আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

পুলিশের এত ঠ্যাকা পরছে নিজের পাছায় নিজে বাঁশ দেওয়ার !

ভুল করেছি,প্রায়শ্চিত্য করবো না, তা তো হয় না পুলিশরে গালি দেওয়ার আগে একবার ভাবুন ---- চাকুরি নেওয়ার সময় শুধু নগদ পয়সাতেই কাম হয় না, হ্যালো লাগে হ্যালো ; আগে টেলিফোন পরে পয়সা। সারদা পুলিশ একাডেমীতে পয়সা না ছাড়লে কোন অফিসারই পাস করতে পারে না তাই বিসিএস ক্যাডাররাও ঘোড়ায় কোনদিন না চড়েই পয়সার বিনিময়ে ঘোড়াচালন বিদ্যায় পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের গণরুম দেখছেন গণরুম... শুধু পুলিশের সিপাই না এএসআই যারা আছে তাদেরও থানা কম্পাউন্ডে থাকার যে মেস আছে তার সাথে গণরুমের কোন তফাৎ নাই। এবার আসেন পোষ্টিংয়ে শুধু পয়সায় কাম হয় না, ক্ষমতাসীনদের সাথে লবিং করতে না পারলে সোজা চলে যান অজপাড়াগাঁয়, প্রত্যেকটা বাপ-মায়ের স্বপ্ন থাকে ছেলেমেয়েকে একটা ভাল স্কুল কলেজে পড়াবে। সেনাবাহিনী যখন ব্যারাকের বাইরে যায় অফিসাররা প্রত্যেকটা সিপাইর খাওয়ার খোঁজ খবর নেয় কিন্তু পুলিশ বাহিনীতে! ডিউটিকালীন সময় ফোনে পাওয়া হুকুম তামিল করতে গিয়ে জী স্যার জী স্যার বলে জীবন শেষ! একে ধর, ওকে ছেড়ে দাও, না! একে কক্ষনও ধরতে পারবা না, স্বাধীনভাবে ন্যায়পরায়ণতার সাথে কাজ করতে গেলে বিনা নোটিশে আলীকদম পোস্টিং , মুখে বিশ্রী ভাষা বলার দিক থেকে এরা বস্তির মহিলাদের চেয়েও একধাপ আগানো।

সরকারী কোন পদে না থেকেও রাজনৈতিক নেতারা মাথার উপর ছড়ি তো ঘুড়ায়ই এমনকি ক্ষমতাসীনদের আশ্রিত পাতি পোলাপানরাও গালি দিতে কুন্ঠাবোধ করে না, আর নেতাদেরা সাথে হটলিংক থাকায় জুনিয়র অফিসাররা আপনাকে বুড়া আঙল দেখিয়ে চলবে। মোট জনসংখ্যার তুলনায় পুলিশ অপ্রতুল হওয়ায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে এদের কয়ঘন্টা ডিউটি করতে হয় সেটা যারা কাছ থেকে দেখেন তারা ভাল জানেন, এরা শান্তিমত একটু ঘুমাইতেও পারে না। সততার সাথে ডিউটি করে কোন লাভ নাই, যার লবিং আছে সে প্রমোশন পাবে। এবিষয়গুলো যখন একজন শিক্ষানবিশ পুলিশের মাইন্ডে সেট হয়ে যায় তখন তার থেকে আমাদের এটা আশা করা অন্যায়, খুবই অন্যায় যে সে সেনাবাহিনীর সৈন্যদের মত সৎ, দৃ্ঢ় মনোবলে বলীয়ান হবে। আর তাইতো সে চাপাতি দিয়ে বিশ্বজিৎকে কোপাতে দেখেও নিশ্চুপ থাকে, পল্টনে জীবন্ত মানুষকে পিটিয়ে দাঁড়ানো থেকে রাজপথে শুইয়ে ফেলা আর ঐ মরা লাশের উপর নৃত্য করতে দেখেও না দেখার ভান করে কিংবা নিজের টিমের প্রধান বা সহকর্মীকে একদল লোক লাঠি দিয়ে যখন নির্বিচারে পেটায় তখন সে ইয়া নাফসী ইয়া নাফসী করতে করতে চোরের মত পলায়।

পুলিশ নিয়োগের সময় ঘুষ-বাণিজ্যের মধ্যদিয়ে একজনের পঁচে যাওয়ার যে শুরুটা হয় তার বিরোধিতা করে সুশীলরা যেহেতু মিছিল-সমাবেশ বা মানববন্ধন করেন নি তাই আপনাদের কোন অধিকার নাই, পুলিশকে গালি দেওয়ার। আর যদি বলেন ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার দরকার কি? তাহলে বলবো বেকার ছেলের কাছে কি আপনি আপনার মেয়ে বিয়ে দিবেন ? ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.