মিথ্যার চেয়ে সত্য বলা কঠিন। এই কঠিন কাজটিই করে যাচ্ছি এবং যাবো
১৮৯৮ সালের ২ ডিসেম্বর কলকাতায় ইন্দ্রলাল রায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা পিএল রায় ছিলেন বরিশাল জেলার লকুতিয়ার জমিদার। তার মায়ের নাম ছিল ললিতা রায়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় তিনি ছিলেন হ্যামারস্মিথ, লন্ডনের সেইন্ট পাউলস স্কুলের ছাত্র।
পরিবারের প্রত্যাশা ছিল তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) পরীক্ষায় প্রতিযোগীতা করবেন। কিন্তু তার পরিবর্তে তিনি রয়েল ফ্লাইং কর্পস এ যোগ দেন। ১৯১৭ সালের অক্টোবরে তিনি সেকেন্ড লিউটেন্যান্ট পদবি পান। ১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ফ্রান্সের পক্ষে জার্মানির বিরুদ্ধে এক সামরিক অভিযানকালে ইন্দ্রলালের বিমানে জার্মান নো-ম্যানস ল্যান্ডে ভূপাতিত হয়।
৩ দিন অজ্ঞান থাকার পরে বিট্রিশ সেনাদল তাকে উদ্ধার করে ফ্রান্সের বিট্রিশ সামরিক হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
সেখানে তাকে মৃত ঘোষনা করে মর্গে পাঠানো হয়। কিন্তু সকলের ধারনাকে ভুল প্রমানিত করে তিনি জ্ঞান ফিরে পান।
সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে না ফিরে এই অকুতোভয় বাঙ্গালী আবার বিমান উড্ডয়ন করেন। ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই শত্রুর গোলায় তার বিমান ভূপাতিত হলে তিনি মৃতু্বরন করেন। তার আগে ৫ জুলাই থেকে শুরু করে তিনি জার্মানির ৯টি যুদ্ধবিমান তিনি ধ্বংস করেন।
বিমানযুদ্ধে তার অসাধারন সাফল্যের জন্য তিনি মরনোত্তর ডিএফসি (ডিস্টিংগুইস ফ্লাইং ক্রস) সম্মানে ভূষিত হন।
তাকে ফ্রান্সের ইসটিবিলস এ সমাধিত করা হয়।
তারই পদাঙ্ক অনুসরন করে তার ভাগিনা সুব্রত মুখার্জি পরবর্তীতে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের চিফ অব এয়ার স্টাফ হয়। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।