের বাচ্চারা ভুলেও নাক ডুবানোর চেষ্টা করবি না
সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের বিরুদ্ধে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা চলবে। মামলাটি খারিজের জন্য সাবেক সেনাপ্রধানের আবেদন রোববার খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
রোববার ঢাকা জেলা তৃতীয় যুগ্ম জজ আদালতের বিচারক এসএম সাইফুল ইসলাম একইসঙ্গে আগামী ৩১ জানুয়ারি মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে।
জোট সরকারের শাসনামলে বিদ্যুৎ খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে—বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত এক চা-চক্রে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ এ মন্তব্য করেন।
সাবেক সেনাপ্রধানের দেয়া বক্তব্যে সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে—এ অভিযোগে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকু ২০০৯ সালের ১২ জুলাই ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন।
একই সঙ্গে সাবেক এই সেনাপ্রধান যেন সম্পত্তি বিক্রি করতে না পারেন সেজন্য টুকুর আইনজীবীরা তার বারিধারা ডিওএইচএসের বাড়িটি ক্রোক করার নির্দেশ দেয়ার জন্যও আবেদন করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জোট সরকারের ৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ ছিল ১৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকা বেতনভাতা ও প্রাত্যহিক রুটিন কাজে খরচ হয়। আর বাকি অর্থ খরচ করা হয়েছে উন্নয়ন খাতে।
পরে ১৬ আগস্টের মধ্যে মইন উ আহমদকে বক্তব্য উপস্থাপনের আদেশ দেয় আদালত।
গত ৫ আগস্ট জেনারেল মইন উ’র স্বাক্ষর করা একটি ওকালতনামা আদালতে দাখিল করা হয়। পরে মামলাটি খারিজের আবেদন করেন তার আইনজীবী।
গত বছরের ১৫ জুন অবসরে যান জেনারেল মইন উ আহমেদ।
২০০৮-এর জাতীয় নির্বাচনের পরই সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদসহ ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবদের বিরুদ্ধে নানারকম আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে নির্যাতনের শিকার রাজনীতিবিদরা এ ব্যাপারে সোচ্চার হন সবচেয়ে বেশি।
তথ্যসূত্রঃ
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।