দেশহীন মানুষের কথা পাহাড়ের বন্ধু, যেয়ো না দেশান্তর সঞ্জীব দ্রং | তারিখ: ০৯-০৪-২০১৩ আমরা কি একটি স্বপ্নহীন, দিশাহীন রাষ্ট্র ও সমাজের দিকে ধাবিত হচ্ছি? হয়তো বা এ কারণেই হরতালের দিন আমাদের এক বন্ধু চলে গেল দেশান্তরে। কয়েক দিনের মধ্যে আরও কয়েকজন চলে যাওয়ার পথে...
আমি কখনই বোঝাতে পারিনি নিজেকে আমার কথা গুলো বরাবর ই বর্বর শুনিয়েছে আমার কখনই বন্ধু ছিলো না তবে শত্রুর অভাব পড়েনি কখনো আমি কখনই আপন হতে পারিনি কারো ঘর আমাকে দুয়ো দিয়েছে পর বলেছে প্রতারক আমি কখনই ঋণগ্রস্থ ছিলাম না অথচ কখনই ঋণ মুক্ত হতে পারিনি, পাওনাদার রা আমার...
আ মা র আ মি তোমার বাড়ির রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে অদ্ভুদ সব অনুভুতির মধ্য দিয়ে হাটতে থাকি আমি। রাস্তার চলতি মানুষগুলোরেও মনে হয় কাছের কেউ, পথের ধুলোতেও কি যেন টান। আমি খুজি পথে পথে রাস্তার এধার ওধার। এমনও তো হতে পারে ঠিক এখনি, কোন প্রয়োজনের টানে তুমি এখন রাস্তায়। এমন কত কাকতলিয়...
থেমে যাবো বলে তো পথ চলা শুরু করিনি। মনে কি আছে? চরিত্রহীন নামে এক কালে শরৎচন্দ্র একটা উপ্ন্যাস লিখেছিলেন। সেই উপন্যাস খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। সেই উপন্যাসে যে চরিত্রহীনের কথা বলা হয়েছিল, সে আসলেই আমাদের বর্তমানের তুলনায় অনেক চরিত্রবান ছিল। হাল আমলে আমাদের...
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড কিন্তু শিক্ষিত লোকই জাতির মেরুদণ্ড নহে র্যাব যখন গঠন করা হয় তখন এর ক্রসফায়ার নিয়ে দেশে বিদেশে ব্যাপক সমালচনার ঝড় উঠে। কিন্তু একশ্রেণীর আঁতেল বলতে লাগল, এভাবে শর্টকাটে সন্ত্রাস দমন(!) করতে পারলে তো ভালই। দেশের মানুষও আরামে থাকবে। বিএনপি সরকারের অই সময়টা আসলেই...
সবকিছুই তো থাকছে............... তবে অবশ্যই পবিত্রতার স্বার্থে এই ব্লগ একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও তাদের উত্তরসুরী-সমর্থকদের জন্য নিষিদ্ধ.......এটি শুধুতাদের জন্যই উন্মুক্ত যারা সুস্থ চিন্তার অধিকারী মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ...... সমাজের প্রত্যেক শ্রেনী গোষ্ঠীর মধ্যেই ভালো-খারাপ আছে। কিছু...
এই ব্লগের সব মৌলিক লেখার স্বত্ব লেখকের নিজস্ব। মৌলিক লেখা অনুমতি ব্যতিরেকে অন্য কোথাও ব্যবহার করা যাবে না। শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়-এর চরিত্রহীন পড়ে শেষ করলাম। অনেক চরিত্র, অনেক বিস্তৃত উপন্যাসের কাহিনী। শরৎবাবুর এ উপন্যাসের বিস্তৃতি তার অপর বৃহৎ উপন্যাস গৃহদাহ অপেক্ষাও বিশাল। গৃহদাহ অনেক...
অতীত এবং বর্তমানকে সাথে নিয়ে আগামীর সপ্ন দেখি । সময়ের সাথে আগামীর পথে -সদা নির্ভীক.. ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি ও উত্যক্তকারী হিসেবে ছাত্রলীগ সম্পর্কে একটা অভিযোগ বরাবরই ছিল। সেঞ্চুরিয়ার মানিক ছাত্রলীগের সে অশুভ চরিত্রটিকে সবার সামনে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট করে তোলে। ধর্ষণে সেঞ্চুরী করে...
