ছাত্রলীগ আর ছাত্রদল !!! এই দুই গোষ্ঠির কাছে জিম্মি হয়ে যাচ্ছে সারা দেশের মানুষ। বাসা থেকে বের হয়ে সন্ধায় যখন বাসায় ফিরি তখন সত্তিই কেন যেন মনে হয় এই যাত্রায় বেচে গেলাম। আল্লাহই জানেন কখন কবে হয়ত ছাত্রদলের ককটেল বা ছাত্রলীগের চাবাতির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পড়ে থাকতে হবে।
আর আল্লার রহমতে আমদের দুই নেত্রীতো আছেনই। একজন হলেন ছাত্রলীগের আপা আরেকজন হলেন ছাত্রদলের ম্যাডাম।
তো আপা আর ম্যাডাম, আর কত রক্ত চুষবেন? এইবার ক্ষান্ত দেন। দেশের মানুষগুলো গাধা বলে, তাদের ব্রেন ওয়াস করে তাদের দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করাবেন। এইটা তো ঠিক না।
আপনাদের চোখের পানি নাকের পানি এক হওয়ার আরে বেশি দেরি নেই। অপেক্ষায় থাকেন।
আমার দেশের এই নিরীহ মানুষগুলো যাদের ভাইয়ে ভাইয়ে দন্দ লাগিয়ে একজনকে দিয়ে আরেক জনকে খুন করাচ্ছেন তারা আর বেশিদিন নিরীহ থাকবে না ইনশাল্লাহ।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, এইসবের কল কাঠি কে নাড়ায় জানেন? আমাদের সম্মানীয় রাজাকারবৃন্দ !!! শালারা আল্লাহ রাসূলের দোহায় দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির নেশায় নেমেছে। হারামজাদারা, তোদের কোন বাপ বলে গেছে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্টা করতে? বাঙ্গালীর বাশের বাড়ীর কথা ভুলে গেছ, তাইনা? বাঙ্গালীর বাশ এখন আরো মজবুত হইছে, এমন দিক দিয়ে ঢুকাবনা, এক্কেবারে আল্লার নাম নিতে নিতে কবরে যাবি। শালা ভন্ড হুজুরের দল। কোরআন শরীফ নিয়ে মাঠে আসে মারা মারি করতে।
শালারা কোরআন কি তর বাপের কিনে দেওয়া অ আ ই ঈ এর বই নাকি যে এইটা নিয়ে খেলা শুরু করবি।
এইখানে এই তিন জানোয়ার গোষ্টির সাফাই গাইতে হলে কমেন্টস করেন। আমি তার জবাব দিব।
-তানভীর ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।