আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

টুকু মিয়ার প্রবচন ২

লিখতে ভাল লাগে, লিখে আনন্দ পাই, তাই লিখি। নতুন কিছু তৈরির আনন্দ পাই। কল্পনার আনন্দ।

২০১. মন কী বলে সেটা বড় কথা নয়, পকেট কী বলে সেটাই বড় কথা। তুমি নতুন শার্ট না পরে গেলেও চলবে, কিন্তু মানিব্যাগটা পকেটে নিতে ভুলো না।

২০২. প্রতিশোধ নেয়াটা মানুষ এমনিতেই শেখে। আমাদের উচিৎ ক্ষমা চাওয়া শেখা। ২০৩. আমরা সাধারণত শিক্ষিত লোক এবং ভদ্রলোকের সংজ্ঞা একই মনে করি। ২০৪. আমরা তুলনা করতে পছন্দ করি, কিন্তু একজন মানুষকে আরেকজনের সাথে তুলনা করা চলে না। ২০৫. কখনো কখনো যুক্তির চেয়ে Instinct এর অনুসরণ করা ভাল।

২০৬. পরিশ্রম করলেই ফল পাবে এমন কোন কথা নেই। ব্যাপারটা কোথায়, কীভাবে এবং কেন পরিশ্রম করছ, তার ওপর নির্ভর করে। ২০৭. কাপুরুষতা সময়ে সময়ে খুব ভাল গুণ বলে বিবেচিত হয়। ২০৮. অশ্লীল বিষয়গুলোকে আমরা যতই দূর দূর করি, অশ্লীল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই আমরা খুব পছন্দ করি। কারণ “শ্লীল” এর সীমা আছে, অশ্লীলের সীমা নেই; কাজেই বৈচিত্র্যের অভাব হয় না।

২০৯. বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা প্রশ্ন করি, “সবাই কী করছে”। প্রশ্নটা হওয়া উচিৎ ছিল, “আমার কী করা প্রয়োজন”। ২১০. বাহবা না পেলে কাজ করার উৎসাহ না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ, আমরা আনন্দের জন্য কাজ করি না, বাহবা পাবার জন্য করি। ২১১. দিনে দিনে বিদগ্ধ রসিকতা বিদায় নেবে, এবং সুড়সুড়ি দেয়া রসিকতা বাড়বে।

২১২. ব্যক্তিত্ব আর “ভাব” এক জিনিস নয়। ২১৩. তুমি অবশ্যই বর্তমান সময়টিকে গাল দেবে এবং এটা অতীত হলেই সময়টাকে মিস করবে। ২১৪. ছেলে ভাল রেজাল্ট করলে সে “আমার ছেলে”, কিন্তু চুরি করলে অবশ্যই “তোমার ছেলে”। ছেলেটার দুর্ভাগ্য, সে কখনো “আমাদের ছেলে” হয়ে ওঠে না। ২১৫. “ঢাকা”-র চেয়ে “খোলা”-র প্রচলন বাড়ছে।

এর কারণ পুরুষের মাছি স্বভাব। মাছি একমাত্র খোলা খাবারেই বসতে পারে। ২১৬. মাথা গরম অবস্থায় কিল-চড়-ঘুষি যা-ই দাও, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিও না। ২১৭. “আমরা শুধুই বন্ধু”- কথাটি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই পরবর্তীকালে মিথ্যে প্রমাণিত হয়। ২১৮. যে তোমাকে সবসময় বিপদে ফেলতে চায়, তোমার সতর্কতা আর বুদ্ধিমত্তার পেছনে তার যথেষ্ট অবদান আছে।

২১৯. যে দলের স্ট্রাইকার প্রতি ম্যাচেই দু’তিনটি করে গোল পায়, সে দলের সাপোর্ট করলে সত্যিকার সাপোর্টের আনন্দটা পাবে না। তারাই দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার আনন্দ জানে, যারা দশ বছর ধরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিচ্ছিল। ২২০. বুদ্ধিমান লোকের প্রশংসা সবাই করে, কিন্তু তার সাথে বন্ধুত্ব করতে ভয় পায়। পাছে আবার ... ... ২২১. তোমার চেয়ে ভাল কথা তোমার আগে অনেকেই বলেছে, কিন্তু তোমার মতো স্বীকৃতি পায় নি। ২২২. মানুষ মাত্রই মাতব্বরি করতে পছন্দ করে।

২২৩. নিজে করুণার পাত্র হলেও মানুষ অন্যকে করুণা করতে চায়। ২২৪. আমাদের অনেকেরই ঋণ করে হলেও ঘি খাবার অভ্যেস আছে। ২২৫. সন্তান তোমার গুণগুলো না পেলেও দোষগুলো অবশ্যই পাবে। ২২৬. “জীবনের গভীর বোধ” নামক গল্পের চেয়ে “বাসর রাতের অভিজ্ঞতা” নামক গল্প অবশ্যই বেশী পাঠক পাবে। ২২৭. সবার সাথে তাল দেয়া সবসময় সঠিক না হলেও নিরাপদ।

