আমাদের এক জুনিয়র কলিগ ছিল। কাজ যত না বুঝতো তার চেয়েও বেশী ভাব, কথা। ভাল। তাকে বোঝাতে, তাকে দিয়ে কাজ করাতে কি যে সমস্যা! সে নির্বিকার। তার ভরা গোঁফ সে টেনেই যাচ্ছে, এদিক থেকে সেদিক আবার সেদিক থে এদিক।
এক কোনায় বেশী টানে। তার নাম ধরে ডাকলে হকচকিয়ে যায়। হাত নেমে কাগজ খুঁজতে থাকে, কলম হাতরাতে থাকে। কলিগরা কিছু বললে করার চেষ্টা করে, খানিক বাদে আরেক হাত মানে বাঁহাত উঠে গেল। যথারীতি গোঁফ টানার কাজে।
অনেক আছেন এত বড় করে গোঁফ রাখেন যে মনে হয় পানি গোঁফে ডুবিয়ে পান করেন। নাহলে কেমন কেমন যেন লাগে।
চুল যারা রংগীন করে সাজিয়ে নেন তারা গোঁফ সাজান একটু অন্যরকম।
নতুন যাদের গোঁফ ওঠে তাদের অনুভুতি হয় বুঝি ভিন্ন।
গোঁফের জন্য অতি বিখ্যাত চার্লি চ্যাপলিন, হিটলার।
এছাড়াও আছেন অনেকে। দেশে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানী ছাড়াও আছেন আরো।
সিনেমায় গোঁফ রেখে, না রেখে জমজ ভাই সাজে। গোঁফকে মোঁছ, 'তোতে' ও বলতে শুনেছি।
এক কলিগকে দেখলাম কয়েকদিন লাগিয়ে গোঁফ একটু একটু করে ছেঁটে ছেঁটে পরে সবটাই খালি করে ফেললো।
আসলে গোঁফ দিয়ে যায় চেনা। যাদের আছে থাকলে স্বাভাবিক লাগে। সরিয়ে বা ছেঁটে ফেললে মনে হয় কি যেন নেই, কি যেন নেই।
।
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কথা গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে আমাদের কথা । এখানে সংগৃহিত কথা গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের লেখকের এবং আমাদের কথাতে প্রতিটা কথাতেই সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উধৃত আছে ।