বিভিন্ন সাইটে বাবা দিবস নিয়ে অনেক লেখা পড়লাম। হৃদয়ে দাগ কাটলো বাংলানিউজ-এ শারমীনা ইসলাম-এর এই লেখাটি। আপনাদের পড়ানোর লোভ সামলাতে পারলাম না!
একটি পার্কে মর্নিংওয়ার্ক করতে এসেছে বৃদ্ধ বাবা আর তার তরুণ ছেলে। একটি সুন্দর পাখি দেখে, বাবা ছেলের কাছে জানতে চাইলেন এটা কী পাখি ছেলেটি উত্তর দিলো- টিয়া।
বাবা আবার জিজ্ঞেস করলেন এটা কী পাখি? ছেলে আবারও উত্তর দিলো- টিয়া পাখি।
একই প্রশ্ন বাবা আবার করলেন, এবার ছেলে কিছুটা বিরক্তি নিয়ে উত্তর দিলো, দেখতে পাচ্ছোনা এটা একটা টিয়া পাখি।
বাবা আবার জানতে চাইলেন এটা কী পাখি? ছেলে রেগে বাবাকে উত্তরে বলল, তোমার সমস্যা কী? তুমি কি পাগল হয়ে গেছ, একই প্রশ্ন এতোবার করছো?
কী বন্ধুরা আপনারাও নিশ্চয় আমার ওপর বিরক্ত হচ্ছেন এই গল্প পড়ে.. বেশ তাহলে এবার গল্পের পরের অংশে যাই।
কিছু না বলে বাবা উঠে চলে গেলেন। ছেলেটি বাবার প্রতি চরম বিরক্তি নিয়ে সেখানেই বসে রইল।
কিছুক্ষণ পর বাবা একটি পুরোনো ডায়েরি নিয়ে ফিরে এলেন এবং ছেলেকে পড়তে বললেন।
ছেলেটি ডায়েরি পড়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলল এবং তার এমন আচরনের জন্য বাবার কাছে বারবার ক্ষমা চাইতে লাগলো।
জানতে ইচ্ছে করছে নিশ্চয়ই কী লেখাছিল সেই ডায়েরির পাতায়? লেখাছিল-
আমার চার বছরের ছোট্ট ছেলেটি আজ সকালে আমার সঙ্গে পার্কে হাঁটতে গিয়েছিল। বাবু একটি টিয়া পাখি দেখে আমাকে ২৬ বার প্রশ্ন করল এটা কী পাখি... আমি প্রতিবার উত্তর দিলাম সে খুব আনন্দ পেল। বাবুর উল্লাস দেখে প্রতিবার উত্তর দেওয়ার পর আমি তাকে বুকে নিয়ে আদর করলাম।
আমাদের প্রত্যেকের জীবনেই হয়তো বাবার সাথে এমন একটি গল্প আছে, সেই বাবার জায়গা যেন বৃদ্ধাশ্রমে না হয়... ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।