আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

সাঁতার সাঁতার!

Read, Read তুমি কি সাঁতার জানো? যদি হ্যাঁ হয়, তবে তুমি নিরাপদ। আর যারা জানো না, তাদের নিয়ে ভীষণ ভয়। দেশে সবচেয়ে বেশি শিশু অকালে হারিয়ে যায়, সাঁতার না জানার কারণে। ইউনিসেফ মানে জাতিসংঘ শিশু তহবিল হিসাব করে দেখিয়েছে, দেশে প্রতি ৩১ মিনিটে একজন করে শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। মানে এক দিনে ৪৬ জন।

বছরে ১৭ হাজার। কোনো রোগেও এত শিশু অকালে হারায় না। এ ভয়ানক দুর্ঘটনা বেশি ঘটে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। আবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে তা বেশি ঘটে। যারা শহরে থাকো, তারা হয়তো বলবে এখানে তো তেমন পুকুর-নদী নেই যে পানিতে ডুবে যাব।

শহরে তেমন ভয় হয়তো নেই; কিন্তু কখন কোন বিপদ এসে পড়ে আগে থেকে কেউ বলতে পারে? তাই সাঁতার শিখে রাখাটা সবার জন্যই জরুরি। যদি সুইমিং পুলে সাঁতার শিখে নিতে পার তো ভালো। এসময় অনেক স্কুলেই গরমের ছুটি চলছে। কেউ কেউ দাদাবাড়ি, নানাবাড়ি বেড়াতেও গেছো কিংবা যাবে। তো যারা সুযোগ পাও চাচা বা মামার কাছ থেকে সাঁতারটা শিখে নিও।

কিছু হোক বা না হোক, সাঁতার জানা থাকলেও তো বন্ধুদের বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেথজানিস আমি সাঁতার জানি! দেখবে, বন্ধুরা তোমায় কেমন সমীহ করে। নিয়মিত সাঁতার কাটা কিন্তু বেশ ভালো। সাঁতারের উপকারিতার যেন শেষ নেই। শরীরকে সুস্থ-সবল রাখে, মনকে শান্ত করে। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সাহায্য করে।

হৃদযন্ত্রের রক্তচলাচল ঠিক রাখে। সাঁতারের সময় হাত ও পায়ের পেশি এত বেশি নড়াচড়া করে যে, কারো যদি পেশির ব্যথা থাকে, সাঁতার কাটলে থাকবে না। শুধু তাই নয়, শরীরের অন্যান্য জায়গার অস্থিসন্ধির ব্যথাও দূর করে। কারণ সাঁতারই একমাত্র ব্যায়াম, যাতে মানুষের শরীরের প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একই সঙ্গে কাজ করে। এ জন্য প্রাণশক্তিও বাড়ে।

কাজেই বুঝে দ্যাখোথসাঁতারের চেয়ে ভালো ব্যায়াম আর নেই। যারা গ্রামে থাকো, নিয়মিত পুকুর বা নদীতে গোসল করো, তাদের কিন্তু রোগ-বালাইও কম হয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ৩০ থেকে ৬০ মিনিট করে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন সাঁতার কাটলে হার্টের রোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের মতো জটিল রোগের আশঙ্কা অনেকখানি কমিয়ে দেয়। নিয়মিত সাঁতার উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।