আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

বিদ্যুৎ এর যাতনা

আমি এক অসুস্থ মস্তিস্কের মানুষ। সমাজের অন্যায় গুলো কষ্ট দেয়। অসঙ্গতি এড়িয়ে চলতে পারিনা। আমার জীবন টা ছন্দহীন কাব্যের মত। মস্তিস্ক চর্চায় আমার নেশা।

কথায় আছে না,হুজুগে বাঙ্গালী!আসোলেই তাই। ভাত পায় না আবার ফুটানি তে জোর। আমাদের দেশে এই সময়টায় বিদ্যুৎ এর ঘাটতি দেখা যায়!!সকাল থেকেই বিদ্যুৎ না থাকা(কিছু সময় অবশ্য থাকে)। এখন তো অতটা গরম লাগেনা। তারপর ও রাতে বিদ্যুৎ এর লুকচুরি খেলা সত্যি এক ধরনের মানসিক যন্ত্রনা দেয়।

এই বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের জন্য সরকার কতই না অদ্ভুত নিয়ম ই না তৈরী করে। রাত ৮ টার পর দোকান বন্ধ রাখতে হবে,বিকাল ৫ থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে হবে(হাস্যকর)। অথচ শহর নগরে সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে যে আলোর ঝলকানি আমরা দেখতে পায় তা কতটা যৌক্তিক সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিছুটা বড় দোকান,শপিংমল,বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এমনকি এই আলোর ঝলকানি থেকে বাদ যায় না সরকারি অফিস ও!!সব মানুষের বিবেক আজ রুদ্ধ। হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা যেমন মন্ত্র মুগ্ধ করেছিল ইঁদুরদের তেমনি কোন এক অজানা মায়াজালে বন্দী আমাদের এই যক্ষপূরি।

শহরে প্রায় প্রতিটি ল্যাম্পপোস্ট,পামট্রি,বিনোদেনর জায়গা গুলো এমনকি বাদ জায়নি নগরভবন ও এই আলোকময় রঙিন জগৎ থেকে! কিছু দিন পর পর বিদ্যুৎ,গ্যাস ও জ্বালানি তেল সহ সব কিছু পন্যের দাম উর্ধগতির এই দেশে কেমন করে এটি শোভা পায়!!এই অপচয় কি না করলেই নয়? এই বিদ্যুৎ না থাকলে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো কতটা ভঙ্গুর হয় তা সবাই জনজীবনে আশা করি বুঝতে পারে। যদি পারা যেত জাফর ইকবাল স্যার এর উপ্যন্যাস এর মত সব কম্পিউটারাইজড করা জায়তো!যদি ভ্যান গগ এর তৈল চিত্র এর মত আমাদের এই পৃথিবী টাকে সাজানো জেত তাহলে হয়ত আমরা ভালো ভাবে থাকতে পারতাম। কিন্তু এই সবই ত কাল্পনিক। তবে আমরা চেষ্টা করলেই পারব এই পৃথিবীটাকে সুন্দর করতে.................. ।

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.