বিক্ষিপ্ত জীবন. . . কখনো হাসায় . . . কখনো কাদাঁয় . . . আবার কখনো নির্ভেজাল অন্ধকার ঘিরে ফেলে চারদিক থেকে . . .
হুজুগের ঠেলায় তো প্রথমে সবাই ধরে নিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিলের স্বীকারোক্তি বলে যা প্রচারিত হয়েছিল তার সবই সত্য। এখন দ্বিতীয় দফায় তার স্বীকারোক্তি বলে যা প্রচারিত হচ্ছে তার সঙ্গে আগের স্বীকারোক্তির অনেক অমিল ধরা পড়ছে। ঢাকা থেকে আমাকে এক বল্পব্দু জানিয়েছেন, নয়াদিগন্ত, সংগ্রাম, আমার দেশ বা দিনকাল পত্রিকায় আবদুল জলিলের স্বীকারোক্তি বলে যা ছাপা হয়েছিল এবং এখন সাপ্তাহিক ২০০০ পত্রিকায় যা ছাপা হয়েছে তার মধ্যে অনেক পার্থক্য।
সাপ্তাহিক ২০০০-এর বর্ণিত সংখ্যাটি আমার হাতে আসেনি। সুতরাং ঢাকার বন্ধুর দেওয়া খবরটি কতটা সঠিক তা এখনই বলতে পারব না।
যদি সঠিক হয় তাহলে বুঝতে হবে দেশের রাজনীতি ও রাজনীতিকদের ডিসক্রেডিট করার জন্য স্বীকারোক্তি প্রচার দ্বারা যে হুজুগ সৃষ্টি করা হয়েছে পরিণামে তা ভালো ফল দেবে না।
(বাঁচাওওও)
উপরের বাক্যগুলো আমার মস্তিষ্ক প্রসুত নয়। গতকাল দৈনিক সমকালে প্রকাশিত আব্দুল গাফফার চৌধুরীর কলাম থেকে নেয়া। সাপ্তাহিক ২০০০ এ প্রকাশিত আব্দুল জলিলের স্বীকারোক্তি নিয়ে বিভিন্ন মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা-বিতর্ক। সেই বিতর্কে ঘি ঢালার চেষ্টায় মশগুল কেউ কেউ।
কেউবা রাজনীতিবিদদের স্বরুপ দেখে আতংকিত হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ এসব স্বীকারোক্তির সুত্রের সন্ধানে সার্চ লাইট নিয়ে অযথা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
(খাইয়ালামু)
মজার কাজটি করেছে আমাদের সময়। গতকাল থেকে তারা সাপ্তাহিক ২০০০ এ প্রকাশিত জলিলের স্বীকারোক্তি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা শুরু করেছে তাদের পত্রিকায়। গতকাল লেখার ভেতর সাপ্তাহিক ২০০০ থেকে পাওয়া কথাটি বললেও আজকে দেখলাম কোথাও সাপ্তাহিক ২০০০ এর নাম গন্ধও নেই।
মনে হচ্ছে স্বীকারোক্তিটিকে নিজেদের সৃষ্টি বলে চালাতেই বেশি আগ্রহী তারা।
আব্দুল জলিলের পুরো স্বীকারোক্তি পাবেন সাপ্তাহিক ২০০০ এর বর্তমান সংখ্যায়, এখানে ক্লিক করে:
লিংক:
Click This Link
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।