ফোনকলের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির খবরে অস্ট্রেলিয়ার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট সুসিলো বামব্যাং ইয়ুধোইয়োনো বলেছেন, এতে দুই দেশের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করছে ইন্দোনেশিয়া।
আজ মঙ্গলবার বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে গতকাল সোমবার আবারও জাকার্তায় অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইন্দোনেশিয়া।
এর আগে ১ নভেম্বর জাকার্তায় অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে ইন্দোনেশিয়া।
এশিয়ায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে তিনি কাজ করছেন বলে খবর প্রকাশিত হলে তাঁকে তলব করা হয়।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুধোইয়োনো গতকাল বলেন, অস্ট্রেলিয়ার এ ধরনের পদক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দেশটির কৌশলগত অংশীদারত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ক্যানবেরার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা করবে জাকার্তা।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী টনি অ্যাবোট বলেন, ফোনকলের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির খবরের পরিপ্রেক্ষিতে যে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, এতে তিনি দুঃখিত। তিনি বলেন, ‘ইয়ুধোইয়োনোকে অস্ট্রেলিয়ার একজন ভালো বন্ধু হিসেবে দেখি।
বিশ্বে আমাদের যত অসম্ভব ভালো বন্ধু আছেন, তিনি তাঁর মধ্যে অন্যতম। ’
বিশ্বজুড়ে আলোচিত সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা এডওয়ার্ড স্নোডেনের ফাঁস করা গোপন নথির বরাত দিয়ে এবিসি ও গার্ডিয়ান পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট, ফার্স্ট লেডি, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর ফোনকলের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি করেছে অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা ডিফেন্স সিগনালস ডিরেক্টরেটের (বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান সিগনালস ডিরেক্টরেট নামে পরিচিত) ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, সংস্থাটি ২০০৯ সালের আগস্টে অন্তত একবার ইয়ুধোইয়োনোর ফোনকল শোনার চেষ্টা করেছে। তাঁর মুঠোফোন থেকে যেসব কল করা হয়েছে বা কল এসেছে, সেসবও গোপনে অনুসরণ করা হয়েছে।
।অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।