ভালোবাসায় ঈশ্বর .. ভালোবাসায় তুমি .. ভালোবাসায় আমি .. ভালোবাসায় অন্য সবাই... শুধু জেনো ..ভালোবাসায় ভালোবাসা ঝালকাঠির যে বাড়িতে আমি বড় হয়েছি ওটা আমার দাদাজান আমার আব্বা আর চাচা কে থাকবার জন্য করে দিয়ে গেছেন ! আমি ধন্যবাদ জানাই আমার মরহুম দাদাজান কে যিনি আমার আজকের এই লেখার সুযোগ করে দিয়েছেন ! ওটাকে বাড়ি না বলে পুরনো দালান বলা চলে ! যে কথা শোনাবার জন্য কিবোর্ডে হাত দিলাম । পুরনো দালানের ভেন্তিলেতারে অনেক চড়ুই পাখির আনাগোনা ছিলো । আপা আর আমি যখন পড়তে বসতাম প্রায়ই ফ্যান এর সাথে লেগে ২/১ টা পাখি ছিটকে এসে পরত আমার পড়ার টেবিলে ! মরি মরি আবস্থায় কয়েক মিনিট বেঁচে থেকে পাখি গুলো মারা যেতো ! আমি তখন ছাদে নিয়ে গিয়ে গাছের গোঁড়ায় সেগুলোকে সযত্নে কবর দিতাম !একদিন আমার গৃহশিক্ষক বললেন তুই তো পাখি গুলো মরে যাবার আগেই ওগুলোকে জবাই করে রোস্ট বানিয়ে খেতে পারিস ! আমি তো মহাখুশি !! এই ভেবে যে রোষ্ট খাবো প্রতিদিন !! যেই কথা সেই কাজ , প্রায় প্রতিদিন ই আমি চড়ুই পাখি ধরে নিয়ে আম্মা কে বলতাম জলদি রোষ্ট বানিয়ে দাও ! গতকাল ফোনে কাকির কাছে জানতে চাইলাম এখনো চড়ুই পাখির বাসা আমাদের ভেন্টিলেটর এ আছে কিনা ?? কাকি জানালেন মোবাইল ফোন বাসায় আসার পর থেকে বাসায় আর চড়ুই পাখি আসেনা ! মোবাইল এর রস্নি নাকি ওরা সইতে পারেনা !! আমি আফসোস করে বললাম , হায়রে মোবাইল ফোন তুই আমার চড়ুই রোষ্ট খাওয়ার বারোটা বাজালি ??
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।