আমাদের কথা খুঁজে নিন

   

জামাত যদি নিরংকুশ ভোট পাইয়া ক্ষমতায় আহে তাইলে ইতিহাস যেমনে লেখা হবে!

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

বাংলাদেশে সবই সম্ভব! চোরের মার বড় গলা থাকন সত্বেও তিনি বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী হইতে পারেন, আবার ডিগ্রী পাশ কইরাও কুনো জার্নাল বা পেপার না লিখাও ৩-৪ টা পিএইচডি বগলদাবা করতেই পারেন! আবার ৮ পাশ করা মানুষ ম্যাট্রক পাশের সার্টিফিকেটে তার জন্মদিন পরিবর্তন কইরা বছরে দুইটা দিনে পয়দা হওনের ঘোষনা দেন, আর আমরা সেই এক মানুষের দুই দুইটা জন্মদিন কেক কাইটা পালনও করি! কত অদেখারে আমার! তো ধরেন একদিন আমরা বাসার সবাই মিল্লা নাচতে নাচতে ভোট দিয়া আসলাম আর পরের দিন ঘুম থিকা উইঠা দেখলাম জামাত শিবির ক্ষমতায় আইসা বাংলাদেশের সরকার গঠন করছে তখন দেখবেন ইতিহাস যেমনে লেখা হইবো!! ১৯৭১ সালের মহান ২৬ মার্চে ইন্ডিয়ার উষ্কানিতে আর ষড়যন্ত্রের হাত থিকা রক্ষা করতে পাকিস্তানের কিছু বিপথগামী সৈন্য সেদেশের সরকারের বানী উপেক্ষা কইরা বাংলাদেশের কয়েকটা অন্ঞ্চলে হঠাৎ আক্রমন কইরা বসে। খোজ নিয়া জানা যায় সীমান্ত পথে ভারত চোলাই মদের বদলে জাদুটোনা পড়া মদ পাঠাই দিলে সেইসব খাইয়া এইসব সৈন্যবাহিনীর মাথাটা চাউর দেয় আর তারা নিরীহ বাঙ্গালীদের উপর ঝাপাইয়া পড়ে। বাঙ্গালীর এহেন সংকটাপূর্ন মুহুর্তে রাইতের বেলা যখন উদ্দীশছাড়া হইয়া ঘুমাইতাছিলো সবাই নাক ডাইক তখন আমাগো বীরসন্তান কোটি বৎসরের শ্রেষ্ঠ অধ্যাপক গো আ ওরফের গো আজম নিজেরে সর্বাধিনায়ক ঘোষনা কইরা হাতে চ্যাং চাকু লইয়া মুজাহিদ কাকার বাসায় রওনা হয়। পথিমধ্যে সাঈদী সাবরে রাস্তায় ঢিলা কুলুপ খুজনের সময় তারে পাইয়া পুরা ঘটনা বলিতেই সাঈদি দুইটা ফাল দিয়া কয় ,"চলেন মুজা কাকার বাসায়!" মুজা কাকার সেইদিন রাইতে ঘুম আসে নাই, কেন জানী ঘুমানীর আগে গরূর গোস্ত বেশী খাওনে শরীর এমুন গরম হইছে যে মাথাডা তাওয়ার মতো গরম হই্যা গেছে।

যাই হোউক এমুন গরম মুহুর্তে সাঈদির লগে গো আ রে দেইখাই কইলো, "ঘটনা কি?" গো আ চ্যাংচাকু দিয়া দাড়ি আচড়াইতে আচড়াইতে কয়," কি আর হইবো? কত্ত কইরা কইলাম সীমান্ত পাহারা দেন, তা দিলেন না! অখন বোঝেন মজা, ভারতের জাদু টোনা মন্ত্র পড়া মদ খাইয়া আমাগো পাকিস্তানী কিছু নওজোয়ান কাটা রাইফেল নিয়া নাইমা পড়ছে। অখন রাস্তায় যারে পাইতাছে সবাইরে মশার মতো মারতাছে! জাতীর এহেন মুহুর্তে তো আমি আজাইড়া বইসা থাকতে পারি না!" মুজা শুইনাই হাত পাংখা মুচড়াইয়া মাটিতে আছাড় মাইরা কয়,"কন কি? অখনই যুদ্ধে নামন দরকার। আমি নিজেরে প্রেসিডেন্ট ঘোষনা কইরা যুদ্ধে নাইমা পড়লাম!" গো আ তখন আস্তে কইরা কয়,"আমি তো মিনিট পাচি আগে নিজেরে সর্বাধিনায়ক ঘোষনা দিোয়া দিছি হেইডার কি হইবো?" মুজা কাকা সাঈদীর দিকে তাকাইয়া কয়,"সাঈদী, তুমি সাক্ষ্মী, আমি প্রেসিডেন্ট আর গোলাম ভাই সর্বাধিনায়ক আর তুমি প্রধান মন্ত্রী!" সাঈদি একটু মোচড়ানী দিয়া কইলো,"আগে তাহাজ্জুদের নামাজটা পইড়া লই, ওজুখানাটা কুন দিকে?" এইভাবেই মহান আল্লাহর নাম লইয়া জামাতের শীর্ষ নেতারা যুদ্ধ করিয়াছেন! কিন্তু বঙ্গবন্ধু দিনে দুপুরে ঘুষনা দিয়া তাগো মুক্তিযুদ্ধ ছিনতাই কইরা লইয়া যায়! এমুন ইতিহাস বিকৃতি যদি কোনোদিন শুনিও তাইলেও আমি অবাক হমু না! তয় তাগো শাসনামলের পর যদি আমি নিরংকুশ ক্ষমতা অর্জন কইরা সরকার গঠন করি (কস কি মোমিন, আমিও প্রধান মন্ত্রী হমু?), তাইলে আমিও একখান গোপ বানামু! তখন আমি অমুক গ্রামের তুমুক চ্যায়ারম্যান আছিলাম। আমার মতো সৎ লোক পুরা গ্রাম বাদ দেন, পুরা পৃথিবীর দোজাহানে ছিলো না। আমার গ্রামে কেউ ভাতের অভাবে মরতো না।

