তিনটি কবিতা দিলাম। এমনিতেই আমি কবিতা লিখতে পারি না, তারপরও চেষ্টা করেছি। জানিনা কেমন হয়েছে...।
এক.
হাতে রেখে হাত
কাঁধে তে কাঁধ
হেঁটে চলা গোঁধূলীর লগ্নে।
গুটি গুটি পায়
ওরা চলে যায়
মেঘে ঢাকা জোছনার মগ্নে।
ছোট ছোট ঝোপ
কবুতর খোপ
কপোত কপোতী করে খেলা।
চিকচিক কালো
ঝিকমিক আলো
চারপাশে জোনাকির মেলা।
ফাঁকা ফুটপাথ
কম্পিত হাত
ছুঁতে চায় কিছু ভালবাসা।
হলদেটে আলো
লাগে সবই ভালো
মৃদু স্বপ্নের যাওয়া আশা।
অধরে অধর
কাঁপে থরথর
চার ঠোঁটে ভালবাসা বন্দি।
নেচে নেচে যায়
অমৃত সুধায়
প্রকৃতি আটে মহাফন্দি। ।
#####################
দুই.
নতুন কী আর বলব বলো,
সব দিয়েছি বলে।
উল্টানো এই কথা গুলোই
সাজাও মাথার সেলে।
অর্থ যখন খুঁজে পাবে
শব্দ গুলোর ফাঁকে।
বুঝবে তখন পথের পানে
কে সে চেয়ে থাকে।
আঁকাবাঁকা পথটা ভরা
বন্ধুর ভালবাসায়।
আছি সেথায় তোমায় চেয়ে
বুক ভরেছে মায়ায়।
শত শত দুষ্টুমি আর
খুনশুটির মাঝে।
সুখের মত ব্যথা এসে
হিয়ার মাঝে বাজে।
স্বপ্ন সেথায় সাদাকালো,
রঙিন হয়ে যায়।
প্রিয়ায় ভেবে বুদ হয়েছি
অলৌকিক এক নেশায়।
নেশাতুর এই আঙুল জানি
পারবে না তো ছুঁতে।
দুইটি অধর দুইই রবে
পারবে না চার হতে।
মিথ্যে মায়ায় দৌড়ে বেড়াই
বৃথাই খেলে যাই।
ফলাফলটা জানিই তবুও
পাল তুলেছি আশায়।
######################
তিন.
ভালবেসে মরতে পারবি?
কর্ণ কুঠরে মৃদু কম্পন তোলা প্রশ্নটা
ধীরে ধীরে গ্রাস করে গোটা সত্ত্বা কে।
কী করতে পারবে সে?
পারবে কি সে
দুর্গম পর্বত শৃঙ্গে সরিসৃপের হামাগুড়িতে
ভালবাসার কেতন উড়িয়ে দিতে?
কিংবা জলজের পাখনায় নীল
অতল অর্ণব খুড়ে গাঁথবে কি
ঝিকমিক প্রেমের কাব্যমালা?
কাঁচের জারটায় ভরবে কি
নরম জোসনা?
বসন্তের সকালের স্নিগ্ধতায়
মাখাতে পারবে কি
স্পর্শের শিহরণে?
না, মরতে পারবে না সে।
অন্তরের অন্তঃস্থলের আকুতিকে
পাশ কাটিয়ে দেওয়া উত্তর টা
হাহাকার হয়ে বাজে আরেক অন্তরে।
অতঃপর...
ব্যস্ত নগরীর ব্যস্ত সড়কে
শত ব্যস্ততাকে ছুড়ে ফেলে
কোন এক অমোঘ আকর্ষণে
শহুরে পঙ্খি রাজে চেপে
আঙ্গুলে আঙ্গুল ছুইয়ে
আর চোখের তারার মায়ায় বোধোদয়,
ছেলেটি সব পারবে।
সে ভালবেসে মরতেও পারবে.....
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।