আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

তিনটি কবিতা

তারাঁদের ইসকুলে আমি এক লবন চাষীর ছেলে,ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদ! সে আমার মা...

কালো বিড়ালের ওম্ ধরো আমি বা আমারই মতো কোনো একজন, তোমাকে বলে ফেলল চলতি বাসের ঠাসাঠাসি ভিড়ে, চকিতে- ‘আপনি কিন্তু ভীষণ সুন্দর; জোস্’। তুমি ও অচেনা b¤^i থেকে আসা এসএমএস-এর মতো, চোখ বুলিয়ে আদরের আঙ্গুল তুললে ডিলেট বাটনের ওপর। এরপর আমি বা আমার মতো সেই অচেনা যুবক, কালো বিড়ালের ওম্ের মতো শাদা-কালো অন্যমনস্কতায় পিছু নিল তোমার। জানি; তুমি এখন অনেক দুরে- অচেনা শহরে, যদিও আমার গ্রাম আনন্দের জোয়ারে ভাসানো নদী বয়ে গেছে সেই নিঝুম নিসত্মব্ধতার পাশ দিয়ে। আর তুমি সারো প্রতিদিনের ঘর-গৃস্থলির কাজ, শরীরের ভেতর-বাহির ধুঁয়ে করো ভাঁট ফুলের মতো শুভ্র, তারই মিষ্টি জলে।

এখন কিন্তু আমি আর থাকি না, সেই ঝিঝিঁ ডাকা গায়ে- জোনাকের মিহি আলো ও আর বেহালার মূর্ছনা তোলেঁনা বিদ্যুতের আলোয়। তবু আমারই অন্যমনস্ক মন ছুটি কাটাতে যায়, জাম আর জামরম্নলের সত্মব্ধতায়। শহরের ধূলো ওড়া পথে, কার্বনের তীব্রতায়, ভাঁট পাতায় জমে থাকা ধূলোর মতোন- আমার ছোট্ট বুকের ওমে জন্ম হয়, তোমার কালো বেড়াল অন্যমনস্কতার এক পাহাড় দীর্ঘশ্বাস, যা তুমি ডিলেট করেছিলে পরম আদরের আঙ্গুল ইশারায়... বিষন্ন জুঁই এতো কষ্টের কথা কিভাবে তোমাকে বলি- একথা ভাবতেই একঝুড়ি বিষণ্ন জুঁই ফুল মুখ ভেসে ওঠে চোখের পর্দায়। ঠিক যেনো, সিনেমা শুরম্নর আগে ঘটা করে দুলে যাওয়া পত্পত্ জাতীয় পতাকা। এর অর্থ হতে পারে- তুমিই নিরন্নের আশ্রয় আর কবি মনের নিষিদ্ধ গন্ধম ফল, মানে ভাঁপ ওঠা সাদা ভাত।

আমি বাতাস থেকে ছেঁকে নেয়া অস্থির নড়্গত্রের মায়া পেড়ে নিয়ে, মাপ মতো ছড়িয়ে দেই তোমার ওপর- এরপর বিশুদ্ধ চিনত্মায় পূর্ণিমা কাতর , অমাবশ্যা রাতে কেউটের শরীর থেকে ছুটে আসা বুনোলতা ঘ্রাণ মগজের ভাজেঁ নাঁচে নিষিদ্ধ রক্তবীজের পরম মায়ায়- তারপর সুঁইচোরার সবুজ পাখায় উড়ে যায় সভ্যতার আদিম ধূলো- এই ধরা পড়ার কথা কিভাবে তোমাকে বলি ভাবতেই কেটে যায় চন্দন পোড়া রাত..... চাকু কারিগরের অভিশাপ এই আমাকে ছিড়ে-ফুঁড়ে ফেললে কেমন হয়! ভাবতেই হাত বাড়ালাম তোমার দিকে। আর তুমি এগিয়ে দিলে পূর্বপুরম্নষের হাড়ে করা তীড়্গ্ন চাকু; সাথে চাকু কারিগরের অভিশাপ। হাতে অস্ত্র পেলে আনাঢ়ি ও নাকি দড়্গ হয়ে ওঠে! তাই আমিও পেশাদার কসাইয়ের মতো ছিলে নিয়ে বুকের ছাউনি, খুলে দেই পাজঁড় কুঠির। দরজা খুলতেই জমা রক্তের মতো জাম রাঙ্গা অন্ধকার- মিচকি হেসে ওঠে, হেসে ওঠে গুহার গভীরে থাকা শুকনো আলো। এরপর ক্রমেই একটি ছায়াদৈত্য বড় হতে হতে এগিয়ে আসে, হাত বাড়িয়ে দেয়! হাতের আঙ্গুল সমেত নিষিদ্ধ রাতের বেহাগ, কেঁপেকেঁপে স্পর্শ দেয়ার আগেই হারিয়ে যায় বায়ু কম্পনে- এইসব ছায়াঘর; আলো আর ফুলের খবর নিয়ে এতোটা সচল থেকে শেষে, আশ্রয় হলো ছায়া সরকারের।

নিজের এ ধরা পড়ার কথা ভাবতেই দূর থেকে কেদেঁ ওঠে এক মধ্য বয়স্কা পাগলীনি। আমার খ-িত রূপ, ভ-ামীর শতত বেহায়াপনায় ঘুমভাঙ্গা জননীকে বলি, ‘কুয়াশা; তুই ক্যান নিয়ম ভুলে আষাঢ়েও কদম হয়ে ফুটিস?

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.