যারা অন্যের সাথে প্রতারণা করে তারা প্রথমে নীজের সাথে প্রতারণা করে,কিন্তু নির্বোধ বলে তারা তা বুঝে না। আর প্রতরণার মধ্য দিয়ে প্রতারক মানুষরুপী শয়তান ও প্রেতে পরিনত হয়। কিন্তু অজ্ঞনতার ধরুন বিবেক তাদের ধ্বংশন করে না। ফলস্বরুপ,তারা পাপাচারে সুখ ভোগ করে। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা ১৩০৬ সালের ১১ই জৈষ্ঠ মোতাবেক ১৮৯৯ সালের ২৫শে মে বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।
পিতার নাম কাজী ফকির আহম্মেদ এবং মাতার নাম জাহেদা খাতুন। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১১সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত অমর কবিতা “বিদ্রোহী” যা বাংলা সাহিত্যে তাঁকে“বিদ্রোহী কবি”হিসাবে অমর করে রেখেছেন। তিঁনি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমীক, সঙ্গীতজ্ঞ, দার্শনিক। কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখেন। যার ফলে তিঁনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি উপাধীতে ভোষিত হন।
বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। কাজী নজরুল ইসলাম ব্রিটিস শাসকগোষ্ঠির শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে তার কলমকে অস্ত্র ও বুলেট হিসেবে ব্যাবহার করেছেন। হঠাৎ ১৯৪২ সালে মধ্যবয়সে তিঁনি পিকস ডিজিজে আক্রান্ত হন। এর ফলে দীর্ঘদিন তাকে সাহিত্যকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। একই সাথে মানসিক ভারসাম্যও তিঁনি হারিয়ে ফেলেন।
বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে ১৯৭২ সালে তিঁনি সপরিবারে ঢাকা আসেন। এসময় তাকে বাংলাদেশের জাতীয়তা প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ইং সালের ২৯শে আগষ্ট জগত খ্যাত এ মনীষীকে লন্ডন হাসপাতালে রোগমুক্ত করা সম্ভব না হলে ফির তাঁকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে ভর্তি কর হয়। এখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর একটি ইসলামী সংগীতে অছিয়ত করেন,তাঁকে মসজিদের পাশে যেন কবর দেওয়া হয়।
তাঁর সেই অছিয়ত অনুযায়ীই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদসংল্গ উত্তর পার্শ্বে রাষ্টীয় মর্যাদায় কবিকে সমাহিত করা হয়। ।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।