এতে তুমি ধরা পড়লে অনেককে নিয়েই পড়বে। ২২৮. গত এক ঘণ্টা ধরে একজনের শোকেই তুমি মুহ্যমান। অথচ গত এক ঘণ্টায় এমন অনেকে চলে গেছে, যারা বেঁচে থাকলে আরও বড় হতে পারতো কিন্তু তাদের জন্য কেউ কাঁদছে না। ২২৯. খুবই দুঃখের ব্যাপার, তুমি যে বইটা পড়ছ, সেটা তোমার আগেই অনেকে পড়ে ফেলেছে। ২৩০. সবার কথাই মন দিয়ে শোন।

নইলে মন দিয়ে শোনা কেন নিরর্থক ছিল তা বুঝতে পারবে না! ২৩১. অনেকেই বলেন ছোটরা জানে না বা বোঝে না। কিন্তু এই প্রজন্মের একটা দশ বছরের ছেলে যা জানে এবং বোঝে, তার খবর রাখলে অবশ্যই তার পিতামাতার আক্কেলগুড়ুম হয়ে যাবে। ২৩২. তোমার সবচেয়ে বড় গল্পটির মূল বক্তব্যও দু’লাইনের বেশী নয়। ২৩৩. শুধু “ভালোবাসি” বললেই হয় না। বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে আরও অনেক কিছু বলতে হয়।

২৩৪. তোমার কাজের সময় প্রমীলা দর্শক থাকলে তুমি ঠেকানোর বলও মারতে যাবে এবং অবশ্যই অত্যন্ত বাজে বলে আউট হয়ে সবটা মাটি করবে। ২৩৫. তুমি আশ্চর্য যুগে জন্মেছ, যখন জ্ঞানী আর মূর্খ উভয়েই দাম্ভিক। অথচ কারোই দাম্ভিক হবার কথা ছিল না। জ্ঞানী যথেষ্ট জানে না বলে এবং মূর্খ কিছুই জানে না বলে। নাকি এটাই দাম্ভিকতার কারণ? ২৩৬. কিছু জানার জন্য কারো কাছে যাবার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই।

তবে কথাটা বেশীরভাগ মানুষই মানতে চায় না। ২৩৭. “লাইক” এবং “কমেন্ট” গণনা করে তুমি ধরে নিও না, তোমার দুঃখে সবাই আসলেই ব্যথিত। লাইক বাটন চাপতে মাত্র এক সেকেন্ড লাগে, কিন্তু তোমার দুঃখ বুঝতে নিশ্চয়ই এত কম সময় লাগার কথা নয়। ২৩৮. তোমার ফ্রেন্ড সার্কেল এবং নেটওয়ার্ক যত বড় হবে, তোমার দুশ্চিন্তা এবং কাজের চাপ ততই বাড়বে। ২৩৯. যখন দেখবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী বাক্যব্যয় হচ্ছে, তখন বুঝে নেবে যে সত্যি কথাটা কেউ বলতে চাইছে না অথবা বলতে চাইলেও পারছে না।

২৪০. কাটা না পড়লে বুঝবে না, বাঁ পায়ের কড়ে আঙুলটাও কী বস্তু ছিল। ২৪১. বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসার ঋণ শোধ করা উচিৎ নয়। যেটা সম্ভব নয়, সেটা চেষ্টা করে লাভ কী? ২৪২. ঋণ নেয়ার পর মানুষ আশ্চর্য ভুলোমনা হয়ে যায়। আর পাওনাদারদের স্মরণশক্তি আশ্চর্য প্রখর! ২৪৩. তোমার স্ত্রী দশ বছর পরও কিন্তু মনে রাখবে, আজ সকালে তোমার কাছে কোন অচেনা মেয়ের ফোন এসেছিল। যদিও সে ভুলে যেতে পারে, গত রাতেই তোমার ডায়রিয়া হয়েছিল।

২৪৪. জীবন ঠিক এমনই বৈচিত্র্যহীন, একঘেয়ে এবং সময়ে সময়ে ঝামেলায় পরিপূর্ণ। তার পরও তুমি যদি আনন্দ খুঁজে নিতে পারো, তুমি একজন সফল এবং বুদ্ধিমান মানুষ। ২৪৫. না জানাটা অনেকেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনা করেন। ২৪৬. সুস্থতার চর্চাকে বোঝা মনে হবে, কিন্তু অসুস্থতার চর্চাকে মনে হবে বিনোদন। ২৪৭. পরের পয়সা খাটিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগ।

