আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বাংলা সিনেমা - নায়িকা সংবাদ

ফটোগ্রাফি, ভ্রমন, সিনেমা, ওয়ার্ডপ্রেস, এবং সব এলোমেলো ভাবনা

সদ্য বিখ্যাত হওয়া এক নায়িকা শ্যূটিং-এ যাওয়ার সময় গভীর রাতে ট্রেন থেকে নেমে আর উঠতে না পেরে আশ্রয় নেয় ব্যাচেলর স্টেশন মাস্টারের ঘরে। প্রতিবেশীদের কাছে মান রক্ষার্থে অগত্যা নকল স্বামী-স্ত্রী সেজে কাটাতে হয় কয়েকটি দিন। অজান্তেই কখন হয়ে যায় দু'জনের মন বিনিময়। এই হলো কাহিনী। ১৯৬৭ সালে নির্মিত এই বানিজ্যিক সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার ও অঞ্জনা ভৌমিক।

চমৎকার কিছু গান রয়েছে সিনেমাটিতে। ভোরবেলায় দু'জনে বেড়াতে গিয়েছে পাহাড়ে। ভোরের পরিবেশে মুগ্ধ হয়ে নায়িকা গেয়ে উঠছে - "কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি কি মিষ্টি এ সকাল!"; কিংবা রাতের আসরে সবাইকে শোনাচ্ছে - "আজ চঞ্চল মন যদি মৌমাছি হয়ে যায় ক্ষতি কি! গুন গুন সুরে যদি সারারাত গান গায় ক্ষতি কি!!" মনে হচ্ছিল যেনো স্বাভাবিকভাবেই ভেতর থেকে বের হেয় আসছিল। কোন সাজানো ঘটনা নয়। এছাড়াও আছে পূর্ণ দাস বাউলের গাওয়া - "গোলেমালে গোলেমালে পিড়ীত কইরো না"।

সিনেমাটি যেটা দেখে সবচেয়ে ভালো লাগলো সেটা হচ্ছে পুরুষ মানুষের পৌরষ! ব্যাচেলর নায়ক-নায়িকা একই ঘরে ঘুমাচ্ছে দিনের পর দিন - একজন বিছানায় একজন নিচে - মাঝে একটি আলনার পার্টিশন। অথচ অসংলগ্ন হচ্ছে না কেউ। দেখে মনে হচ্ছিল পুরুষ হলে হতে হয় এই রকম। তাহলেই গর্ব করে বলা যায় - আমি পুরুষ! সিনেমাটি দেখা যাবে বাংলা সিনেমা আর্কাইভে।



এর পর.....

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.