আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

গাজায় হোয়াইট ফসফরাস ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে ইসরাইল



ইসরাইল প্রথমবারের মতো সাম্প্রতিক গাজা অভিযানে নিষিদ্ধ হোয়াইট ফসফরাস ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছে। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনাদের ভয়াবহ আগ্রাসন সমর্থন করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দাবি করা হয়েছে, হামাসের রকেট হামলার জবাব দিতে অবরুদ্ধ গাজার অধিবাসীদের ওপর হামলা করা ছিলো ইসরাইলী সেনাদের ‘অধিকার’ ও ‘দায়িত্ব’। ‘গাজা অভিযান- বাস্তব ও আইনগত দৃষ্টিকোণ’ - শীর্ষক ১৬৩ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে প্রথমবারের মতো ইসরাইল স্বীকার করেছে, তাদের সেনাবাহিনী গাজায় হোয়াইট ফসফরাস সমৃদ্ধ বোমা ব্যবহার করেছে। তবে গাজা হামলার ছবি, ইসরাইলী সেনাদের স্বীকারোক্তি ও হতাহত ফিলিস্তিনীদের ডাক্তারী রিপোর্টে দুর্বল ইউরেনিয়াম ও রাসায়নিক হোয়াইট ফসফরাস শেল ব্যবহারের কথা প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও তেলআবিব ওইসব অস্ত্র ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেছে।

২০০৮ সালের ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ ইসরাইলী সেনারা গাজার নিরস্ত্র ফিলিস্তিনীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। তিন সপ্তাহব্যাপী ওই অভিযানে তারা ব্যাপক তাণ্ডব চালায় এবং নারী ও শিশুসহ ১,৪০০ ফিলিস্তিনীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এসময় অপর প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ফিলিস্তিনী আহত হয় এবং গোটা গাজা উপত্যকা মৃত্যুপুরিতে রূপান্তরিত হয়। এ সময় ইসরাইলী সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা, আবাসিক এলাকায় বোমাবর্ষণ, জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে গোলা নিক্ষেপসহ মানবতাবিরোধী ব্যাপক তৎপরতা চালায়। ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৩টি যুদ্ধ অপরাধসহ এ ধরনের ১০০টি অভিযোগ তেলআবিব খতিয়ে দেখছে।

জাতিসংঘ গাজায় ইসরাইলী সেনাদের যুদ্ধ অপরাধের ব্যাপারে দু’টি কড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর তেলআবিব ঐ প্রতিবেদন প্রকাশ করলো।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.