আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জাপানের ডায়েরী-১!

সামুতে বারবার ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করলেও কর্তৃপক্ষের নিশ্চুপ থাকার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসাবে ব্লগিং বন্ধ করলাম এখানে। ধিক্কার সামুর কর্তৃপক্ষকে

জাপানে আসা আমার মাত্র ৬দিন হয়ে এলো! ভাবছি এখানকার ভালো লাগা-খারাপ লাগা সবই আস্তে আস্তে শেয়ার করব! প্রথম যেদিন নারিতা এয়ারপোর্টে এলাম তখনই চোখে পড়ল ঝকঝকে সাজানো বাগানের মত পরিবেশ! কি সুন্দর সাজানো গোছানো সবকিছু! কিন্তু চারিদিকে ক্যাঁ-কু-কউ শুনে মনের মাঝে হাহাকার করছিলো বাংলা বলার জন্য! মনে হচ্ছিল বাংলা না বলতে পারলে মরেই যাব! ঢাকা থেকে আমার প্রথম ফ্লাইট ছিলো ব্যাংকক পর্যন্ত সেখানে বিমানে কিছু বাংলাদেশী পেয়েছিলাম, তাদের সাথে যা হোক ব্যাংকক পর্যন্ত বাংলা বলতে পেরেছিলাম! কিন্তু এরপর ব্যাংকক-নারিতা বাংলা বলার আর কোন সৌভাগ্য হয়নি, তঘাই মনটা বিষিয়ে ছিলো! তারপর আবার আমার ইউনিভার্সিটির যে এজেন্ট আমাকে রিসিভ করার কথা তার ইংরেজীর বহর দেখেতো থ! বলি কি আর বোঝে কি??? যা ইংরেজীতে আমার নামের প্ল্যাকার্ড থাকায় তাকে সহজেই চিনতে পারলাম! আমি আসার আগে দেশ থেকে কিছু ইয়েন এনেছিলাম, কিন্তু নারিতাতে ডলার ভাঙ্গানোর পরে দেখি আমার দেশ থেকে আনা নোটের সাথে এখানকার নোটের মিল নাই! ভাবলাম দেশ থেকে জাল ইয়েন আনলাম কিনা?? যা হোক ঐ এজেন্ট বললাম এটা কি ইনভ্যালিড?? আর ও ব্যাটা মনে করেছে আমি ওকে টিপস্ দিচ্ছি! সে শুধু নো নো করছে! যতই বুঝাই একই নোটের আমারটা আর এখানকার ভাঙ্গানো নোটে ছবি আলাদা কেন, সে ততই নো নো করে! কি যে ফ্যাসাড?? পরে ভেবে চিন্তে ওকে পাশাপাশি ২টা নোট দেখিয়ে বললাম, Both are ok??? তখন কষ্টের একটা হাসি দিয়ে বলল ইয়েস! আমিও হাফ ছেড়ে বাঁচলাম! যেন একটা যুদ্ধ জয় করে ফেলেছি! >>>>>>>চলবে!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।