২৪৮. মনে রেখো, অনেকেরই সময়জ্ঞান বলে কিছু নেই। সাড়ে ন’টা বলতে সাড়ে ন’টাই বোঝে! ২৪৯. সে-ই প্রকৃত বন্ধু, যে প্রয়োজনে টাকা ধার দেবে এবং ফেরত চাওয়ার কথা বেমালুম ভুলে যাবে। ২৫০. যতই জানতে চাইবে এবং ঘনিষ্ঠ হতে চাইবে, ততই বিপদ। কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু না জানা এবং দূরে থাকাই ভাল। ২৫১. বাঙালি সম্ভবত এমন একটি জাতির নাম, যারা অন্যদের চেয়ে নিজেদেরকে গালিগালাজ করে বেশী।

২৫২. সবার জন্ম কিংবা মৃত্যু সমান মিডিয়া কাভারেজ পাবে না, এটাই নিয়ম। ২৫৩. আজকাল যেগুলো কোন ব্যাপার নয় সেগুলোই ভয়াবহ স্পর্শকাতর; আর যেগুলো ভয়াবহ স্পর্শকাতর, সেগুলো কোন ব্যাপার নয়। ২৫৪. সবার সাথে রসিকতার যোগ্যতা তুমি রাখো না। সবাই তোমার রসিকতা বোঝার যোগ্যতাও রাখে না। ২৫৫. “প্রতিবন্ধী” শব্দটি আমরা সাধারণত সহানুভূতির সাথে ব্যবহার করি না, করি করুণার সাথে।

২৫৬. কিছু করার ক্ষমতা নেই বলে সহ্য করছি – এটার নাম ধৈর্য নয়, অক্ষমতা। ২৫৭. তোমার ক্ষমতা আছে বলে যদি সেটা প্রয়োগ করে ফেলো, তুমি মোটেও কোন ক্ষমতাবান ব্যক্তি নও। সে শক্তিই শক্তি, যেটা গোপন রাখলেও তার সবাই স্বীকার করে। ২৫৮. কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থা আছে, যাদের একমাত্র কাজ কিছুদিন পর পর উদ্বেগ প্রকাশ করা। ২৫৯. এক মেগাবাইট পার সেকেন্ডের যুগে যখন প্রবেশ করবে, নিশ্চিত করে নাও যে আর কোনদিন এক কিলোবাইট পার সেকেন্ডের যুগে ফিরে আসতে হবে না।

প্রাসাদে বাসের পর কুঁড়েঘরে প্রত্যাবর্তন দ্বিগুণ কষ্টের। ২৬০. এ যুগের একজন তরুণ কিংবা তরুণীকে সত্যিকারের কষ্ট দিতে চাইলে তার কাছ থেকে কম্পিউটার কেড়ে নাও এবং ইন্টারনেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দাও। ২৬১. একটি মৃত্যু শুধু মৃত্যুই নয়। এটা কারো জীবিকা, কারো সকালের চায়ে ভিজিয়ে খাওয়ার বিস্কুট, কারো সন্ধ্যার বিনোদন। ২৬২. আমি নিজের সমালোচনা শুনতে খুব পছন্দ করি, প্রশংসা শুনলে অসহ্য লাগে।

কথাটা যে ডাঁহা মিথ্যে বলেছি বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই। ২৬৩. এ গোলাপ গাছটিতে প্রতি বছরই প্রচুর গোলাপ ফুটবে না; তোমার সব গল্পও সমান পাঠকপ্রিয়তা পাবে না। ২৬৪. যারা তোমার শেষকৃত্যে উপস্থিত থাকবে, তারা তোমার ফেসবুক ফ্রেন্ড কিংবা ফলোয়ার নয়। ২৬৫. তোমার সন্তান তোমাকে ওল্ড হোমে রেখে এলে তাকে ধন্যবাদ দিও। একমাত্র সে-ই তোমাকে ছুটি দিয়েছে।

২৬৬. মনে রেখো, সভা-সেমিনারে আলোচনা হয়, সমাধান নয়। ২৬৭. যে ভাতের প্লেটটি সামনে দেয়া আছে, শুধু এটার জন্যই কাউকে বাজারে গিয়ে চাল কিনতে হয়েছে, কাউকে চাল ধুতে হয়েছে এবং রাঁধতে হয়েছে। ২৬৮. খাবার হজমের পরই আমরা অন্নদাতার কথা ভুলে যাই। ২৬৯. অনেক কিছুই ঘটবে, যেগুলোর হিসেব তুমি মেলাতে পারবে না। ২৭০. পরিবর্তন মানেই ইতিবাচক পরিবর্তন নয়।