বৈশাখের কড়া খড়ায় যখন বর্ষাকালে বৃষ্টি আইতো তখন আমার বাধ কাটনের সবাই পানিতে ডুইবা পানি খাইয়া মরতো। তারপর যারা বাইচা থাকতো তারা গমের বিনিময়ে কাম কর্মসূচিতে কাম করতো। যেহেতু লোকজন গ্রামে কম থাকতো তাই পুরা গম আমার গোডাউনেই থাকতো! যাই হোউক, হঠাৎ একদিন রাইতের বেলা এক দাড়ী আলা ভদ্দরলোক আইয়া কইলো," আমি মুক্তিযুদ্ধের প্র্ধানমন্ত্রী সাঈদী। আমার একখান বদনা দরকার!" আমি আমার পায়জামার ফিতা খুজতে খুজতে কইলাম,"মর জ্বালা, গত দুইদিন ধইরা আমি পায়জামা লুঙ্গীর নাহাল গিট্টু মাইরা পড়তাছি, আর আপনে আইছেন আমার বদনা নিয়া! কি করবেন বদনা দিয়া?" সাঈদি একখান খাকাড়ি দিয়া কইলো,"চাচা, আপনে লুঙ্গীই পড়ছেন! যাই হোউক, গুলী ভরমু। তাই বদনা দরকার!" আমি তখন চিন্তা করলাম চারিদিকে যুদ্ধ যুদ্ধ শোনা যায়, তাই তরে বড়টাই দেই।

"আমার কাছে সোনালী আশ দিয়া তৈরী চালের বস্তা আছে, ঐটা লইয়া যান!" সাঈদী সাব ভ্রূ কুচকাইয়া কইলো," বড় হইয়া যাইবো। আমার বদনা দরকার!" আমি চিন্তায় পড়লাম, গুলি আবার বড় হয় কেমনে। মনে হয় চাইনিজ গুলী, চাইনিজ সাইজও যেমন ছোটো গুলির সাইজও ছোট! আমি তখন কইলাম,"আমার একখান পায়জামা আছে, ভিতরে তালী মারা তিনটা পকেট আছে, পুরা মসজিদের দান বাক্স ভইরা লইয়া যাইতে পারবেন, সেইখানে আপনের মেশিন গানের গুল্লী কুনো সাইজই না!" সাঈদি সাব গলা খাকাড়ী দিয়া "আস্তাগফিরুল্লাহ" তিনবার কইয়া বললো," জ্বী আমি ঢিলা কুলুফের গুল্লীর কথা কইতাছি! আমার বদনাই দরকার!" আমার মেজাজ খিচা গেলো। নিজে আমার পায়জামা থুক্কু লুঙ্গী টানতে টানতে আমার তিনখান টয়লেটের ৪ খান বদনা তারে দিয়া কইলাম," এই লন বদনা, বদনা লইয়া ফুটেন, ফের যদি মাঝরাইতে বদনা নিয়া খেচাখেচি করতে দেখি গ্রামের কারো লগে, তাইলে নগদে দোররা মারনের সিস্টেম করুম!" আমার বদনাগুলান আইজও ফেরত পাইলাম না। দেশ স্বাধীন হইলে মানুষ পায় সোনার খনি, আমি পাইছি অখন বদনার খনি! আসেন আমরা বলি ছুম্মা আমিন! বিঃদ্রোঃহঃঠ্যাংঃলেখা: ইদানিং জামাত শিবিরের কুকুরগুলান নানান জাতের ইতিহাস পয়দা করতাছে।

এদের ইতিহাস পয়দা করনের রেট বাংলাদেশের জন গন পয়দা করনের রেটের দ্বীগুন। আমি সেই হিসাব কইরা এই ঘটনা লিখলাম যদি এই হারে ইতিহাস পয়দা করতে করতে এরা যদি কুনোদিন বাংলাদেশের মসনদে বসে তাইলে দেখবেন এই ইতিহাস পড়তেই হইবো! আবাংলাদেশে সবই সম্ভব! তো ধরেন একদিন আমরা সবাই ভোট দিয়া আসলাম আর পরের দিন ঘুম থিকা উইঠা দেখলাম জামাত ক্ষমতায় আইসা বাংলাদেশের সরকার গঠন করছে তখন দেখবেন ইতিহাস এমনেই পাল্টাইবো!

অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।

প্রাসঙ্গিক আরো কথা
Related contents feature is in beta version.