দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রকাশ, মুহম্মদপুর উপজেলার কাউলীপাড়া গ্রামের পিরেনী বেওয়া। ৭৫ বছর বয়সের একজন বিধবা বয়স্কা মহিলা। একটি কার্ডের আশায় একাধিকবার ধরনা দিয়েছেন মুহম্মদপুর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান স্বপ্না বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু তিনি তা দিতে পারেননি।
সর্বশেষ গত শনিবার প্রচন্ড শীতে কাবু হয়ে ওই বৃদ্ধা একটি কম্বলের জন্য এসেছিলেন স্বপ্না বিশ্বাসের কাছে । কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও পরিষদে আসা কম্বল থেকে তার জন্য একটি কম্বলের ব্যবস্থা করে দিতে পারেননি স্বপ্না বিশ্বাস। কেননা কম্বল দেওয়া হচ্ছে উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী। স্বপ্না বিশ্বাসের আক্ষেপ একটা মাত্র কম্বল এই বৃদ্ধার জন্য পরিষদ থেকে তিনি সংগ্রহ করে দিতে পারলেন না । আর দীর্ঘ ১ বছর যাবৎ ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেও কপালে জোটেনি কোন বেতন ভাতা।
কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে স্বপ্না বিশ্বাসরা যদি এ সমাজের জন্য কোন কাজেই না আসে তাহলে কেন তাদের পরিষদের পদ দেওয়া হয়েছে? কেন তাদের নির্বাচিত করা হয়েছে? যদি একজন অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর ক্ষমতা তাদের না থাকে, যদি একজন শীতার্ত বৃদ্ধাকে একটি মাত্র কম্বল দেওয়ার ক্ষমতা না থাকে তাহলে কিসের তারা ভাইস চেয়ারম্যান? কি কাজে লাগবে এ ভাইস চেয়ারম্যান?
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।