ছোটবেলায় এক স্যার থেকে একটা গল্প শুনেছিলাম । গল্পটি এরকম এক এলাকায় এক দোকানদার আবুল আর এক লোক কাবুল সাহেবের খুব ভাল সম্পর্ক ছিল। তো শয়তান ইচ্ছে করল তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি করবে। কিন্তু কিভাবে করবে????
সে কোন চান্স ই পাচ্ছিল না। হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি এল।
সে কি করল দোকানদারের দোকান থেকে কিছু চিনি নিয়ে আলাদা করে মেঝেতে তার মুত্র দিয়ে এঁটে দিল।
চিনি দ্যাখে আসল পিপড়াঁ। পিপড়াঁকে দ্যাখে আসল টিকটিকি। টিকটিকিকে দ্যাখে আসল ইঁদুর। ইঁদুর কে দ্যাখে আসল বিড়াল।
বিড়াল আর ইঁদুরের মধ্যে ব্যাপক ঝগড়া লেগে গেল।
এ ঝগড়া দ্যাখে রাস্তায় বসে থাকে কাবুল সাহেবের গৃহপালিত কুকুরটি আসল । যথারীতি এসে দ্যাখে মেঝেতে চিনি পড়ে আছে। কুকুরটি তা চাটা শুরু করল। ওদিকে আবুল সাহেব এসে কুকুরের এ চিনি চাটা দ্যাখে পাশে থাকা একটি লাঠী দিয়ে কুকুরকে মাথায় আঘাত করল।
ঘটনাস্থলেই কুকুরের মৃত্যু। কাবুল সাহেব তা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে তার খান্দানি বন্দুক নিয়ে বের হয়ে হল। আবুল সাহেবের সাথে তর্কের এক পর্যায়ে সহ্য করতে না পেরে দিল গুলি করে।
আবুল সাহেব নিহত।
কাবুল সাহেব ফাঁসির কাষ্ঠে।
স্যার আসলে এ গল্পটি দ্বারা শয়তানের স্টেপ বুঝাতে চেয়েছেন। কিভাবে শয়তান স্টেপ নেয়।
আমাদের সরকারের কার্যকলাপ দ্যাখে আমার মনে হচ্ছে শয়তানের মতই স্টেপ নিচ্ছেন। মোটামুটি শান্তিপুর্নভাবে বসবাসরত একটি মুসলিম ্দেশে হুদাই নারীর সমান উত্তরাধিকারের ধোঁয়া তুলে শুধুই একটা অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টীর পাঁইতারা করছে। এ যেন শয়তানের মুত্র বিসর্জন করে চিনি লেপ্টানোর মতোই।
আর একে ইস্যু করে কিছু বুদ্ধিজীবী(!!)মহল নিজেদেরকে জাহির করে সুবিধা নেয়ার পাঁইতারা করছে। হয়ত এ রকম বুদ্ধিজীবিদের উদ্দেশ্য করে হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন-
“বুদ্ধুজীবি তিন প্রকার। ভন্ড,ভন্ডতর,ভন্ডতম। “
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।