স্বজনদের অভিযোগ, ওই নারীর সাবেক স্বামী এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
মতিহার থানার ওসি আব্দুস সালাম খান জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে ব্যক্তি মালিকানাধীন ‘ওমর ফারুক’ ছাত্রাবাসে লাশটি পাওয়া যায়।
নিহত ফজিলা খাতুন (৩৫) মির্জাপুরের আসাদুজ্জামানের মেয়ে। দুই বছর আগে পবা সোনাডাঙ্গা গ্রামের হয়রত আলীর ছেলে নওশাদ আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দুই মাস আগে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়।
ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে বিবস্ত্র অবস্থায় লাশটি পাওয়া যায় জানিয়ে ওসি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মনে হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাকে জবাই করা হয়। ”
তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যা থেকে ফজিলা নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুজির পর স্থানীয়রা তার বাবার বাড়ির পাশের ওই ছাত্রাবাসে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, তালাকের পর থেকে ফজিলা বাবার বাড়িতে থাকতেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে স্বামী নওশাদ তার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন।
সোমবার বিকালে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফজিলার সঙ্গে নওশাদ যোগাযোগ করেছিলেন। এ থেকেই স্বজনদের ধারণা, নওশাদের সঙ্গে দেখা করতে ফজিলা ওই ছাত্রাবাসে গিয়েছিলেন।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।