আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সম্প্রচারের অনুমোদন পাওয়া নতুন ১০টি টিভি চ্যানেল কেমন করবে?

zahidmedia@gmail.com

সম্প্রচারের অনুমোদন পাওয়া নতুন ১০টি টিভি চ্যানেল কেমন করবে? বর্তমানে দেশে ৭টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল আছে। নতুন আরো ১০টিভি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের আর্থসামাজিক কল্যাণে কতটুকু অবদান রাখতে পারবে? সম্মানিত ব্লগারগণ মন্তব্য করুন। নতুন করে আরো ১০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয় এসব টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অনাপত্তিপত্র দিয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ফোকাস বাংলা নিউজকে নিশ্চিত করেছে। বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের জন্য ২০৯টি আবেদন থেকে যাচাই-বাছাই শেষে নতুন ১০টি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত চ্যানেলগুলো হচ্ছে-সাংবাদিক মোজাম্মেল হকের ৭১ টেলিভিশন, সৈয়দা মাহবুবা আক্তারের চ্যানেল-নাইন, সালমান এফ রহমানের ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন, মাহফুজুর রহমানের এটিএন নিউজ, আহমেদ জুবায়েরের সময়ের টেলিভিশন, নাসির উদ্দিনের মাই টিভি, অঞ্জন চৌধুরীর মাছরাঙ্গা, কামাল আহমেদ মজুমদারের মোহনা টিভি, গাজী গোলাম আশরিয়ার জিটিভি এবং এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিজয় টিভি। এর আগে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে এসব টিভি চ্যানেলকে তাদের বিনিয়োগকারী ও চ্যানেলের ধরন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়ে চিঠি দেয়া হয়েছিল। বিগত বিএনপি-জামায়াত চারদলীয় জোট সরকারের সময়ও দেড় শতাধিক আবেদনের মধ্য থেকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ঘরানার ৭টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন দেয়া হয়। এগুলো হলো- এনটিভি, আরটিভি, চ্যানেল ওয়ান, বৈশাখী, বাংলাভিশন, দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টেলিভিশন নামে এসব চ্যানেলের মালিক বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা। আওয়ামী লীগ সরকারের (১৯৯৬-২০০১) আমলে বেসরকারি বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলের আবেদন সক্রিয় বিবেচনা করা হচ্ছে বলে গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত কাউকেই অনুমোদন দেয়া হয়নি।

পরে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০১ সালে নতুন করে ২টি, ২০০২ সালে ১৩টি, ২০০৩ সালে ২২টি, ২০০৪ সালে ৯টি, ২০০৫ সালে ২১টি, ২০০৬ সালে ৩১টি, ২০০৭ সালে ৪০টি ও ২০০৮ সালে ১০টি আবেদনপত্র জমা পড়ে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার দশ মাসের মাথায় আওয়ামী লীগের এমপি, কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রীদের আত্মীয়-স্বজনদের মালিকানায় ১০টি টিভি চ্যানেলের অনুমোদন দেয়া হলো।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.