বিস্মৃতি ও বিষাদটিলা
ডায়েরি থেকে
গান, তরু, ছত্রাকে অসুস্থ পাতা, আকস্মিক ভূমিধ্বস
আমি লিখি আর লোকে বলে- 'বাস্তব ঘটনা থেকে নেয়া'।
উত্তরে কেবল অগ্নিহীন সাদা জবাটির কথা মনে পড়ে।
আমি জানি, সেই জবার কণ্ঠায় উবু হয়ে সূর্য অস্ত যায়।
চাঁদ ঘুরে রাত্রিশেষে, ঝর্ণার পাথরে বসা
নগ্ন, ছেড়া, হতাশ্বাস কিশোরীকে দেখে জলে গলে যায়।
পরিত্রান
অনন্ত ঝর্ণার দিকে আপাতত চলে যেতে চাই আমি।
স্নান নয়, আমার ভেতরে যত কীট আজ সানন্দে বেড়ায়-- তাদের সামান্য কথা শুনে নেয়া যেতে পারে আজ। তারা কি খোঁজের জন্য এখানে এসেছে, কী রকম আছি আমি, আমার ভেতরে আর থেকে গেল কতটা প্রবাল...
ঝর্ণার গোপন দেহে এই কথা তোলে না বিক্ষেপ। জলের উপরে যদি না-পাওয়া উত্তরেরা ভেসে ওঠে আজ-- সে আশায় পাথরে নিশ্চুপ আমি বসে থাকি। পাশে, দুটি পাখির আলাপে যদি আমার ভেতরে আজ একটি পাথরও নড়ে ওঠে, অনুধাবন থেকে দূরে অন্ধকূপে তাকে ছুড়ে দিও--তুমি বলেছিলে।
চিহ্ন
নামে উচ্চণ্ড শীত,
কাঁচের মাপনী থেকে দুধ নিজ স্ফুটনাংক ভুলে
সহাস্যই ছলকে পড়ে মাতৃবাগিচায়।
নামে ভাম, লৌহনিনাদ, ওড়ে লাল মরীচিকা,
আরোগ্যসদন থেকে ৩০০ শিশুর মরদেহ।
চৈত্রের উড়ন্ত সম্পর্কে দূর বজ্রহাড় ঝলকায় ।
তরঙ্গপৃষ্ঠার ঢাল বেয়ে জ্বলে ওঠে দ্বিধান্বিত চাঁদ।
নামে নিদ্রা, কুণ্ডয়ণ, মেঘসদৃশ বেণী,
দুই কুল গেঁথে দাঁড়-শলাকার রক্ত-জিহ্বা জেগে ওঠে,
মেয়েটির সমস্ত শরীরে বিষদাঁত, অনিশ্চিত শরচিহ্ন-
তোমার বিষাদ।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।