আমি রফিকুল ইসলাম মজুমদার কে ভালো ভাবেই চিনতাম। ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত বঙ্গবাজারে ব্যাবসার সুবাদে পরিচয় ছিলো। রাজনৈতিক শোডাউন এর অভ্যাস ব্যাতিত তেমন কোনো বড় চারিত্রিক দোষ আমি দেখি নাই তার চলাফেরায়। সর্বদা তৃনমূল জনগনের সাথেই থাকতেন। আর নিজেও তৃনমূল থেকে উঠে এসেছেন কঠোর পরিশ্রম দিয়ে।
প্রথম জীবনে গুলিস্থান সিনেমার সামনে ফূটপাতে ব্যবসা করে আস্তে আস্তে বঙ্গবাজারের ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ি হন। তারপর এখান থেকেই রাজনিতিতে যুক্ত। অস্বিকার করার উপায় নেই যে সেও ব্যাপক রাজনৈতিক সুবিধা গ্রহন করেছিলো কিন্তু সামগ্রিক রাজনৈতিক দুর্নীতির কাছে সেটা এতো-ই নগন্য যা বলার মতই না। তার ব্যাবসায়িক সততা বঙ্গবাজারে এক প্রকার ধ্রুপদী। তার দোষ ২০০১ এর নির্বাচনে কচুয়া চাঁদ পুরের আসনে তার কারনেই ম খা আলমগির পরাজিত হয়েছে।
শাহারাস্তি তে তার ইউনিয়নে ও আশেপাশের গ্রাম গুলোতে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা চোখে পরার মতো। তাছাড়া ঢাকা রমনা আসনে ও তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ফজলে নুর তাপসের ও মাথা ব্যাথার কারন।
ভোটের হিসাব আর হাতকড়া লাগানো লাশ ...... আমি কোনো রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে শোকাহত নই............ আমার কয়েক ফোটা অশ্রু একটা সদা হাস্য কালো মুক্তার জন্যে ............ ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।