২৭১. যার নামে একটু নিন্দে শুনলেই মারতে আসবে, তুমি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তার মতো হতে চাইবে না। ২৭২. বিখ্যাত মানুষেরা পৃথিবীর সবচেয়ে বিড়ম্বিত মানুষ। ২৭৩. কেউ নীতিবান মানুষ পছন্দ করে না, সবাই নিজের পক্ষে থাকা মানুষ পছন্দ করে। ২৭৪. অনুভূতি প্রকাশ করতে নেই। তোমার জন্য অতি মূল্যবান অনুভূতি অনেকের কাছেই তামাশার বস্তু।

২৭৫. কবি হতে গেলে কবিতা লেখাটা শর্ত; লম্বা চুল, নোংরা জামা কিংবা উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি নয়। ২৭৬. আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাজের চেয়ে কাজের লেজুড় লম্বা করি। ২৭৭. মাত্র একজনের কথাতেই তোমার সব কাজ ব্যর্থ হয়ে যায় না। ২৭৮. মানুষ আজকাল Quality দেখে না, Quantity দেখে। ২৭৯. গরীবের ঈদ একদিনেরই।

২৮০. তুমি হয়তো কোন লেখায় একটি নারী চরিত্র খুব ভাল ফুটিয়ে তুলতে পারবে। কিন্তু একজন নারীর সমস্যা কী, সাইকোলজি কী, সেটা বোঝা তোমার কম্ম নয়। রিকশা না চালালে তুমি জানবে না, কত যন্ত্রণায় একজন মানুষ রিকশা চালাতে নামে। ২৮১. ডিসকভারি চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখে তুমি সার্ভাইভাল পরিস্থিতি আন্দাজ করতে পারবে না, বড়জোর বিনোদন পাবে। ২৮২. আজকাল মানুষ বাস্তব জগতের চেয়ে বিভ্রান্তির জগৎ বেশী পছন্দ করে।

২৮৩. তুমি এই নায়কটিকে পছন্দ কর, কারণ তুমি কোনদিন এই নায়কের মতো হতে পারবে না। ২৮৪. মানুষ চলে আবেগে, যুক্তিতে নয়। কাজেই কারো যুক্তি বোঝার চেয়ে তার আবেগটা বোঝা জরুরী। ২৮৫. অপেক্ষার সময়টা ভাল। কারণ, পেয়ে গেলেই তো শেষ।

২৮৬. সিগারেটে প্রথম টানটা কখনো দিও না। কারণ, প্রথম টানেই থেমে থাকতে কেউ পারে না। ২৮৭. মানুষ মোটেও সবল প্রাণী নয়। ২৮৮. আমরা মনে করি, দেশ ও জাতিকে উদ্ধার করার সবচেয়ে উত্তম জায়গা হচ্ছে চায়ের স্টল। ২৮৯. বেঁচে থাকবে না জেনেও তুমি ঠিকই বাড়ি বানাবে এবং টাকা উপায় করতে ছুটবে।

২৯০. যার কথা চিন্তা করে তোমার পেটে গোলমাল হবে, বুঝবে তাকেই তুমি ভালোবাসো। ২৯১. আমরা যা পছন্দ করি না, তা থেকে দূরে সরে যাই। জীবন থেকে এবং নিজের থেকে পালিয়ে বেড়ানোর মতো গ্লানির আর কিছু নেই। ২৯২. তার গলার স্বরই কর্কশ, যার ভেতরটা ফাঁকা। ২৯৩. পৃথিবীর সবচেয়ে ভঙ্গুর বস্তু হল আধুনিক পরিবার।

বিজ্ঞানীরা বৃথাই অন্যকিছুর খোঁজ করছেন। ২৯৪. খিদে পেলে তুমি সবার পদলেহন করতেই রাজী হবে। ২৯৫. তোমার কাছ থেকে কেউ কিছু আশা করে না – এমনটা না হলে তুমি বেপরোয়া আনন্দের সাথে কিছু করতে পারবে না। ২৯৬. আমরা একটা গাছ লাগাতে দুটো গাছ কেটে থাকি। ২৯৭. সামাজিক জীব হলেও মানুষ গোপনীয়তা পছন্দ করে।

২৯৮. একদিন না একদিন তোমার স্ত্রী ঠিকই জানতে পারবে, বিয়ের আগে তুমি তার কাছে কী কী গোপন করেছিলে। ২৯৯. তাকেই তোমার অসহ্য লাগবে, যে তোমাকে পাত্তা দেয় না। ৩০০. নিজের ঢোল নিজেই পেটাও। সমালোচনার জন্য বাকি সবাই তো আছেই। কোন পাঠক যদি এই লেখাটিতে আপত্তিকর কিছু দেখে থাকেন, তবে “টুকু মিয়ার উপদেশমালা (প্রথম পর্ব)” – এর শেষের ক’টি লাইন দেখে নেয়ার বিনীত অনুরোধ রইলো।

লিংকঃ Click This Link (২১ আগস্ট, ২০১৩)

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে ১২ বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.