আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আমরাই পারি!

রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন

আমরাই পারি! হ্যাঁ, আমরাই পারি, অন্যরকম পৃথিবী গড়তে। । আমরাই পারি, এই পৃথিবীতে বসবাসযোগ্য রাখতে। । বিশ্বব্যাপি অধিকারকর্মীরা সাধারনতঃ এরকম অনেক কথা রচনা করেছেন, গবেষণা পত্র লিখছেন বিস্তর, প্রচারণায় সরগরম করছেন আর্ন্তজাতিক সম্মেলন, আলোচনার স্থানগুলোকে; যেখানে এই পৃথিবীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত হয়, কিংবা ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের কৌশল নির্ধারিত হয়।

অধিকারের দাবী সার্বজনীন। অধিকারভিত্তিক আন্দোলনের অপ্রাতিষ্ঠানিক ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিকতায় রূপ দিয়েছে বাংলাদেশের বেসরকারী সংস্থাগুলোও। তারাও বিশ্বের অন্যান্য অধিকারকর্মীর সাথে প্রচারণায় সামিল হওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। ট্রাজেডি হচ্ছে, একজন অধিকারকর্মী ঠিক ততোক্ষন অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকতে পারছেন, যখন তিনি কোন অধিকারভিত্তিক সংস্থায় মেধা বিক্রি করছেন কিংবা এরকম একটি সংস্থায় দেশী কিংবা বিদেশী অর্থের সংস্থান করতে পারছেন, অর্থাৎ যদি এরকম একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে তা পরিচালিত করার প্রতিযোগিতায় সফল হচ্ছেন। অর্থাৎ মেধা বিক্রির জায়গাটা নড়বড়ে হলে কিংবা চাকুরিটা চলে গেলে অথবা সংস্থাটিতে অর্থের যোগান সংকোচিত হলে, আমাদের অধিকারের প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলনটাতেও ভাটা পড়ে যায়; অর্থাৎ অধিকারের চিন্তা হ্রাস পেতে শুরু করে।

অধিকার দাবী করা কিংবা অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এরকম টানাপোড়েনে পড়ে; অর্থাৎ অন্যকোন নিয়ামকের ওপর নির্ভর করে, তবে কি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়? প্রশ্নটা প্রায় প্রাতিষ্ঠানিক অধিকারকর্মীকে মাঝে মধ্যেই নাড়া দেয়। আর এই নাড়া দেয়াতেই বার বার আর্থিক সহযোগিতার জন্য ডোনার (প্রাতিষ্ঠানিক অধিকার (!?)ভিত্তিক সংস্থা)দের মুখাপেক্ষী হতে হয়। কিভাবে তাদের খুশি রাখা যাবে, কিভাবে কাজ করলে তারা ফান্ড দেবে, অধিকার এরকম বিভিন্ন নিয়ামকের বেড়াজালে বন্দী হয়ে যায়। আহা! কি সুন্দর, অধিকারের আন্দোলন! এরকম চিন্তার বন্দীত্ব শিকার করেই প্রাতিষ্ঠানিক সমাজকর্মীরা আন্দোলন পরিচালনা করছেন, যার ফলে সমাজের সমস্যাগুলোর সমাধান তো হচ্ছেই না; বরং দিনকে দিন নানামুখী সমস্যায় সমাজ আরও বেশি জর্জরিত হচ্ছে। অনেকসময় এইসব সমাজকর্মীই সমাজের সমস্যা হিসাবে আর্বিভূত হচ্ছেন।

আমরাই পারি! কিভাবে? আলোচনা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। লক্ষ্য স্বনির্ভর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। আগামীকাল এই ধারাবাহিক আলোচনার আরেকটি সভা। আলোচিত হবে, একজন সমাজকর্মীর জীবিকা, জীবিকার ধরণ, অধিকার ও অধিকার ভিত্তিক আন্দোলনের বাস্তবায়নের কৌশল। আমরাই পারি! সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে।

অন্যায্য ও অন্যায় এই পৃথিবীর বিধি-ব্যবস্থা পরিবর্তন করে মানুষের বাসযোগ্য করতে।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।