আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

হতাশার দিন সামনে

ছবি দিতে চাচ্ছি না।

জোট সরকার পদত্যাগ করার পরের সেই বিভৎস সময়ের কথা মনে করে দেখুন। মানুষের জীবনের ন্যুনতম নিরাপত্তাও ছিল না। সবখানে দলবাজী। আজ এ জোট করে কাল সে সেই জোট করে।

কোন উপদেষ্টাকে কারো পছন্দ হয় না। এই খুনাখুনি বন্ধ করতেই কিন্তু ১১ জানুয়ারী বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়। গত কিছুদিন ধরে কি খবরের কাগজ কি ব্লগ সব জায়গায় শুধু সরকারের নিন্দা শুনছি। সবাই ১১ জানুয়ারীর দায় এরওর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন। যেনো এটা কোন অপরাধ ছিল বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের বা সেনাবাহিনির।

তারেক রহমান মুক্ত হবার পর থেকে আমি এবং আমার মতো আরো অনেকে আতঙ্কিত। তবে সেটা বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবার সম্ভাবনা দেখে। তথাকথিত গণতন্ত্রের অরাজকতা দেশকে ১৬ বছরে যে অন্ধকূপে নামিয়ে এনেছে বর্তমান সরকার সেখানে খানিক আলো জ্বেলেছিলেন। হাসিনা খালেদা জলিল তারেকরা সেই আলো মুহুর্তের মধ্যে নিভিয়ে ফেলবেন। আমি এখন আর কোন কিছু আগের মতো করে দেখি না।

গণতন্ত্রের মোহ অনেক দেখানো হয়েছে মানুষকে। কোন ব্যবস্থা দিয়ে কাজ চলতে থাকলে তখন তাকে পাল্টাতে গেলে সঙ্কট বাড়ে। আমি সহজ বুদ্ধিতে বুঝি এদেশের গরীব দু:খী মানুষ দুবেলা দুমুঠো খেতে পেয়েছে সেনাশাসনের সময়। অফিস আদালতে কাজের পরিবেশ সেনা শাসন ছাড়া আসেই না। গণতন্ত্র তো দেখলো মানুষ অনেকদিন।

দেখা গেলো যে জিনিসটা আমাদের জন্য না। গণতন্ত্র কার্যকর হতে ভালো ইকোনমি লাগে। গণতন্ত্র দিয়ে উন্নয়ন হয় না। পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও গণতন্ত্র দিয়ে উন্নয়ন হয় নি। যেসব বুদ্ধিজিবিরা বলেন গণতন্ত্র উন্নয়নের শর্ত তারা অসৎ।

এখন নতুন করে আবার কোন ভবিষ্যতের দিকে যাচ্ছি আমরা কে জানে?

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।