আমি একা নই......আরও অনেকে আমার সাথে । বর্তমানে দেখা যায় ক্লাস থ্রি বা ফোরের মেয়ে মার মত জিনিস না হলে খাওয়া দাওয়া বন্ধ। এরকম আরও কিছু অসঙ্গতি পরিবারগুলোতে চোখে পড়ে। ক্লাস সিক্স-সেভেনের ছেলেরা স্কুলের ছাদে ধুমছে গাজা টানছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এদের ভদ্র-রুচিশীল, নৈতিকতা সম্পন্ন মানুষ...
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড কিন্তু শিক্ষিত লোকই জাতির মেরুদণ্ড নহে র্যাব যখন গঠন করা হয় তখন এর ক্রসফায়ার নিয়ে দেশে বিদেশে ব্যাপক সমালচনার ঝড় উঠে। কিন্তু একশ্রেণীর আঁতেল বলতে লাগল, এভাবে শর্টকাটে সন্ত্রাস দমন(!) করতে পারলে তো ভালই। দেশের মানুষও আরামে থাকবে। বিএনপি সরকারের অই সময়টা আসলেই...
থেমে যাবো বলে তো পথ চলা শুরু করিনি। মেননকে চেনেন? না চিনলে এবং আপনার কোন সন্তান ভিক্ষা-নুন-নেছা স্কুলে ভর্তি করতে চাইলে উনাকে আলবাৎ চিনে ফেলবেন। এই মেনন সাহেব এখন আম্লীগের সহযাত্রী। কিন্তু একটা সময়ে উনি আম্লীগের বিরোধী ছিলেন। ছিলেন বিম্পি-র পক্ষের না হলেও মতের...
আপনাদের সমর্থন আমাকে লিখার প্রেরনা যোগায়। লম্পট শিক্ষক পরিমল জয়ধরের লালসার শিকার ছাত্রীটিকেই উল্টো চরিত্রহীনা আখ্যা দিয়ে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ হোসনে আরা। ৩রা জুলাই বসুন্ধরা শাখায় একটি বৈঠকে তিনি শাখা প্রধান লুৎফুর রহমানকে এ নির্দেশ দেন। এ সময় ছাত্রীর অভিভাবকরা...
আমি একজন ফাউ ইঞ্জিনিয়ার.।।। লম্পট শিক্ষক পরিমল জয়ধরের লালসার শিকার ছাত্রীটিকেই উল্টো চরিত্রহীনা আখ্যা দিয়ে বের করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন অধ্যক্ষ হোসনে আরা। ৩রা জুলাই বসুন্ধরা শাখায় একটি বৈঠকে তিনি শাখা প্রধান লুৎফুর রহমানকে এ নির্দেশ দেন। এ সময় ছাত্রীর অভিভাবকরা প্রতিবাদে...
মানুষের মনে আজ বাসা বেধেছে হিংসা আর ঘৃণা... মানবতা আজ ফেরারী... দিকে দিকে আজ শয়তানের উল্লাস নৃত্য...... সবাই জানে লীগ, বিএনপি, জাপা, এই পার্টিগুলির মধ্যে হাতে গোনা ২-১ জন বাধে বাকি সব নেতা কর্মীর উদ্দেশ্যই হচ্ছে রাজনীতির আড়ালে দূর্ণীতি করে টাকা কামানো। আমদের মধ্যে প্রায় সবাইকে দেখা যায়...
বাস্তবতা-১ বুয়েটের আশেপাশের একটি গালর্স কলেজ। এখানে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিছুদিন আগে একজন ছাত্রী তার বয়ফ্রেন্ড কে অশ্লীল ম্যাসেজ পাঠানোর সময় শিক্ষকের কাছে হাতে নাতে ধরা পড়ে। তারপর........ ঐ স্কুলেরই ক্লাস সিক্সের এক ছাত্রী টিচারকে একটু আড়ালে ডেকে নিয়ে বলে- স্যার আই লাভ ইউ।...