আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

আমি হিমু না হিমুর ভক্ত!!

আজ রাস্তায় রাস্তায় হিমুর সমারোহ দেখে নিজেকে খুব অসহায় লাগলো! আমি হিমু না কেন! চিন্তা করতে করতেই একজন হিমু কন্ডাক্টর এসে ভাড়া চাইলো! যার পরায় হলুদ পান্জাবী! মামা টাকা দেন! না দিলে হয় না! কেন না দিবেন কেন! শুনে বুঝলাম ও শুধু পোশাকেই হিমু! কাজে না ....কোন রশিকতায় বুঝে না। টাকা টা দিয়ে দিলাম।সামনে যেতে যেতে দেখলাম কিছু কম বয়সি ছেলে খালি পায়ে হাটছে আর গায়ে হলুদ পাঞ্জাবী! দেখে বুঝতে পারলাম উনার সৃষ্ট হিমুর প্রতি মানুষের কেমন ভালোবাসা !! আজকের দিনে হিমুর বেশ , হিমুর চরিত্র, হিমুর চালচলন ধারন করা যেতেই পারে! কিন্তু এই সব যুবকের কিছু যুবক আছে , যারা অতিমাত্রায় হিমু! তারা নিজেদের সত্যিকারের হিমু ভাবতে থাকে! তাদের স্বভাবের মধ্যে হিমুর আভাস রাখার চেষ্টা করে! সিগেরেট খায়! খালি পায়ে হাটে! পকেটে টাকা রাখে না! বেকার থাকে! এমনিতেই বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা বেশী ! তার উপরে যদি হিমু ভেবে এসব যুবক বেকার হওয়ার এইম করে ফেলে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে এদেশ বেকারদের অভয়ারণ্য হয়ে যাবে। হিমুর অনুপস্থিতিতে হিমুর বাস তার লেখায়! পাঠকের মেলায়....ভক্তদের কল্পনায়। কিন্তু নকল হিমুতে না! হিমু শুধু সিগেরেট খেলে, হলুদ পাঞ্জাবী পরলে, খালি পায়ে হাটলেই হয় না! হিমুর কিছু ভালো অভ্যাস ও ছিলো! আর সবচেয়ে বড় কথা হলো হিমু ছিলো লেখকের সৃষ্ট কাল্পনিক চরিত্র। যা হওয়ার চেষ্টা করলেও কেউ হতে পারবে না। তাই এই অপচেষ্টা করে হিমুর ধারনা পাল্টে দেয়ার কোন মানে হয় না। হিমু আমার পছন্দের চরিত্র। আমি হিমুর ভক্ত, কিন্তু আমি হিমু না। (হিমু দিবসে হিমুর জন্য উৎসর্গকৃত লেখা)  

সোর্স: http://www.somewhereinblog.net     দেখা হয়েছে বার

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।